
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশ্রেষ্ঠ যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ এর প্রতিদ্বন্দ্বী হাজির করেছে চীন। গতকাল মঙ্গলবার পঞ্চদশ চায়না ইন্টারন্যাশনাল অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস এক্সিবিশনে চীনের তৈরি পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ যুদ্ধবিমান জে–৩৫এ প্রথমবারের মতো হাজির হয়।
চীনা রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম চায়না ডেইলির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পঞ্চদশ চীন আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ও মহাকাশ প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পর একটি জে-৩৫এ অল্প সময়ের জন্য আকাশে উড়েছিল। গতকাল চীনের গুয়াংডং প্রদেশের ঝুহাইতে শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী চলবে আগামী রোববার পর্যন্ত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনের এই যুদ্ধবিমানটির অনন্য কিছু ফিচার আছে।
চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) বা গণমুক্তি ফৌজের বিমানবাহিনী গত সপ্তাহে প্রথমবার এই যুদ্ধবিমানকে নিজেদের বহরে যুক্ত করে। এরপর এই প্রথম রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম এই যুদ্ধবিমান জনসমক্ষে উড্ডয়ন করল। পিএলএ—এর দাবি, জে-৩৫এ একটি মাঝারি আকারের স্টিলথ যুদ্ধবিমান। এই বিমান একাধিক ভূমিকা পালন করতে সক্ষম।
জে-৩৫এ চীনা বিমানবাহিনীতে দ্বিতীয় স্টিলথ ফাইটার। অপর স্টিলথ ফাইটারটি হলো জে–২০ হেভি ডিউটি স্টিলথ কমব্যাট এয়ারক্রাফট। ২০১৬ সালের শেষ দিকে চীন এই যুদ্ধবিমান নিজেদের বহরে যুক্ত করে।
চীনের নতুন যুদ্ধবিমান জে–৩৫ দেখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লকহিড মার্টিন কোম্পানির তৈরি এফ–৩৫–এর মতোই। পার্থক্য শুধু, জে–৩৫–এ দুটি ইঞ্জিন আছে এবং এফ–৩৫–এ আছে একটি ইঞ্জিন।
চীন অনেক আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বিভিন্ন যুদ্ধবিমানের নকশা অনুকরণ করার জন্য পরিচিত। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, চীনের জে-২০ এবং মার্কিন এফ-২২ র্যাপটরের নকশা একই রকম। তফাৎ শুধু জে-২০–এর সামনের দিকে একটি তীক্ষ্ণ বাড়তি অংশ আছে, যা এফ-২২ তে নেই। এ ছাড়া চীনের চেংডু জে-১০—যা ‘ভিগোরাস ড্রাগন’ নামেও পরিচিত—এর নকশা মার্কিন এফ-১৬–এর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৫ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে