ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর পেরামবালুরে নিজ ছেলের নির্মম মারধরে মারা গেছেন ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। পারিবারিক সম্পত্তি ভাগ করা নিয়ে অসন্তোষের জেরেই মূলত সেই ব্যক্তির মুখে একের পর এক ঘুষি মারেন তার ছেলে। আর এই মারধরের সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইনে। ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
নিহত সেই ব্যক্তির নাম কুলন্ধাইভেলু। তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানির মালিক। ছেলে সন্তোষের নির্মম মারধরের শিকার হওয়ার কয়েক দিন পর গত ১৮ এপ্রিল তিনি মারা যান।
কুলন্ধাইভেলুর মৃত্যু নিয়ে তদন্তে উঠে এসেছে সিসিটিভি ফুটেজ যেখানে দেখা যায়, সন্তোষ তার বাবার মুখে একের পর ঘুষি মারছে। পরিবারের সদস্যরা এসে একপর্যায়ে সন্তোষকে সরিয়ে নিলেও তার মধ্যেই রক্তাক্ত অবস্থায় অচেতন হয়ে পড়েন কুলন্ধাইভেলু। তারপরও সন্তোষ তার বাবাকে মারতে চাচ্ছিলেন বলে দেখা গেছে ভিডিওতে।
এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় প্রথমে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। পরে তা তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে বৃদ্ধের মৃত্যুর পর আবার সন্তোষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) ৩২৩ (স্বেচ্ছায় আঘাত করা), ৩২৪ (স্বেচ্ছায় বিপজ্জনক উপায়ে আঘাত করা) এবং ৫০৬ (ফৌজদারি ভয় দেখানো) নম্বর ধারার অধীনে সন্তোষের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
৫ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩৪ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৭ মিনিট আগে