ভারতের উত্তর প্রদেশে একটি ধর্মীয় আশ্রমে পদদলনের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২১ জনে। নিহতদের মধ্যে শতাধিক নারী ও বাকিদের প্রায় সবাই শিশু। এই ঘটনায় আশ্রমের প্রধান ভোলে বাবা ওরফে নারায়ণ সাকার হরিকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে জানা গেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
উত্তর প্রদেশ সরকারের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২১ জনে। নিহতদের মধ্যে শতাধিক নারী ও শিশু আছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অন্তত ২৮ জন। নিহতদের মধ্যে এখনো ৬ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। এরই মধ্যে সরকার এই ঘটনায় নিহত পরিবারকে ২ লাখ রুপি করে সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
রাজ্যের হাতরাশ জেলার একটি গ্রামে অবস্থিত ধর্মগুরু ভোলে বাবা ওরফে নারায়ণ সাকার হরির রাম কুটির চ্যারিটেবল ট্রাস্ট আশ্রমে এই পদদলনের ঘটনা ঘটে। ভোলে বাবার আসল নাম সুরাজ পাল। হাতরাশের মৈনপুর শহরের এই পদদলনের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তার অনুমান করছেন, এই দুর্ঘটনার সময় ভোলে বাবা আশ্রমেই উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, ভোলে বাবার ‘সৎসঙ্গ’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন অসংখ্য নারী-পুরুষ। পরে প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে সবাই ছত্রভঙ্গ হতে শুরু করে। এ সময় পদদলিত হয়ে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, বাস এবং টেম্পোতে করে নিহতের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে বহন করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে, এ ঘটনায় উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগি আদিত্যনাথ দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আজ বুধবার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবেন বলে জানা গেছে। নিহত ও তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৩ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে