
দক্ষিণ কোরিয়ার অপসারিত ও অভিশংসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ বা বিদ্রোহের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন দেশটির বিশেষ কৌঁসুলিরা। সিউলের একটি আদালতে তাঁরা এই শাস্তির আবেদন জানান। ২০২৪ সালের শেষ দিকে ব্যর্থ সামরিক আইন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল চেষ্টার অভিযোগে ইউন সুক-ইওলের বিচার চলছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের তিন বিচারকের একটি বেঞ্চে ইউনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে শেষ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিশেষ কৌঁসুলি যুক্তি দেন—রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা, জাতীয় সংসদ দখলের নির্দেশ দেওয়া এবং বিরোধী নেতাদের আটক করার ষড়যন্ত্র—এসব মিলিয়ে ইউন সুক-ইওলের কর্মকাণ্ড একটি সুস্পষ্ট বিদ্রোহের শামিল। আদালত আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রায় ও সাজা একসঙ্গে ঘোষণা করতে পারেন।
৬৫ বছর বয়সী ইউন সুক-ইওল ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর রাতে হঠাৎ করেই সামরিক আইন জারি করেন। তবে বিরোধী দল-নিয়ন্ত্রিত জাতীয় সংসদ দ্রুত তা বাতিল করে দেয় এবং সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে সেনাদের সংসদ দখলে বাধা দেয়। মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যেই পরে সামরিক আইন প্রত্যাহার করা হয়। ১৯৮০-এর দশকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক আইন জারির ঘটনা দেশটিকে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটে ফেলে দিয়েছিল।
এই ঘটনার দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সংসদ ইউন সুক-ইওলকে অভিশংসন করে এবং দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে গত বছরের জানুয়ারিতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হন। এপ্রিলে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদচ্যুত করা হয়।
ইউন সুক-ইওল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি সংসদ অকার্যকর হয়ে পড়ায় ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবে সামরিক আইন জারি করেছিলেন এবং সেনা মোতায়েন ছিল কেবল ‘শৃঙ্খলা রক্ষার’ জন্য। তবে বিশেষ কৌঁসুলিদের মতে, নির্বাচন কমিশনে অভিযানসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ তাঁর বিদ্রোহী মনোভাবের প্রমাণ।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ায় ১৯৯৭ সালের পর আর কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়নি। অতীতে সাবেক এক প্রেসিডেন্ট বিদ্রোহের দায়ে মৃত্যুদণ্ড পেলেও তা পরে যাবজ্জীবনে রূপান্তর করা হয়েছিল।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র গত শনিবার ইরানে যৌথভাবে আক্রমণ চালায়। সেই আক্রমণে ইরানে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে অন্তত দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ছাড়া, বিনা উসকানিতে ইরানে আক্রমণ চালানো হয়েছে।
৩ মিনিট আগে
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ তৃতীয় দিনে প্রবেশ করেছে। সব পক্ষই বড় আকারের ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা শুরু করেছে। ইরানে বিপুল প্রাণহানির খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে গতকাল রোববার প্রথমবারের মতো ইসরায়েলে কমপক্ষে ৯ জন বেসামরিক ব্যক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ৩ জন সেনা নিহতের খবর এসেছে।
৭ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে তাঁর দেশ যে আগ্রাসন চালাচ্ছে, তাতে আরও মার্কিন সেনার মৃত্যু হওয়ার ‘আশঙ্কা’ আছে। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন অভিযান সম্পর্কে বক্তব্য দিতে গিয়ে এই আশঙ্কা ব্যক্ত করেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম....
১৭ মিনিট আগে
১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে, হিজবুল্লাহ একটি কার্যত একতরফা যুদ্ধবিরতি পালন করে আসছে। প্রায় প্রতিদিনই ইসরায়েল আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তারা কোনও প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।
৪৪ মিনিট আগে