রাশিয়ার তৈরি রকেটের মাধ্যমে মহাকাশে নিজেদের একটি যোগাযোগ উপগ্রহ পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম। দেশটির মহাকাশ প্রযুক্তির এই সর্বশেষ সাফল্য পশ্চিমা বিশ্বের কয়েকটি দেশকে উদ্বেগে ফেলেছে।
আজ শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে বলা হয়, ‘নাহিদ-২ যোগাযোগ উপগ্রহটি রাশিয়ার ভোস্তোচনি কসমোড্রোম থেকে সয়ুজ রকেট ব্যবহার করে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।
‘১১০ কেজি (২৪০ পাউন্ড) ওজনের এই উপগ্রহ ইরানি প্রকৌশলীরা ডিজাইন ও তৈরি করেছেন।’
পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে, ইরানের মহাকাশ কর্মসূচির প্রযুক্তিগত অগ্রগতি তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ভান্ডার উন্নত করতে ব্যবহার করা হতে পারে।
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে আজ ইরান ও ব্রিটেন এবং ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে পারমাণবিক আলোচনা শুরুর কিছুক্ষণ আগে এই খবর দিল ইরান।
এদিন সকালে শুরু হওয়া বৈঠক গত জুনে ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর প্রথম। ওই হামলা ১২ দিনের সংঘাতের জন্ম দিয়েছিল। সে সময় ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের ডিসেম্বরে ইরান ঘোষণা করেছিল, তারা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ভারী পেলোড (মহাকাশযান যা উপগ্রহ, গবেষণা সরঞ্জাম, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি বহন করে) মহাকাশে পাঠিয়েছে, যা উৎক্ষেপণে ব্যবহার করা হয় দেশীয়ভাবে তৈরি স্যাটেলাইট বাহক রকেট।
গত সেপ্টেম্বরে ইরান জানিয়েছিল, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মহাকাশ বিভাগের তৈরি করা গায়েম-১০০ নামের বাহক ব্যবহার করে চামরান-১ গবেষণা উপগ্রহ কক্ষপথে পাঠানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১১ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩২ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৫ মিনিট আগে