
দক্ষিণ আফ্রিকায় এলোপাতাড়ি গুলির ঘটনায় কমপক্ষে ১১ জন নিহত হয়েছে। শনিবার স্থানীয় সময় ভোরের দিকে রাজধানী প্রিটোরিয়ার পশ্চিমে সলসভিল টাউনশিপের একটি হোস্টেলে বন্দুকধারীরা এ হামলা চালায়। এতে আহত হয় আরও ১৪ জন। নিহতদের মধ্যে তিন বছরের একটি শিশুও রয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার আথলেন্দা ম্যাথে বলেন, ‘ওই হোটেলে একদল লোক মদ্যপান করছিল। হঠাৎ তিনজন অজ্ঞাত বন্দুকধারী হোস্টেলে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে।’
তিনি নিশ্চিত করেছেন, মোট ২৫ জনকে গুলি করা হয়েছিল। এর মধ্যে ঘটনাস্থলেই ১০ জন এবং হাসপাতালে আরও একজন মারা যায়। আহত ১৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১২ বছর বয়সী একটি ছেলে এবং ১৬ বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।
ব্রিগেডিয়ার আথলেন্দা ম্যাথে হোস্টেলটিকে ‘অবৈধ মদ বিক্রির আস্তানা’ হিসেবে বর্ণনা করেন। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এসএবিসিকে তিনি বলেন, ‘এই ধরনের অবৈধ এবং লাইসেন্সবিহীন মদের দোকান নিয়ে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। এসব স্থানে প্রায়ই এমন গুলির ঘটনা ঘটে, তখন নিরীহ মানুষজনও ক্রসফায়ারে পড়ে যায়।’
তিনি জানান, হামলার উদ্দেশ্য এখনো জানা যায়নি। কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অপরাধে জর্জরিত দক্ষিণ আফ্রিকায় গণগুলির ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ার সর্বশেষ ঘটনা এটি।
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ-সংক্রান্ত অফিসের ২০২৩-২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বের সর্বোচ্চ হত্যার হার রয়েছে (প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যায় ৪৫ জন)। দেশটির পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬৩ জন নিহত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৮ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে