
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান বিমান হামলা বন্ধের দাবিতে লন্ডনের রাজপথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে সেন্ট্রাল লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই বিশাল বিক্ষোভ মিছিলে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছে মেট্রোপলিটন পুলিশ।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিক্ষোভকারীরা আজ বিকেলে লন্ডনের মিলব্যাঙ্ক থেকে ভক্সহলে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। মিছিল চলাকালে তাঁদের কণ্ঠে ছিল যুদ্ধবিরোধী স্লোগান। ‘আমরাই জনতা, আমাদের স্তব্ধ করা যাবে না’, ‘এখনই বোমা হামলা বন্ধ করো, এখনই, এখনই’—এমন সব স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে লন্ডনের রাজপথ।
লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মিছিলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল পাঁচ থেকে ছয় হাজার।
মিছিলের আগে বিক্ষোভকারীরা সেন্ট্রাল লন্ডনের মিলব্যাঙ্ক এলাকায় জড়ো হন। এর আগে ওয়েস্টমিনস্টারের পাশে ভিক্টোরিয়া টাওয়ার গার্ডেনসংলগ্ন রাস্তায় বিভিন্ন দাতব্য সংস্থা ও অ্যাকশন গ্রুপ বেশ কিছু তাঁবু স্থাপন করে। সেখান থেকেই মূলত বিক্ষোভের সূচনা হয় এবং পরে তা মিছিলে রূপ নেয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জারা সুলতানা দাবি করেন, মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো ‘ব্রিটিশ মাটিতে’ অবতরণ করছে এবং সেখান থেকেই উড়ে গিয়ে ইরানে বোমা ফেলছে। তিনি বলেন, এর অর্থ হলো যুক্তরাজ্য এই যুদ্ধে ‘সরাসরি জড়িত’।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ইরানে আমরা খুব ভালো করছি। এটি অবিশ্বাস্য ছিল। গত তিন দিনে আমরা ৪২টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করেছি। সেই সঙ্গে তাদের বিমানবাহিনী এবং টেলিযোগাযোগব্যবস্থাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’
১ ঘণ্টা আগে
এর আগে শুক্রবার ট্রাম্প ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’-এর দাবি তুলেছিলেন। এর জবাবে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আজ রাষ্ট্রীয় টিভিতে সম্প্রচারিত ভাষণে বলেন, ‘যারা ভাবে ইরানি জনগণের নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করবে, তাদের সেই আশা নিয়ে কবরে যেতে হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
আজকের এই বিশেষ বৈঠকের নাম দেওয়া হয়েছে ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’। এর মাধ্যমে ট্রাম্প ঘরের কাছের অঞ্চলে নিজের শক্তি ও কর্তৃত্ব জাহির করার সুযোগ পাচ্ছেন, বিশেষ করে যখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে