আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) পূর্বাঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১২ শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুজন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন এমওএনইউএসসিও—এর সদস্য। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কঙ্গোর সরকারি বাহিনীর সদস্য ও শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা সম্প্রতি দেশটির উত্তর কিভু প্রদেশের রাজধানী গোমায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এম-২৩ বিদ্রোহীদের আক্রমণের মুখোমুখি হয়। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি কঙ্গোর খনিজসমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চলে চলতি জানুয়ারি থেকেই আক্রমণ তীব্র করেছে। বিদ্রোহীরা আরও কিছু এলাকা দখলও করেছে। এর ফলে জাতিসংঘ বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি সতর্কতা জারি করেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার সেনাবাহিনী শনিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, শুক্রবার পর্যন্ত এম-২৩ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ৯ জন সেনা নিহত হয়েছে। এর মধ্যে, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে নিযুক্ত ছিলেন ২ দক্ষিণ আফ্রিকান সেনা এবং আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের দেশগুলোর সেনাদের নিয়ে গঠিত জোটের ৭ সেনা নিহত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সেনারা গোমায় দিকে অগ্রসর হতে থাকা বিদ্রোহীদের প্রতিরোধ করতে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে এবং এম-২৩ বিদ্রোহীরা পিছু হটেছে।’ জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) এই দুই ইউনিটের ৯ সৈন্যের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত শুক্রবার এই শান্তিরক্ষীরা নিহত হন।
প্রতিবেশী দেশ মালাবির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র এমানুয়েল মলেলেম্বা নিশ্চিত করেছেন, তাদের শান্তিরক্ষা বাহিনীর তিন সদস্য এম-২৩ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের তিন সাহসী সৈন্যের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করছি, যারা ডিআরসিতে দক্ষিণ আফ্রিকা উন্নয়ন সম্প্রদায়ের স্যামিডিআরসি মিশনে অংশগ্রহণ করছিলেন।’
এম-২৩ বা মার্চ-২৩ হলো একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। এই গোষ্ঠীটি তুতসি জনজাতির সদস্যদের নিয়ে গঠিত। এই গোষ্ঠীটি কঙ্গোলিজ সেনাবাহিনী থেকে ১০ বছরেরও বেশি আগে বিদ্রোহ করে বের হয়ে এসেছিল। ২০২২ সালে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে আরও এলাকা দখল করতে থাকে। ডিআরসি এবং জাতিসংঘ রুয়ান্ডাকে এম-২৩ বিদ্রোহীদের সৈন্য ও অস্ত্র সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ করছে। তবে রুয়ান্ডা তা অস্বীকার করেছে।

ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও ‘সবচেয়ে বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) সকালে সিএনএনকে দেওয়া প্রায় ৯ মিনিটের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানকে ‘ভালোভাবেই আঘা
২ ঘণ্টা আগে