আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ এখন সংঘাতের দোরগোড়ায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে সামরিক হস্তক্ষেপের প্রচ্ছন্ন হুমকি দেওয়ার পর তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, হামলা হলে তারা কেবল যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং যেসব প্রতিবেশী দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, তাদের ওপরও আঘাত হানবে।
ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স আজ বুধবার জানিয়েছে, তেহরান ইতিমধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কের মতো দেশগুলোকে সতর্ক করে বলেছে, তাদের ভূমি ব্যবহার করে বা তাদের দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি থেকে যদি কোনো অভিযান চালানো হয়, তবে ইরান সেসব ঘাঁটিতে পাল্টা মিসাইল হামলা চালাবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে কূটনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে, কাতারের আল-উদাইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু মার্কিন কর্মীকে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদিও বিষয়টিকে ‘বৃহৎ আকারের সরিয়ে নেওয়া’ বা ইভাকুয়েশন বলতে নারাজ কূটনীতিকেরা, তবে একে ‘পোশ্চার চেঞ্জ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছর ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রে মার্কিন হামলার পর ইরান এই আল-উদাইদ ঘাঁটিতে পাল্টা মিসাইল হামলা চালিয়েছিল।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে ট্রাম্প বিস্তারিত কোনো তথ্য না দিয়ে ইরানি বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘সাহায্য আসছে।’ তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়া শুরু করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব শক্ত ব্যবস্থা’ নেবে।
সরাসরি সামরিক হুমকির পাশাপাশি ট্রাম্প একটি বড় অর্থনৈতিক ধাক্কাও দিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করবে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তাদের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এতে চীন, ভারত ও তুরস্কের মতো বড় অর্থনীতির দেশগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি অনুযায়ী, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা এখন ২ হাজার ৬০০ ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে রাজধানী তেহরান ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল ব্যারো এই দমন-পীড়নকে ইরানের সমসাময়িক ইতিহাসের ‘সবচেয়ে সহিংস’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এদিকে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, ট্রাম্প ইতিমধ্যে ইরানে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। এখন শুধু সময় ও কৌশলের অপেক্ষা। অন্যদিকে, ইরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকর এবং ইতিমধ্যে তুরস্ক ও আমিরাতের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে, যাতে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে হামলা থেকে বিরত রাখে।

ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ এখন সংঘাতের দোরগোড়ায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে সামরিক হস্তক্ষেপের প্রচ্ছন্ন হুমকি দেওয়ার পর তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, হামলা হলে তারা কেবল যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং যেসব প্রতিবেশী দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, তাদের ওপরও আঘাত হানবে।
ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স আজ বুধবার জানিয়েছে, তেহরান ইতিমধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কের মতো দেশগুলোকে সতর্ক করে বলেছে, তাদের ভূমি ব্যবহার করে বা তাদের দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি থেকে যদি কোনো অভিযান চালানো হয়, তবে ইরান সেসব ঘাঁটিতে পাল্টা মিসাইল হামলা চালাবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে কূটনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে, কাতারের আল-উদাইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু মার্কিন কর্মীকে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদিও বিষয়টিকে ‘বৃহৎ আকারের সরিয়ে নেওয়া’ বা ইভাকুয়েশন বলতে নারাজ কূটনীতিকেরা, তবে একে ‘পোশ্চার চেঞ্জ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছর ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রে মার্কিন হামলার পর ইরান এই আল-উদাইদ ঘাঁটিতে পাল্টা মিসাইল হামলা চালিয়েছিল।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে ট্রাম্প বিস্তারিত কোনো তথ্য না দিয়ে ইরানি বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘সাহায্য আসছে।’ তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়া শুরু করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব শক্ত ব্যবস্থা’ নেবে।
সরাসরি সামরিক হুমকির পাশাপাশি ট্রাম্প একটি বড় অর্থনৈতিক ধাক্কাও দিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করবে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তাদের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এতে চীন, ভারত ও তুরস্কের মতো বড় অর্থনীতির দেশগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি অনুযায়ী, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা এখন ২ হাজার ৬০০ ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে রাজধানী তেহরান ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল ব্যারো এই দমন-পীড়নকে ইরানের সমসাময়িক ইতিহাসের ‘সবচেয়ে সহিংস’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এদিকে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, ট্রাম্প ইতিমধ্যে ইরানে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। এখন শুধু সময় ও কৌশলের অপেক্ষা। অন্যদিকে, ইরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকর এবং ইতিমধ্যে তুরস্ক ও আমিরাতের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে, যাতে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে হামলা থেকে বিরত রাখে।

ইরানে আন্দোলনকারীদের ওপর দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। এর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে কাতারে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন বিমানঘাঁটি ‘আল-উদেইদ’ থেকে কিছু...
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান কঠোর দমন–পীড়নের মধ্যে দেশটি ছেড়ে তুরস্কে প্রবেশ করছেন বহু ইরানি নাগরিক। বুধবার ইরান–তুরস্ক সীমান্তের কাপিকয় সীমান্ত ফটক দিয়ে ডজনখানেক ইরানি পরিবার ও ব্যক্তি তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় ভান প্রদেশে প্রবেশ করেন।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন দূতাবাসের এক পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতার ঢেউ তুলেছেন মালয়েশীয়রা। অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, ‘আমাদের দেশে কোনো তেল নেই, ট্রাম্প প্রশাসন যেন মালয়েশিয়ায় কুনজর না দেয়।’
২ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার অপসারিত ও অভিশংসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ বা বিদ্রোহের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন দেশটির বিশেষ কৌঁসুলিরা। সিউলের একটি আদালতে তাঁরা এই শাস্তির আবেদন জানান। ২০২৪ সালের শেষ দিকে ব্যর্থ সামরিক আইন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল চেষ্টার অভিযোগে
২ ঘণ্টা আগে