
ভুয়া হোটেল বুকিংয়ের নথি ব্যবহার করে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সময় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫১ বাংলাদেশি আটক হয়েছেন। তাঁদের অনেকে ইমিগ্রেশন টেক এড়ানোরও চেষ্টা করেছিলেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মালয়েশিয়ার বার্তা সংস্থা বারনামা আজ শুক্রবার মালয়েশিয়ান বর্ডার কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রোটেকশন এজেন্সির (একেপিএস) বিবৃতির বরাত দিয়ে জানায়, টার্মিনালের অ্যারাইভাল হলে ৬৭ জন বিদেশির কাগজপত্র যাচাই করার সময় এই ৫১ ব্যক্তির নথিপত্রে বিভিন্ন অসংগতি ধরা পড়ে।
বিবৃতিতে বলা হয়, কিছু ব্যক্তিকে অ্যারাইভাল হলে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের কাছে তারা নথিপত্র জমা দিতে দেরি করে। এমনকি কিছু ব্যক্তি ইমিগ্রেশন চেক এড়ানোর চেষ্টা করে। এতে কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এ ছাড়া, নথিপত্র যাচাইয়ের সময় এক ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। তাঁকে আটক করা হয়েছে।
একেপিএস জানায়, ৫১ জন বাংলাদেশিকে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯ / ৬৩-এর শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ার কারণে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভুয়া নথিপত্র ব্যবহারের পাশাপাশি অনেকের কাছে পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য ছিল না এবং তাঁরা তাঁদের অবস্থানের স্পষ্ট কারণ জানাতে ব্যর্থ হয়েছেন। এমনকি কেউ কেউ স্বীকার করেছেন যে, তাঁরা মালয়েশিয়ায় কাজ খুঁজতে এসেছেন।
একেপিএস জানিয়েছে, এই ৫১ জন বাংলাদেশিকে দ্রুতই একসঙ্গে দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৭ মার্চ ক্রিকেটার পরিচয়ে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টা করলে ১৫ জন বাংলাদেশিকে আটক করে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৫ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৪৪ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে