
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সদর দপ্তরে সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে চালানো এই হামলায় ভবনটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে এবং তা এখনো জ্বলছে বলে দাবি করেছে ইরান।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস-৩-এর নবম ধাপে আমরা তেল আবিবে অবস্থিত সন্ত্রাসী পরিকল্পনার মূল কেন্দ্র মোসাদ সদর দপ্তরে আঘাত করেছি। অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যভেদে সফল হয়েছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ ও ছবি ইঙ্গিত দিচ্ছে, হামলার পরপরই গ্লিলট এলাকায় ব্যাপক ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। এই এলাকাতেই মোসাদ ও আমান গোয়েন্দা ইউনিটের প্রধান ঘাঁটিগুলো অবস্থিত।
ইরান দাবি করছে, এই হামলার মাধ্যমে তারা ইসরায়েলি গোয়েন্দা অবকাঠামোয় মারাত্মক আঘাত হেনেছে। যদিও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হামলার বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করেনি।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই হামলা যদি সত্যি হয়, তাহলে এটি ইসরায়েলের জন্য কৌশলগতভাবে একটি বড় ধাক্কা। কারণ, মোসাদ শুধু মধ্যপ্রাচ্যে নয়, বিশ্বব্যাপী ইসরায়েলের গোপন ও সেনা-সহযোগিতামূলক অভিযানের প্রধান নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র।
ইরানের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এই প্রতিক্রিয়ামূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না ইসরায়েল আগ্রাসন বন্ধ করে এবং যুদ্ধাপরাধের জবাবদিহি করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩১ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৪ মিনিট আগে