
ইসরায়েলের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল পোস্টে বলা হচ্ছে, ইসরায়েলের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিনকে নেতানিয়াহুর স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।
এই দাবিতে ফেসবুকে পোস্ট আছেএখানে , এখানে ,এখানে ,এখানে এবং এখানে।
এক্সে পোস্ট আছে এখানে , এখানে , এখানে এবং এখানে ।
Headlines360 নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে ১৮ মার্চ বেলা ৩টার ৪৫ মিনিটে একটি পোস্ট শেয়ার করা হয়। পোস্টে ইংরেজি ভাষায় দাবি করা হয়, একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ইসরায়েলের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন ইয়ারিভ লেভিন। তিনি বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর স্থলাভিষিক্ত হয়ে নেতৃত্বের এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এই পরিবর্তন এমন এক সংকটময় সময়ে এল, যখন দেশটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে এবং অভ্যন্তরীণভাবে এমন কিছু আইনগত বিতর্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে—যা দেশটির ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।
পোস্টটিতে আজ (১৯ মার্চ) বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৩৭ হাজার রিঅ্যাকশন, ১২ হাজার ৬০০ কমেন্ট এবং ৮ হাজার ৯০০ শেয়ার রয়েছে।
একই দাবিতে Kazi Shamim Ahsan নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ১৮ মার্চ বিকেল ৫টার দিকে পোস্টটি করা হয়। পোস্টে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ইরানি হামলায় নিহত হওয়ার পর ১৮ মার্চ উপপ্রধানমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিনকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। লেভিন ডিসেম্বর ২০২২ থেকে উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে দায়িত্বভার সামলাতেন। নেতানিয়াহুর মৃত্যুর বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করা হলেও সামাজিক প্রতিক্রিয়ার কারণে লেভিনকে প্রধানমন্ত্রী করা হয়।
একই দাবিতে আরও কিছু অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট শেয়ার করা হয়েছে। আলোচিত পোস্টের যাচাই করে দেখা যায়, কিছু নেটিজেন এটি সত্য মনে করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে কোনো পোস্টেই তথ্যসূত্র নেই।
আজকের পত্রিকার অনুসন্ধান
ভাইরাল দাবির সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করে অনুসন্ধান করা হলে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়া ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমেও কোনো প্রতিবেদন বা তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ইসরায়েলি সরকারের পক্ষ থেকেও আলোচিত বিষয়ে কোনো তথ্য বা বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।
অনুসন্ধানে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিশিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মূলত এই ভাইরাল পোস্টগুলো বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং এগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।
মূলত ইরানের গণমাধ্যমে নেতানিয়াহু নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছে—এমন প্রতিবেদন প্রকাশের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতানিয়াহুকে নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। সর্বশেষ এমন খবর সামনে আসার পর নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছে।
সিদ্ধান্ত
ভাইরাল পোস্টের দাবিটি সঠিক নয়। ইয়ারিভ লেভিনকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে, এমন তথ্য ভিত্তিহীন।

একদিকে হাদির হত্যার বিচার চেয়ে মাঠ গরম রাখে, আরেকদিকে ‘হাদিকে চুতিয়া’ বলে মজা করে। এরাই হাদির হত্যাকারী। হাদির কালচারাল সেন্টার দখল করে, হাদির মৃত্যুকে নিয়ে নারকীয় উল্লাস করছে হাদির সাথীরা—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
একজন ১৪ বছর বয়সী কিশোর দুই কিশোরী মেয়েকে গর্ভবতী করেছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকসহ ছড়িয়ে পড়েছে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রায় সব প্লাটফর্মে। ব্যবহারকারীরা ভিডিওটি সত্য তবে বিভিন্ন দেশের ঘটনা বলে দাবি করছেন—
১ দিন আগে
কয়েক দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের গণমাধ্যমে নেতানিয়াহু নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন দাবিতে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে চরম ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ৯ মার্চ ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এ দাবি করে।
২ দিন আগে
‘গণভোট নিয়ে মাতামাতি করলে আমরা পুলিশ হত্যার বিচার করব’—প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমন মন্তব্য করেছেন দাবিতে একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এই মন্তব্য করেছেন।
৩ দিন আগে