রাশিয়ায় মস্কোর কাছে একটি কনসার্ট হলে ভয়াবহ হামলায় জড়িত সন্দেহে কাজাখ বংশোদ্ভূত একজনসহ মোট আটজনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। তাদের আদালতে হাজির করার কয়েকটি ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুসরণের মাধ্যমে তাদের বিচার করা এবং নির্যাতন না করার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন রাশিয়ার মানবাধিকার বিষয়ক কমিশনার তাতিয়ানা মস্কালকোভা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে। বলা হয়েছে, হামলায় অভিযুক্ত চার ব্যক্তির পরিবারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তদন্তকারীদের একটি দল তাজিকিস্তানে গিয়েছে।
রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর উপকণ্ঠের ক্রাসনোগরস্ক শহরে কনসার্ট হলে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৭ জনে। ক্রাসনোগরস্ক শহরের ক্রোকাস সিটি হলে হামলার দায় স্বীকার করে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। ইসলামিক স্টেট-খোরাসান বা আইএস-কে এই হামলার দায় স্বীকার করে। হামলার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে যে, তারা রাশিয়াকে এই ব্যাপারে আগেভাগেই সতর্ক করেছিল।
কিন্তু রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রকাশ্যে হামলাকারীদের ইসলামপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠীর বলে উল্লেখ করেননি। বরং, হামলাকারীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন যে, তারা ইউক্রেনে পালানোর চেষ্টা করছিল।
পুতিন বলেছেন, ইউক্রেনের কিছু লোক হামলাকারীদের রাশিয়া থেকে সীমান্ত অতিক্রম করতে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। তবে ইউক্রেন এই হামলায় কোনো ধরনের ভূমিকা থাকার কথা অস্বীকার করেছে। কনসার্ট হলে হামলার দায় ইউক্রেনের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে পুতিনকে অভিযুক্ত করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
কনসার্ট হলে হামলাকারী চারজনের ছবি প্রকাশ করেছিল ইসলামিক স্টেট (আইএস)। রাশিয়া বলেছে, সেই চারজন হামলার কথা স্বীকারও করেছে। তবে অভিযুক্তদের যখন আদালতে হাজির করা হয়ে সে সময় তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এতে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, তাদের নির্যাতন করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর রুশ সংবাদ সংস্থা তাসকে এই উদ্বেগের কথা বলেন রাশিয়ার মানবাধিকার কমিশনার তাতিয়ানা মস্কালকোভা। ভিডিওতে দেখা গেছে, অভিযুক্ত একজনের কানের একটি অংশ কাটা।
তাতিয়ানা মস্কালকোভা বলেন, বন্দী এবং আসামিদের ওপর নির্যাতন করা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।
এ ব্যাপারে রুশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা তদন্ত করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩১ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৪ মিনিট আগে