
ভারতীয় রাজনীতির পরীক্ষাগার বলে পরিচিত বিহারের গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। শুরুর দিকের ইঙ্গিতে দেখা যাচ্ছে, ভারতের কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) কয়েকটি আসনে এগিয়ে আছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটের প্রবণতা অনুযায়ী, এনডিএ ৮০ আসনে এগিয়ে। আর বিরোধী দলগুলোর জোট মহাগাঠবন্ধন এগিয়ে ৫৫ আসনে। এই প্রতিবেদন লেখার সময়ে ডাকযোগে আসা ব্যালটের গণনা চলছিল।
মহাগাঠবন্ধনের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ও রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) নেতা তেজস্বী যাদব রঘুপুর আসনে এগিয়ে আছেন। বিজেপির টিকিটে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা গায়িকা মৈথিলী ঠাকুর আলীনগরে এগিয়ে আছেন। সব মিলিয়ে ২৪৩টি আসনের ফল ঠিক করে দেবে জনতা দলের (ইউনাইটেড) প্রধান ও দীর্ঘসময় ধরে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা নিতীশ কুমার তিনি কী পঞ্চমবারের মতো রেকর্ড গড়বেন নাকি সরকার পরিবর্তনের দৃশ্য দেখা যাবে।
এর আগে, দুই দফায় গত ৬ ও ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ২৪৩ সদস্যের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্য জুড়ে ঐতিহাসিক ৬৭.১৩ শতাংশ ভোট পড়েছে।
অধিকাংশ এক্সিট পোল এনডিএর দাপুটে জয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। জেডিইউও এই জোটের অংশ। তবে তেজস্বী যাদব এসব পূর্বাভাস নাকচ করে দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন, মহাগাঠবন্ধনই ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে। তেজস্বী যাদব ছাড়াও দুই জোটের উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে আছেন দুই উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী ও বিজয় কুমার সিংহ, জনশক্তি জনতা দল (জেজেডি)-এর তেজ প্রতাপ এবং বিহার কংগ্রেস সভাপতি রাজেশ কুমার।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৫ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৪৪ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে