
ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসকে সমাহিত করা হয়েছে। গতকাল শনিবার ভ্যাটিকানের সীমানার বাইরে রোমের সান্তা মারিয়া ম্যাগিওরে ব্যাসিলিকায় তাঁকে সমাহিত করা হয়। বিবিসি জানিয়েছে, গত ১০০ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো পোপকে ভ্যাটিকানের বাইরে সমাহিত করা হলো।
পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যানুষ্ঠানে ৪ লাখের বেশি মানুষ অংশ নেয় বলে জানিয়েছে ভ্যাটিকান কর্তৃপক্ষ। শেষকৃত্যানুষ্ঠানের প্রার্থনা মিছিল শেষে ধীরগতির শোভাযাত্রার মাধ্যমে পোপের কফিন রোমের সান্তা মারিয়া ম্যাগিওরে গির্জায় নিয়ে যাওয়া হয়। শোভাযাত্রাটি ভ্যাটিকান সিটি থেকে বেরিয়ে ছয় কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয়।
এর আগে গতকাল সকালে ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান ও রাজপরিবারের সদস্যরা এতে অংশ নেন। প্রয়াত পোপ ফ্রান্সিস ড. ইউনূসের কাজের দারুণ ভক্ত ছিলেন এবং তাঁর কাজের ভূয়সী প্রশংসা করতেন। বিশেষ করে বিশ্বজুড়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অধ্যাপক ইউনূসের কর্মযজ্ঞ এবং তাঁর ‘তিন শূন্য’ তত্ত্ব; যেখানে কোনো বেকারত্ব, দারিদ্র্য ও কার্বন নিঃসরণ থাকবে না, এর প্রশংসা করতেন। ভ্যাটিকানে তিনি ২০০৬ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর সঙ্গে যৌথভাবে ‘তিন শূন্য উদ্যোগ’ চালু করেন।
উল্লেখযোগ্য অন্য বিদেশি নেতাদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প, যুক্তরাজ্যের প্রিন্স উইলিয়াম, জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ, স্পেনের রাজা ফিলিপ ষষ্ঠ ও রানি লেতিজিয়া, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি প্রমুখ। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কের ফলে বাণিজ্যযুদ্ধ, ইউরোপের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের টানাপোড়েন—সবকিছু দূরে সরিয়ে রেখে এক ছাদের নিচে জড়ো হন বিশ্বনেতারা। কফিনের কাছে সামনের সারির একটি আসনে বসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প। তাঁদের ঠিক পাশের সারিতে বসেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাখোঁ ও তাঁর স্ত্রী ব্রিজিট মাখোঁ।
উল্লেখ্য, প্রায় ১২ বছর রোমান ক্যাথলিক গির্জার প্রধানের দায়িত্ব পালনের পর গত ২১ এপ্রিল মারা যান পোপ ফ্রান্সিস। দায়িত্ব পালনকালে বিশ্বজুড়ে সহনশীলতা ও ভালোবাসার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২১ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৪২ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে