
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রায় ৯০ মিনিট ফোনালাপ করেছেন। এই ফোনালাপে সৌদি আরবে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। ইংরেজি সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেটের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, আজ শুক্রবার এক সরকারি বিবৃতিতে ‘জিওলজিক্যাল আলফা মেল’ হিসেবে পরিচিত শীর্ষ দুই নেতার বৈঠক আয়োজনে নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে সৌদি আরব।
আনুষ্ঠানিকভাবে দেওয়া এই বিবৃতিতে সৌদি সরকার জানিয়েছে, তারা এই সম্মেলন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত এবং তারা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধানে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
ইউক্রেন সংকট শুরু হওয়ার পর থেকেই সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০২২ সালের মার্চে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে রাজনৈতিক সমাধান খোঁজার লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনা করেন।
গত তিন বছরে সৌদি আরব একাধিক বৈঠকের আয়োজন করেছে, যা দ্বন্দ্ব নিরসনে সংলাপের পথ প্রশস্ত করতে সহায়তা করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সৌদি আরব এ ধরনের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক উদ্যোগকে সমর্থন দিয়ে যাবে। যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতায় অবদান রাখবে।
অন্যদিকে গত বুধবার ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি আশা করেন, রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে তাঁর প্রথম বৈঠক সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রায় ৯০ মিনিটব্যাপী ফোনালাপের পর ট্রাম্প সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা শেষ পর্যন্ত সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছি। আমি আশা করি তিনি (পুতিন) এখানে আসবেন, আমিও সেখানে যাব। আমরা সম্ভবত সৌদি আরবেই প্রথমবারের মতো দেখা করছি। সেখানে কিছু একটা করতে পারি কি না, দেখা যাক।’

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৫ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে