ভৌগোলিক আয়তন ও জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক জোট সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলন চলছে। প্রথমবারের মতো এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ মঙ্গলবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে চলমান এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ছাড়াও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও আছেন।
গত বছরের ডিসেম্বরে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে এই শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন মোদি। ভারত এবার এসসিওর চেয়ারম্যান৷ এই সম্মেলন এবার বাড়তি গুরুত্ব পেয়েছে বেশ কয়েকটি কারণে। ভাগনার বিদ্রোহের পর প্রথমবার এই ধরনের বৈঠকে যোগ দিলেন পুতিন। তাঁর মিত্র বেলারুশ এতদিন পর্যবেক্ষক দেশ হিসেবে ছিল, এবার এ দেশটিও এসসিওর সদস্য হচ্ছে৷ আর চীন-পাকিস্তান তো আছেই।
এই সম্মেলনে কিরঘিজস্তান, কাজাখস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তানের শীর্ষনেতারা ছিলেন। এ ছাড়া পর্যবেক্ষক দেশ হিসেবে বেলারুশ ছাড়াও ইরান ও মঙ্গোলিয়ার শীর্ষনেতারাও ছিলেন। সম্মেলনে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে মোদি ও শাহবাজ শরিফ নামোল্লেখ না করে একে অপরকে আক্রমণ করেন।
উদ্বোধনী ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই বৈঠকের থিম হলো সিকিওর। এস মানে সিকিউরিটি বা সুরক্ষা, ই মানে ইকনোমিক ডেভলপমেন্ট বা আর্থিক উন্নয়ন, সি মানে কানেকটিভিটি বা যোগাযোগ, ইউ মানে ইউনিটি বা ঐক্য, আর হলো- রেসপেক্ট বা সম্মান (এখানে সার্বভৌমত্বর প্রতি সম্মান) এবং ই-এর অর্থ এনভায়রনমেন্ট বা পরিবেশ। বৈঠকের পাঁচ স্তম্ভ হলো স্টার্ট আপ, ঐতিহ্যবাহী ওষুধ, যুবদের ক্ষমতা দেয়া, সবাইকে ডিজিটাল ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসা এবং বৌদ্ধধর্মের ঐতিহ্যকে ছড়িয়ে দেয়া।
পাকিস্তানের নাম না করে মোদি বলেন, কিছু দেশ তো সীমান্তপারের সন্ত্রাসকে তাদের নীতি হিসেবে নেয়। এসসিওর উচিত এই ধরনের দেশের সমালোচনা করা। কিছু দেশ সন্ত্রাসবাদকে আশ্রয় দিচ্ছে। সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দিচ্ছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, ‘স্পষ্ট ও দ্বিধাহীনভাবে সন্ত্রাসবাদের নিন্দা করতে হবে। কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদ বরদাস্ত করা যাবে না। এসসিও দেশগুলো তাদের অঞ্চলে শান্তি ও অর্থনৈতিক বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে।
শরিফ বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদ হলো বহু মাথাওয়ালা দানব। সর্বশক্তি দিয়ে এর বিরুদ্ধে লড়তে হবে। কূটনৈতিক লাভের জন্য সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ তোলার লোভ ছাড়তে হবে। নিজের দেশে একা ও দেশের বাইরে সম্মিলিতভাবে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়তে হবে।’
ভারতের প্রতি ইঙ্গিত করে শরিফ আরও বলেন, ঘরোয়া রাজনৈতিক লাভের জন্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধাচরণ করা উচিত নয়।
অন্তর্বর্তী আফগান সরকারের সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করার ওপর জোর দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, তিনি পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে যাবেন। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে রাশিয়া আরও শক্তিশালী হয়েছে।
তিনি বলেছেন, এসসিওর দেশগুলোর সঙ্গে তাঁদের দেশের মুদ্রায় বাণিজ্য করার ফলে নিষেধাজ্ঞার ধার কমে গেছে।
রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখার জন্য এসসিও দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানান পুতিন।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং বলেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দাদাগিরি ও ক্ষমতার রাজনীতির বিরোধিতা করার ফলে বিশ্ব এখন অনেক বেশি ন্যায়সংগত হয়েছে। বিশ্বে সব দেশের জন্য সমানাধিকার, সমান সুযোগ এবং ন্যায়সংগত নিয়মকানুন প্রয়োজন।
সূত্র: পিটিআই, এএনআই

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৫ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে