
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁর দেশ কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা বাড়াবে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধের মধ্যে তিনি এমন ঘোষণা দিলেন।
আজ সোমবার উত্তর-পশ্চিম ফ্রান্সের ইল লঁগ সামরিক ঘাঁটিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। ‘ইল লঁগ’ ঘাঁটিটি ফ্রান্সের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিনগুলোর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত।
ম্যাক্রোঁ জানান, বর্তমানে ফ্রান্সের পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা ৩০০–এর কম। তিনি এ সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যদিও কতটি নতুন ওয়ারহেড যোগ করা হবে তা নির্দিষ্ট করে বলেননি। ১৯৯২ সালের পর এই প্রথম ফ্রান্স তাদের পারমাণবিক ভাণ্ডার বৃদ্ধি করতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মাখোঁ বলেন, ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামোয় ফ্রান্সের পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতার ভূমিকা স্পষ্ট করতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, বৈশ্বিক হুমকি বৃদ্ধি এবং ইউরোপীয় মিত্রদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মাখোঁ আরও জানান, ফ্রান্স তাঁর পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম যুদ্ধবিমান মিত্র দেশগুলোতে সাময়িকভাবে মোতায়েনের অনুমতি দেবে। পাশাপাশি ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য যৌথভাবে ‘অতি দীর্ঘ-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পে’ কাজ করবে, যা আঘাত হানার সক্ষমতায় গভীরতর সহযোগিতার অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
২৩ মিনিট আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
৩১ মিনিট আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও ‘সবচেয়ে বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) সকালে সিএনএনকে দেওয়া প্রায় ৯ মিনিটের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানকে ‘ভালোভাবেই আঘা
২ ঘণ্টা আগে