
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালায় জরুরি অবতরণের পর প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে আটকে রয়েছে ব্রিটিশ এফ-৩৫ স্টিলথ যুদ্ধবিমান। যুদ্ধবিমানটি গত ১৪ জুন রাজ্যের রাজধানী তিরুঅনন্তপুরম বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর বিভিন্ন সময় মেরামতের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় সেটি সেখানেই অবস্থান করছে।
এ নিয়ে মিম ও ট্রলে সয়লাব হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। তবে এটিকে রাজ্যের পর্যটন নিয়ে বিজ্ঞাপনের একটি মোক্ষম সুযোগ হিসেবে নিয়েছে কেরালা!
গত বুধবার সামাজিক মাধ্যমে এআই দিয়ে তৈরি একটি পোস্টার পোস্ট করে কেরালা পর্যটন বিভাগ। পোস্টারটিতে দেখা যায়—নারকেল গাছে ঘেরা রানওয়েতে দাঁড়িয়ে রয়েছে যুদ্ধবিমানটি। কেরালাকে পাঁচতারকা রেটিং দিয়ে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানটি বলছে, ‘অসাধারণ জায়গা! এখান থেকে যেতে চাই না। অবশ্যই রেকমেন্ড করছি!’ প্রকাশের পরপরই ব্যাপক ভাইরাল হয়ে যায় ছবিটি।
তবে পোস্টারটি কেরালা পর্যটন বিভাগের তৈরি নয়। বিনোদনধর্মী ওয়েবসাইট দ্য ফক্সি পোস্টারটি বানায়। এই ব্যতিক্রমী প্রচার নিয়ে কেরালার পর্যটনসচিব বিজু কে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘এটি আমাদের ক্যাম্পেইনের অংশ এবং সবচেয়ে নজরকাড়া প্রচারগুলোর একটি। মজা ও সৃজনশীলতার জায়গা থেকেই এটি করা হয়েছে।’
পর্যটন দপ্তরের ব্র্যান্ড প্রচার সংস্থা স্টার্ক কমিউনিকেশনের পরিচালক রয় ম্যাথু বলেন, ‘যদিও পর্যটন কার্যক্রম সরকারি, কিন্তু এই প্রচারের মাধ্যমে তা একপ্রকার সরকারি গণ্ডির বাইরেও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।’
কেরালা ‘গডস ওন কান্ট্রি’ স্লোগানে নিজেদের প্রচার করে থাকে। যার অর্থ ‘ঈশ্বরের আপন দেশ’। মূলত অঞ্চলটির সৌন্দর্য বোঝাতেই এই নাম। গত বছর রাজ্যটিতে ২ কোটি ২২ লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেছেন। সৈকত, শান্ত জলাধার, ধ্রুপদি নৃত্য, মন্দিরকেন্দ্রিক উৎসব ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের কারণে কেরালা দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য।
গত ১৪ জুন আরব সাগরের ওপর দিয়ে উড়তে গিয়ে তিরুঅনন্তপুরম বিমানবন্দরে অবতরণ করে এফ-৩৫বি মডেলের যুদ্ধবিমানটি। যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রয়্যাল নেভির ফ্ল্যাগশিপ ক্যারিয়ার এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলসে ফেরার সময় ভারত মহাসাগরে খারাপ আবহাওয়ার কবলে পড়ে এটি দিক পরিবর্তন করে কেরালায় অবতরণ করে। বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করলেও এর একটি যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। ফলে আর ক্যারিয়ারে ফিরতে পারেনি।
বিমানটি অবতরণের পর থেকে এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলসের প্রকৌশলীরা এটি পরীক্ষা করেছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত মেরামতের কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩১ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৪ মিনিট আগে