
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্য কেরালার কাসারগড় জেলার থেরু আঞ্জুতাম্বালাম ভিরেরকাভু মন্দিরে ‘ভেলাতম থেয়্যম’ উৎসব চলাকালে আতশবাজির গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেড় শতাধিক আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার মধ্যরাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাসারগড় জেলার থেরু আঞ্জুতাম্বালাম ভিরেরকাভু মন্দিরে ‘ভেলাতম থেয়্যম’ উৎসবে যোগ বহু স্থানীয় নারী ও শিশু এই ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান দেখতে মন্দির প্রাঙ্গণে জড়ো হয়েছিলেন। আতশবাজির প্রদর্শনের সময় হঠাৎ একটি স্ফুলিঙ্গ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে এবং গুদামে সংরক্ষিত আতশবাজিতে আগুন লেগে যায়।
আহতদের প্রথমে কাসারগড় জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহতদের মধ্যে প্রকাশন, তাঁর পুত্র অদ্বৈত এবং লতীশ কান্নুর গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া এই ঘটনায় অন্য যারা আহত হয়েছেন বেঙ্গালুরু, কান্নুরসহ অন্যান্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মন্দিরের পাশের অস্থায়ী একটি তাঁবুতে সংরক্ষিত আতশবাজিগুলো হঠাৎ আগুনে ধরে যায় এবং সেখানে থাকা অনেকের মুখ, হাত এবং কাপড় পুড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে তৎপর হন কাসারগড় জেলা কালেক্টর কে. ইনবাশেখর, জেলা পুলিশ প্রধান ডি. শিল্পা ও স্থানীয় প্রশাসন। কানহানগাড় ডিএসপি বাবু পেরিঙ্গেত, নীলেশ্বরম ফায়ার ব্রিগেড এবং স্বেচ্ছাসেবকেরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালান। স্থানীয় পুলিশ বর্তমানে এলাকায় কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে এবং ঘটনার তদন্ত করছে।
কালেক্টর ইনবাশেখর জানিয়েছেন, এই আতশবাজি প্রদর্শনের জন্য মন্দির কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতি নেয়নি। মন্দিরের সভাপতি ও সচিবকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৫৪ জন চিকিৎসার জন্য আশ্রয় নিয়েছেন, যাদের মধ্যে ৯৭ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে