
মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের তথাকথিত ‘টোল বুথ’ পরিকল্পনা ঘিরে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। যুক্তরাজ্যসহ তার মিত্ররা এই উদ্যোগকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং একে বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান কার্যত এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে এবং জ্বালানি বাজারে দাম দ্রুত বেড়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বে ব্যবহৃত তেলের একটি বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, ফলে এর বন্ধ হয়ে যাওয়া বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সরাসরি চাপ সৃষ্টি করছে।
এদিকে ইরান ও ওমান মিলে একটি নতুন প্রটোকল তৈরির পরিকল্পনা করছে, যার আওতায় এই জলপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে বিশেষ অনুমতি ও লাইসেন্স নিতে হবে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতিমধ্যে কিছু জাহাজের কাছ থেকে ১০ লাখ পাউন্ডের বেশি ফি নেওয়া হয়েছে, যা চীনা ইউয়ান বা স্টেবলকয়েনে পরিশোধ করতে হচ্ছে। বর্তমানে সীমিতসংখ্যক জাহাজ এই রুট ব্যবহার করতে পারছে এবং সেটিও ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ৪০টির বেশি দেশের এক বৈঠকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার বলেছেন, জাহাজ চলাচলের ওপর এ ধরনের টোল আরোপ সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি এই জলপথ আবারও দ্রুত খুলে না দেওয়া হয়, তাহলে ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।
ইভেট কুপার আরও বলেন, ইরান বিশ্ব অর্থনীতিকে ‘জিম্মি’ করে রাখার চেষ্টা করছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সমুদ্র আইনের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। বৈঠকে অংশ নেওয়া দেশগুলো অবিলম্বে ও নিঃশর্তভাবে এই জলপথ খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
এ ছাড়া জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রায় ২ হাজার জাহাজ বর্তমানে এই অঞ্চলে আটকে রয়েছে বলে জানা গেছে। এগুলোর দ্রুত চলাচল নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম সংস্থার সহায়তা নেওয়ার কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে।
তবে ইরান দাবি করেছে, নতুন নিয়মের উদ্দেশ্য জাহাজ চলাচল সীমিত করা নয়, বরং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যদিও ইরানের সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য এই জলপথ দীর্ঘ মেয়াদে বন্ধই থাকবে।

ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের দুই সদস্যকে ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন বাহিনী যখন নিখোঁজ দুই সদস্যকে খুঁজে বের করতে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে, তখন ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যদি কেউ জীবিত মার্কিন পাইলটকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেন...
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের ভূখণ্ডে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর দক্ষিণ ইরানে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরিস্থিতির একটি সামগ্রিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো।
২ ঘণ্টা আগে
এই যুদ্ধবিমানের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর দুই আসনবিশিষ্ট ককপিট। সামনের আসনে পাইলট বসে বিমানটি নিয়ন্ত্রণ করেন। পেছনের আসনে বসেন একজন ক্রু। তাঁর সামনে চারটি স্ক্রিন থাকে ও তাঁর প্রধান কাজ হলো লক্ষ্যবস্তু নির্বাচন করা এবং প্রতিটি হামলার জন্য অস্ত্রগুলোকে সঠিকভাবে প্রোগ্রাম করা।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের আকাশসীমায় ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের একজন ক্রু সদস্যকে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে