
চলছে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪–এর আসর। গতকাল শনিবার (৮ জুন) গ্রুপ পর্বের প্রথম খেলায় বাংলাদেশ মুখোমুখি হয়েছিল শ্রীলঙ্কার। প্রথমে ব্যাট করে জয়ের জন্য বাংলাদেশকে ১২৫ রানের লক্ষ্য দেয় দলটি। অল্প পুঁজির এই লক্ষ্য ছুঁতেই হাঁসফাঁস উঠে যায় বাংলাদেশের। যদিও শেষ হাসিটা হেসেছেন লিটন–রিয়াদরাই। এমন হাঁসফাঁস পরিস্থিতি থেকে বহুবার ম্যাচ বের করে এনেছে বাংলাদেশ, যা ভুগিয়েছে দর্শক–সমর্থকদেরও। তাই দুর্বল হার্টের কোনো সমর্থক যেন বাংলাদেশের খেলা না দেখে— এমন সতর্ক বার্তা মজাচ্ছলে প্রচলিত আছে।
এবার বাংলাদেশের খেলা দেখে নোয়াখালীতে দুই সমর্থক হার্ট অ্যাটাক করেছেন দাবিতে এক তরুণের ছবিসহ একটি ভিডিও টিকটকে ছড়িয়ে পড়েছে। ‘আফসার টিকটক’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল শনিবার ম্যাচ শেষে এমন দাবিতে ১০ সেকেন্ডের ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। পোস্টটি আজ রোববার (৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১ লাখ ১৫ হাজার বার দেখা হয়েছে, রিয়েকশন পড়েছে প্রায় ১১ হাজার। কমেন্ট পড়েছে সাড়ে ৫০০–এর বেশি। এসব মন্তব্যে টিকটক ব্যবহারকারীরা নিজেদের আবেগ–অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন। আবার কেউ দাবি করেছেন, এই তরুণ খেলা দেখে নয়, বরং খেলায় বাজি ধরার কারণে হার্ট অ্যাটাক করেছেন!
টিকটক পোস্টের দাবিটির সত্যতা যাচাই করে দেখেছে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ।
প্রাসঙ্গিক কি–ওয়ার্ড অনুসন্ধানে নোয়াখালীতে বাংলাদেশের খেলা দেখে দুজন হার্ট অ্যাটাক করার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ভিডিওটিতেও কোনো তথ্যসূত্রও নেই।
পরে ভাইরাল ভিডিওটি থেকে কি–ফ্রেম নিয়ে রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানে ভারতের ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্ম কেট্টো–এর ওয়েবসাইটে ভিডিওতে থাকা তরুণের ছবিটি পাওয়া যায়।
ওয়েবসাইটে তরুণটি সম্পর্কে বলা হয়েছে, তরুণটির নাম আর. শচীন। তাঁর বাবা রাজু এস। ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্ম কেট্টো ব্যবহার করে শচীনের চিকিৎসার জন্য অর্থ সহায়তা চাচ্ছেন তিনি। শচীনের অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ভারতের বেঙ্গালুরুতে স্পর্শ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ওয়েবসাইটটি থেকে আরও জানা যায়, শচীনের চিকিৎসার জন্য ৬০ লাখ রুপির প্রয়োজন ছিল। তবে বর্তমানে আর অর্থ সহায়তা নেওয়া হচ্ছে না।
অর্থাৎ, বাংলাদেশ–শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দেখার সময় নোয়াখালীতে দুই সমর্থক হার্ট অ্যাটাক করেছেন দাবিতে ভাইরাল ভিডিওটিতে থাকা তরুণটি বাংলাদেশের নাগরিক নন। তিনি খেলা দেখে হার্ট অ্যাটাকও করেননি। বরং দুর্ঘটনায় আহত এক তরুণের জন্য সহায়তা চেয়ে ভারতীয় একটি ক্রাউড ফান্ডিং ওয়েবসাইটে দেওয়া ছবি সংগ্রহ করে উল্লেখিত দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে।

‘শুধুমাত্র শিবিরকে ভালো লাগার কারণে যদি আমায় ছাত্রদল থেকে বহিষ্কারও করে, তাতেও আমার কোনো আফসোস নেই। আমি সর্বদা ইনসাফের পক্ষে’—শেখ তানভীর বারী হামিমের নামে এমন মন্তব্য সম্বলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ফেসবুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমের নামে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। দাবি করা হয়েছে, বর্তমান সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের পরিণতি সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ মুরাদ হাসান—এর মতো হবে। ফটোকার্ডটি বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা হয়ে
২০ ঘণ্টা আগে
‘বাংলাদেশে টিকটক প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করতে যাচ্ছে সরকার’—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমান সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী মাহবুব আনামের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রচারিত ফটোকার্ডটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।
৩ দিন আগে
চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য থাকলে জাতীয় পুরস্কার নয়—এমন দাবিতে জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের লোগো সংবলিত একটি ফটোকার্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডটি শেয়ার করেছেন লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট ফাহাম আবদুস সালাম, তাসলিমা নাসরিনসহ অনেকে।
৩ দিন আগে