আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
ইরানি গোয়েন্দা বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়—সাম্প্রতিক সহিংসতা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নেটওয়ার্কগুলোর বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে এসব অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক ডিভাইস এবং সামরিক কাজে ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন উপকরণ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমর্থিত সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার দাবি করে ইরানের সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেছেন, সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও সহিংসতার পেছনে বিদেশি শক্তির মদদ রয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী কঠোরভাবে তা দমন করেছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তব্যে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদোলরহিম মুসাভি বলেন, ‘১২ দিনের যুদ্ধে ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে ইরানে হামলার চেষ্টা চালিয়েছে।’ ইরান তার স্বাধীনতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় স্বার্থ থেকে একচুলও সরে আসবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মুসাভি আরও বলেন, ‘ইরানের নিরাপত্তার প্রহরীরা আইএসআইএস সহ অপরাধী সন্ত্রাসী ও বিদেশি এজেন্টদের কোনো সুযোগ দেবে না। প্রয়োজনে আমরা জীবন দিয়ে হলেও দেশকে রক্ষা করব।’
তিনি অভিযোগ করেন—বিদেশি শক্তি সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। তবে তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা করেন এবং বলেন, ‘তারা ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে ইরানি জনগণকে রক্ষা করেছে এবং অনেক সদস্য নিরাপত্তার স্বার্থে জীবন উৎসর্গ করেছেন।’
এদিকে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে জানানো হয়েছে, ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় পূর্ব সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করা ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট একাধিক সন্ত্রাসী সেল গ্রেপ্তার করেছে। জাহেদান শহরের সাতটি স্থানে ছড়িয়ে থাকা এসব সেল বিভিন্ন সেবা কেন্দ্র লক্ষ্য করে বোমা হামলার পরিকল্পনা করছিল। অভিযানে মার্কিন অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
এর আগে ১২ জানুয়ারি ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় ২৭৩টি বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রভর্তি একটি চালান উদ্ধারের কথা জানায়। বিদেশি ট্রানজিট ট্রাকের ভেতরে এসব অস্ত্র অত্যন্ত পেশাদারভাবে অস্ত্রগুলো লুকানো ছিল বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এই চালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
ইরানি গোয়েন্দা বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়—সাম্প্রতিক সহিংসতা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নেটওয়ার্কগুলোর বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে এসব অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক ডিভাইস এবং সামরিক কাজে ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন উপকরণ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমর্থিত সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার দাবি করে ইরানের সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেছেন, সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও সহিংসতার পেছনে বিদেশি শক্তির মদদ রয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী কঠোরভাবে তা দমন করেছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তব্যে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদোলরহিম মুসাভি বলেন, ‘১২ দিনের যুদ্ধে ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে ইরানে হামলার চেষ্টা চালিয়েছে।’ ইরান তার স্বাধীনতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় স্বার্থ থেকে একচুলও সরে আসবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মুসাভি আরও বলেন, ‘ইরানের নিরাপত্তার প্রহরীরা আইএসআইএস সহ অপরাধী সন্ত্রাসী ও বিদেশি এজেন্টদের কোনো সুযোগ দেবে না। প্রয়োজনে আমরা জীবন দিয়ে হলেও দেশকে রক্ষা করব।’
তিনি অভিযোগ করেন—বিদেশি শক্তি সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। তবে তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা করেন এবং বলেন, ‘তারা ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে ইরানি জনগণকে রক্ষা করেছে এবং অনেক সদস্য নিরাপত্তার স্বার্থে জীবন উৎসর্গ করেছেন।’
এদিকে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে জানানো হয়েছে, ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় পূর্ব সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করা ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট একাধিক সন্ত্রাসী সেল গ্রেপ্তার করেছে। জাহেদান শহরের সাতটি স্থানে ছড়িয়ে থাকা এসব সেল বিভিন্ন সেবা কেন্দ্র লক্ষ্য করে বোমা হামলার পরিকল্পনা করছিল। অভিযানে মার্কিন অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
এর আগে ১২ জানুয়ারি ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় ২৭৩টি বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রভর্তি একটি চালান উদ্ধারের কথা জানায়। বিদেশি ট্রানজিট ট্রাকের ভেতরে এসব অস্ত্র অত্যন্ত পেশাদারভাবে অস্ত্রগুলো লুকানো ছিল বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এই চালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
৮ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৯ ঘণ্টা আগে