
হঠাৎ আজ বৃহস্পতিবার বিধানসভার এমপি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাংয়ের স্ত্রী কৃষ্ণ কুমারী রাই। এক দিন আগেই তিনি এমএলএ হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। কৃষ্ণ কুমারীর এমন পদত্যাগ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করলেও প্রাথমিকভাবে এটির কারণ জানা যায়নি।
কৃষ্ণ কুমারী রাইয়ের আকস্মিক পদত্যাগকে ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে উল্লেখ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। এ বিষয়ে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সিকিমের বিধানসভা নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় অর্জন করেছে প্রেম সিং তামাংয়ের নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক দল ‘সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চা’ (এসকেএম)। রাজ্য সভার ৩২টি আসনের ৩১টি আসনেই জয় পায় দলটি।
এবারই প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন প্রেম সিং তামাংয়ের স্ত্রী কৃষ্ণ কুমারী রাই। রাজ্যের নামচি-সিংঘিথাং আসন থেকে সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের প্রার্থী বিমল রাইকে ৫ হাজার ৩০২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি।
জানা গেছে, কৃষ্ণ কুমারী রাই যখন পদত্যাগ করলেন তখন অরুণাচল প্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ফিরে আসা পেমা খান্ডুর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ওই রাজ্যে অবস্থান করছিলেন প্রেম সিং তামাং।
কৃষ্ণ কুমারীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন সিকিম বিধানসভার নবনির্বাচিত স্পিকার মিংমা নরবু শেরপা। এই পদত্যাগের ফলে রাজ্যের নামচি-সিংঘিথাং আসনটি আবারও খালি হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
৯ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩০ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৪ মিনিট আগে