
নেদারল্যান্ডসে অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভ সংঘর্ষে রূপ নিয়েছিল। স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার দেশটির দ্য হেগ শহরে এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। দেশটিতে নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ডানপন্থীদের এই বিক্ষোভ রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়তি উত্তেজনা যোগ করেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
খবরে বলা হয়েছে, ডাচ পুলিশ গতকাল শনিবার দ্য হেগে সহিংস অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করেছে। এই ঘটনায় ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। দ্য হেগের রাস্তায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় বিক্ষোভকারীরা। কেউ কেউ ইট-পাটকেল ও বোতল ছুড়ে মারে।
ডাচ সংবাদ সংস্থা এএনপি জানিয়েছে, প্রায় দেড় হাজার বিক্ষোভকারী শহরের একটি মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এ সময় একটি পুলিশ গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ডাচ প্রধানমন্ত্রী ডিক সখোফ বিক্ষোভে সহিংসতাকে ‘চমকপ্রদ ও ভয়াবহ দৃশ্য’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।’
ডানপন্থী নেতা গার্ট উইল্ডারস নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত গত জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হন। তবে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় তাঁর সরকারের পতন হয়। বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের আগে তিনি স্পষ্ট এগিয়ে আছেন। গতকাল বিক্ষোভকারীরা তাঁকে এই সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানালেও তিনি যোগ দেননি। উইল্ডারস পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের সহিংসতাকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে নিন্দা করেন। তিনি বলেন, এসব করেছে ‘কিছু নির্বোধ।’
এক ডানপন্থী অ্যাকটিভিস্ট এই বিক্ষোভের আয়োজন করেন। তাঁদের দাবি ছিল অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি ও আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ। বড় বড় দলে বিভক্ত হয়ে বিক্ষোভকারী যখন নিরাপত্তা বাহিনীর মুখোমুখি হয়, তখন সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। তাঁদের অনেকেই ডাচ পতাকা এবং কিছু চরম দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠীর পতাকা হাতে মিছিল করে।
বিক্ষোভকারীরা এ সময় মধ্য-বামপন্থী দল ডি৬৬-এর কার্যালয়ের কাচও ভাঙচুর করে। চরম ডানপন্থীদের অনেকেই এ দলটিকে প্রগতিশীল অভিজাত শ্রেণির প্রতিনিধি হিসেবে দেখে। ডি৬৬ নেতা রব ইয়েতন জানান, তাঁদের কার্যালয়ের ভেতরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তিনি বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে দূরে থাকুন। যদি মনে করেন আমাদের ভয় দেখাতে পারবেন, তবে ভুল করছেন। আমরা কখনোই উগ্র দাঙ্গাবাজদের হাতে আমাদের সুন্দর দেশ তুলে দেব না।’ এএনপি-কে উদ্ধৃত করে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিক্ষোভের সময় ডি৬৬ কার্যালয়ে কেউ উপস্থিত ছিলেন না।
উল্লেখ্য, গত জুনে নেদারল্যান্ডসের সরকার ভেঙে পড়ে। অভিবাসন ইস্যুতে বিরোধের জেরে উইল্ডারস তাঁর কট্টর ডানপন্থী পিভিভি দলকে ক্ষমতাসীন জোট থেকে সরিয়ে নেন। তিনি ১০টি অতিরিক্ত আশ্রয়-সংক্রান্ত পদক্ষেপের প্রস্তাব করেছিলেন। এর মধ্যে ছিল নতুন আবেদন বন্ধ, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ বন্ধ রাখা এবং পরিবার পুনর্মিলন সীমিত করা। এই জোট টিকেছিল এক বছরেরও কম সময়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
৯ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩০ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৪ মিনিট আগে