
বিয়ে উপলক্ষে বিশ্বখ্যাত ধনকুবের এবং অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস ও তাঁর বাগ্দত্তা লরেন সানচেজকে ইতালির ভেনিসে একসঙ্গে জনসম্মুখে দেখা গেছে। রাজকীয় এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে সপ্তাহের শেষ দিকে। এতে উপস্থিত থাকবেন হলিউডসহ বিশ্বের অনেক নামকরা তারকা ও ব্যক্তিত্বরা।
মার্কিন গণমাধ্যম দ্য পিপল জানিয়েছে, আজ বুধবার (২৫ জুন) ভেনিসে আমান হোটেলে পৌঁছাতে দেখা যায় বেজোস ও সানচেজকে। এর আগে, দুপুরে একটি হেলিকপ্টার ভেনিস থেকে উড়ে গিয়ে ক্রোয়েশিয়ার উপকূলে নোঙর করা বেজোসের বিলাসবহুল প্রমোদতরী ‘কোরু’-এর সহায়তাকারী জাহাজ ‘অ্যাবেওনা’-তে অবতরণ করে। পরে সেখান থেকে ওই যুগলকে নিয়ে হেলিকপ্টারটি ফিরে আসে ভেনিসে এবং অবতরণ করে ভেনিস লিডোতে—যেখানে প্রতিবছর ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—আলোচিত এই বিয়ের আমেজ ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে ভেনিস জুড়ে। গতকাল মঙ্গলবার থেকেই তারকা অতিথিরা শহরটিতে আসতে শুরু করেছেন। এঁদের মধ্যে ইভানকা ট্রাম্প ও তাঁর স্বামী জারেড কুশনারকেও ভাসমান এই শহরে দেখা গেছে। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন ডিজাইনার ডায়েন ভন ফুরস্টেনবার্গ।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) মাদোনা ডেল’অরতো চার্চে এই বিয়ের উৎসব শুরু হবে। পরদিন শুক্রবার দ্বীপ সান জর্জিও মাজিওরেতে অনুষ্ঠিত হবে বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা। এতে থাকবে একটি ব্ল্যাক-টাই সেরিমনি, যেখানে গান পরিবেশন করবেন আন্দ্রেয়া বোচেলির পুত্র মাত্তেও বোচেলি।
২৮ জুন (শনিবার) রাতে আয়োজন করা হবে একটি আরামদায়ক নৈশভোজের। এটি আগে ভেনিসের ‘স্কোলা ভেকিয়া দেলা মিজেরিকর্ডিয়া’-তে হওয়ার কথা থাকলেও পরে স্থান পরিবর্তন করে নেওয়া হয়েছে ঐতিহাসিক ‘আর্সেনাল অব ভেনিস’-এ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১৭ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩৮ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৪২ মিনিট আগে