কলকাতা প্রতিনিধি
ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের সাম্ভল জেলায় গত বছরের নভেম্বরে সংঘটিত সহিংসতার তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। গতকাল শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে দাবি করেন, এই দাঙ্গা পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের ফল এবং হিন্দুদের লক্ষ্য করে এটি ঘটানো হয়েছিল।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, এই প্রতিবেদন প্রমাণ করেছে যে বহু বছর ধরে জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। তাঁর মতে, এটি সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসের শাসনকালে হিন্দুদের ওপর হামলার ধারাবাহিকতার অংশ। তিনি অভিযোগ করেন, এই দাঙ্গার মাধ্যমে একটি এলাকাকে হিন্দুশূন্য করার চেষ্টা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার ক্ষমতায় থাকায় তুষ্টিকরণের পরিবর্তে সন্তুষ্টিকরণ নীতিতে কাজ চলছে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সবার কাছে পৌঁছাচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা জনসংখ্যার ভারসাম্য বদলাতে চায়, তাদের রাজ্য ছেড়ে পালাতে হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৯ নভেম্বর শাহী জামে মসজিদে আদালতের নির্দেশে প্রথম জরিপের পর ২৪ নভেম্বর দ্বিতীয় জরিপের সময় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এতে চারজন নিহত এবং ২৯ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সহিংসতার জন্য বাইরের দাঙ্গাবাজদের আনা হয়েছিল এবং মৌলবাদী সংগঠনগুলো এতে সক্রিয় ছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, স্বাধীনতার সময় সাম্ভলে হিন্দু জনসংখ্যা প্রায় ৪৫ শতাংশ থাকলেও এখন তা কমে ১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, আর মুসলিম জনসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৫ শতাংশ।
কমিশনের দাবি, এটাই মূল প্রেক্ষাপট এবং এর আগে ১৯৫৩ সালে শিয়া–সুন্নি সংঘর্ষ, ১৯৫৬, ১৯৫৯,১৯৬২, ১৯৬৬ এবং ১৯৭৬ সালের বড় দাঙ্গার ধারাবাহিকতা রয়েছে এই জেলার ইতিহাসে।
মুখ্যমন্ত্রী এই প্রতিবেদনকে হাতিয়ার করে ‘ইন্ডিয়া জোট’কে ‘এন্টি-ইন্ডিয়া জোট’ বলে আক্রমণ করেন।
যোগীর বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অল ইন্ডিয়া মজলিস নেতা আসাউদ্দিন ওয়েসি অভিযোগ করেন, সাম্ভলের মতো জটিল ঐতিহাসিক পটভূমির একটি জেলার দায় একতরফাভাবে মুসলিম সমাজের ওপর চাপানো হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘যদি সত্যিই বাইরের দাঙ্গাবাজ আনা হয়, তাহলে তাদের আশ্রয় দিল কারা? প্রশাসন কী করছিল? গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা কোথায় ছিল?’ তিনি আরও বলেন, এই দাঙ্গায় প্রাণহানি সরকারের ব্যর্থতা নয় কি?
ওয়েসি বলেন, ভারতের আসল শক্তি তার বৈচিত্র্যের মধ্যে। তিনি বিজেপিকে ভোট রাজনীতির জন্য জনসংখ্যা নিয়ে বিভাজন তৈরি করার অভিযোগ আনেন। তিনি কমিশনের প্রতিবেদন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন, কারণ এটি স্থানীয় প্রশাসনের নিরাপত্তাহীনতা এবং পরিকল্পনার অভাব নিয়ে কোনো কথা বলেনি।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্ভলের দাঙ্গা এখন শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি উত্তর প্রদেশের রাজনৈতিক সংঘাতের প্রতীক হয়ে উঠেছে। যোগী আদিত্যনাথ এই ইস্যুটিকে হিন্দু ভোট টানার জন্য ব্যবহার করছেন, অন্যদিকে আসাউদ্দিন ওয়েসি ধর্মনিরপেক্ষতার ভিত্তি তুলে ধরে এর প্রতিবাদ করছেন। এই ঘটনা ভারতীয় রাজনীতির বর্তমান মেরুকরণের একটি প্রতিচ্ছবি।
ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের সাম্ভল জেলায় গত বছরের নভেম্বরে সংঘটিত সহিংসতার তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। গতকাল শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে দাবি করেন, এই দাঙ্গা পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের ফল এবং হিন্দুদের লক্ষ্য করে এটি ঘটানো হয়েছিল।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, এই প্রতিবেদন প্রমাণ করেছে যে বহু বছর ধরে জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। তাঁর মতে, এটি সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসের শাসনকালে হিন্দুদের ওপর হামলার ধারাবাহিকতার অংশ। তিনি অভিযোগ করেন, এই দাঙ্গার মাধ্যমে একটি এলাকাকে হিন্দুশূন্য করার চেষ্টা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার ক্ষমতায় থাকায় তুষ্টিকরণের পরিবর্তে সন্তুষ্টিকরণ নীতিতে কাজ চলছে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সবার কাছে পৌঁছাচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা জনসংখ্যার ভারসাম্য বদলাতে চায়, তাদের রাজ্য ছেড়ে পালাতে হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৯ নভেম্বর শাহী জামে মসজিদে আদালতের নির্দেশে প্রথম জরিপের পর ২৪ নভেম্বর দ্বিতীয় জরিপের সময় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এতে চারজন নিহত এবং ২৯ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সহিংসতার জন্য বাইরের দাঙ্গাবাজদের আনা হয়েছিল এবং মৌলবাদী সংগঠনগুলো এতে সক্রিয় ছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, স্বাধীনতার সময় সাম্ভলে হিন্দু জনসংখ্যা প্রায় ৪৫ শতাংশ থাকলেও এখন তা কমে ১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, আর মুসলিম জনসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৫ শতাংশ।
কমিশনের দাবি, এটাই মূল প্রেক্ষাপট এবং এর আগে ১৯৫৩ সালে শিয়া–সুন্নি সংঘর্ষ, ১৯৫৬, ১৯৫৯,১৯৬২, ১৯৬৬ এবং ১৯৭৬ সালের বড় দাঙ্গার ধারাবাহিকতা রয়েছে এই জেলার ইতিহাসে।
মুখ্যমন্ত্রী এই প্রতিবেদনকে হাতিয়ার করে ‘ইন্ডিয়া জোট’কে ‘এন্টি-ইন্ডিয়া জোট’ বলে আক্রমণ করেন।
যোগীর বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অল ইন্ডিয়া মজলিস নেতা আসাউদ্দিন ওয়েসি অভিযোগ করেন, সাম্ভলের মতো জটিল ঐতিহাসিক পটভূমির একটি জেলার দায় একতরফাভাবে মুসলিম সমাজের ওপর চাপানো হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘যদি সত্যিই বাইরের দাঙ্গাবাজ আনা হয়, তাহলে তাদের আশ্রয় দিল কারা? প্রশাসন কী করছিল? গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা কোথায় ছিল?’ তিনি আরও বলেন, এই দাঙ্গায় প্রাণহানি সরকারের ব্যর্থতা নয় কি?
ওয়েসি বলেন, ভারতের আসল শক্তি তার বৈচিত্র্যের মধ্যে। তিনি বিজেপিকে ভোট রাজনীতির জন্য জনসংখ্যা নিয়ে বিভাজন তৈরি করার অভিযোগ আনেন। তিনি কমিশনের প্রতিবেদন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন, কারণ এটি স্থানীয় প্রশাসনের নিরাপত্তাহীনতা এবং পরিকল্পনার অভাব নিয়ে কোনো কথা বলেনি।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্ভলের দাঙ্গা এখন শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি উত্তর প্রদেশের রাজনৈতিক সংঘাতের প্রতীক হয়ে উঠেছে। যোগী আদিত্যনাথ এই ইস্যুটিকে হিন্দু ভোট টানার জন্য ব্যবহার করছেন, অন্যদিকে আসাউদ্দিন ওয়েসি ধর্মনিরপেক্ষতার ভিত্তি তুলে ধরে এর প্রতিবাদ করছেন। এই ঘটনা ভারতীয় রাজনীতির বর্তমান মেরুকরণের একটি প্রতিচ্ছবি।
ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস শহরে পুলিশের গুলিতে গুরপ্রীত সিং (৩৬) নামের এক শিখ যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি একটি ‘ম্যাচেট’ বা ‘খান্ডা’ হাতে নিয়ে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে কসরত করছিলেন। কিন্তু তাঁর পরিবার ও শিখ সংগঠনগুলোর দাবি, গুরপ্রীত ঐতিহ্যবাহী শিখ মার্শাল আর্ট ‘গতকা’ প্রদর্শন করছিলেন।
২ ঘণ্টা আগেগত সপ্তাহ থেকে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে ইন্দোনেশিয়া জুড়ে বিক্ষোভ চলছে। এসব দাবির মধ্য রয়েছে—আইনপ্রণেতাদের বেতন-ভাতা কমানো, শ্রমের মজুরি বাড়ানো, কর কমানো এবং দুর্নীতি বিরোধী শক্তিশালী ব্যবস্থা নেওয়া। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ দমনের সময় পুলিশের গাড়িচাপায় ২১ বছর বয়সী...
৩ ঘণ্টা আগেআগামী সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে যোগদানে বাধা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তাঁর এবং আরও ৮০ জন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তার ভিসা বাতিল করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগেওড়িশার ভুবনেশ্বরে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে গিয়ে মুর্শিদাবাদের আটজন শ্রমিক নৃশংস হামলার শিকার হয়েছেন। ঘটনা ঘটেছে গত ২৪ আগস্ট গভীর রাতে। শ্রমিকেরা মহাবীরনগরের একটি প্রজেক্টে সারা দিনের কাজ শেষে ঘুমিয়ে ছিলেন। স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারী তাঁদের ওপর চড়াও হয়ে লাঠি, বাঁশ ও লোহার রড দিয়ে আক্রমণ চালায়...
৫ ঘণ্টা আগে