বেঁধে দেওয়া তেলের দাম মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, পশ্চিমাদের নির্ধারণ করা তেলের দাম রাশিয়া ‘মানবে না’ এবং কীভাবে এর জবাব দেওয়া যায় সেই উপায় খোঁজা হচ্ছে। রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
এর আগে শুক্রবার বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-৭, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অস্ট্রেলিয়া সমুদ্রপথে রপ্তানি করা রাশিয়ার তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬০ ডলার নির্ধারণ করে দেয়। মূলত ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার অর্থের জোগান কমাতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবারও রাশিয়ার উরালস অপরিশোধিত তেল প্রতি ব্যারেল ৬৭ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন বলেন, তেলের মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ার কারণে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো বিশেষভাবে লাভবান হবে।
এক বিবৃতিতে ইয়েলেন বলেন, ‘রাশিয়ার অর্থনীতি ইতিমধ্যে সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি বাজেটও সম্প্রসারণের ওপর চাপ পড়ছে। এখন তেলের দাম নির্ধারণ অবিলম্বে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের রাজস্ব আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎসকে সংকুচিত করবে।’
রাশিয়ার তেলের দাম নির্ধারণ নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা চলছে। শুক্রবার জি-৭ ও অস্ট্রেলিয়া রাশিয়ার তেলের দাম কমিয়ে ৬০ ডলার করতে ঐকমত্যে পৌঁছায়। এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নও একই দাম নির্ধারণে সম্মত হয়। আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকে সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল সরবরাহে পশ্চিমাদের নির্ধারিত দাম কার্যকর হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও ‘সবচেয়ে বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) সকালে সিএনএনকে দেওয়া প্রায় ৯ মিনিটের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানকে ‘ভালোভাবেই আঘা
২০ মিনিট আগে
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁর দেশ কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা বাড়াবে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধের মধ্যে তিনি এমন ঘোষণা দিলেন।
৪০ মিনিট আগে
ফার্স নিউজ প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, একটি বিশাল আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলে সারি সারি ড্রোন রকেট লঞ্চারের ওপর বসানো রয়েছে। বাংকারের দেয়ালগুলো ইরানের জাতীয় পতাকা এবং সম্প্রতি প্রয়াত দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবিতে সাজানো। ভিডিওতে ড্রোনের এই বিশাল সম্ভারকে ইরানের সামরিক শক্তির অন্যতম
১ ঘণ্টা আগে
ইরানিরা তুরস্কের ‘ক্যাপিকয়’ সীমান্ত গেট দিয়ে প্রবেশ করতে শুরু করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তেহরান থেকে আসা এক ব্যক্তি বলেন, ‘তেহরানের পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই কঠিন। বোমা হামলা হচ্ছে। সবাই ভীত।’ তিনি জানান, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানেরা বর্তমানে তুরস্কেই রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে