লবণ আমাদের খাদ্যাভ্যাসের প্রয়োজনীয় উপাদান। সালাদ বা রান্না, প্রায় প্রতিটি খাবারেই এর ব্যবহার আছে। কিন্তু অনেকেই স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে হিমালয়ান পিঙ্ক সল্ট বেছে নিতে চাইছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, পিঙ্ক সল্ট কি সত্যিই সাধারণ লবণের চেয়ে ভালো?
পিঙ্ক সল্ট
পিঙ্ক সল্ট, যাকে আমরা হিমালয়ান সল্টও বলি, এটি মূলত পাকিস্তানের হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত খেওড়া লবণখনি থেকে উত্তোলন করা হয়। এর গোলাপি রঙের পেছনে মূল কারণ এতে থাকা ট্রেস মিনারেল বা খনিজ উপাদান, বিশেষ করে আয়রন অক্সাইড।
সাধারণ লবণ
এটি সাধারণত গভীর ভূগর্ভস্থ লবণখনি থেকে উত্তোলন করে পরিশোধন করা হয়। প্রক্রিয়াজাতের সময় এতে থাকা অধিকাংশ খনিজ উপাদান সরিয়ে ফেলা হয় এবং মিশিয়ে দেওয়া হয় অ্যান্টি-কেকিং এজেন্ট, যাতে লবণ জমাট না বাঁধে। এ ছাড়া এটি সাধারণত আয়োডিনযুক্ত করা হয়, যেন আয়োডিন ঘাটতিজনিত রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
পিঙ্ক সল্ট বা সাধারণ লবণের মধ্যে আপনি কোনটা বেছে নেবেন, তা নির্ভর করে আপনার প্রাধান্য অনুযায়ী। যদি আপনি প্রাকৃতিক ও মিনারেলসমৃদ্ধ কিছু চান, তবে পিঙ্ক সল্ট ভালো বিকল্প হতে পারে। আর যদি আয়োডিনের ঘাটতি নিয়ে চিন্তিত হন, তবে আয়োডিনযুক্ত সাধারণ লবণ উত্তম।
তবে মনে রাখতে হবে, লবণ যেটাই হোক না কেন, অতিরিক্ত গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই পরিমিত লবণ গ্রহণ এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি।
সূত্র: হেলথশট

রমজান হলো আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস। তবে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন হওয়ার কারণে এই সময়ে আমাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কিংবা ইমিউন সিস্টেম কিছুটা ভিন্নভাবে কাজ করে। একজন চিকিৎসক ও অণুজীববিজ্ঞানী হিসেবে মনে করি, সঠিক বৈজ্ঞানিক সচেতনতা থাকলে রোজার মাধ্যমেও শরীর রোগমুক্ত, দূষণমুক্ত...
২ দিন আগে
রমজান মাস আমাদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক উন্নতির সময় হলেও এই সময়ে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশের, বিশেষত চোখের যত্ন নেওয়া জরুরি। দীর্ঘ সময় সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত পানাহার এবং ঘুমের অভাব আমাদের চোখের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। তাই রমজানে চোখের সঠিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
২ দিন আগে
থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতিকে বলা হয় হাইপোথাইরয়েডিজম। এটি হতে পারে অটো এমিনোর কারণে কিংবা থাইরয়েড গ্রন্থিতে কোনো সংক্রমণ বা আয়োডিনের ঘাটতি অথবা থাইরয়েডের কোনো অপারেশন বা থাইরয়েড গ্রন্থিতে রেডিও আয়োডিন থেরাপি দেওয়ার পর।
২ দিন আগে
রমজান মাসে আমাদের স্বাভাবিক অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আসে। এ সময় খাওয়াদাওয়ার সময় ও ধরন বদলে যায়। আরও বদলে যায় ঘুমের সময়। এই নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় শরীরকে। এ জন্য নতুন করে অনেক অভ্যাস তৈরি করতে হয়।
২ দিন আগে