সম্পাদকীয়
নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে পাশ কাটিয়ে সরকারের নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কয়েক দিনের মাথায় আবার শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের দাম রেকর্ড পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনো এত বেশি দাম বাড়ানো হয়নি। অবশ্য গ্যাসের দাম বাড়ানোর চাপ থেকে এ যাত্রায় বেঁচে গেছেন আবাসিক, সিএনজি ও চা শিল্পের গ্রাহকেরা। তবে শিল্প খাতে এই দাম বাড়ানোর চাপ কার্যত ভোক্তাদের ওপরেই পড়বে। কারণ, শিল্পমালিকেরা খরচ বাড়ার অজুহাতে উৎপাদিত পণ্যের দামও বাড়াবেন।
১৯ জানুয়ারি আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, শিল্পকারখানার ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্টের গ্যাসের দাম ৮৮ শতাংশ বেড়ে ১৬ থেকে হয়েছে ৩০ টাকা। বৃহৎ শিল্পে গ্যাসের দাম বেড়েছে ১৫০ শতাংশ। প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ১১ টাকা ৯৮ পয়সা থেকে করা হয়েছে ৩০ টাকা। মাঝারি শিল্পে ১১ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা, যা ১৫৫ শতাংশ বেড়েছে। ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পে গ্যাসের দাম ১০ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩০ টাকা, যা ১৭৮ শতাংশ বেড়েছে। অর্থাৎ, দাম বেড়েছে প্রায় তিন গুণ। নতুন দাম ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। মূলত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ পেতে ভর্তুকি কমানোর অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাজারে পণ্যের দাম নিয়ে আমাদের দেশে খামখেয়ালিপনা নতুন নয়। ক্রেতাদের স্বার্থ দেখার কেউ নেই। মুনাফালোভী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে বাজার। মূল্যবৃদ্ধির চাপে মানুষ দিশেহারা। এখন গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম আরও একদফা বাড়লে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাবে, বাড়বে মূল্যস্ফীতি।
শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস চাইলে শিল্পমালিকদের আমদানির সমান দাম দিতে হবে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে প্রশ্ন রেখেছেন, বিশ্বের কোন দেশ বিদ্যুৎ-গ্যাসে ভর্তুকি দেয়? প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানোর কথা উল্লেখ করে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন।
বিদেশ থেকে চড়া দামে এলএনজি আমদানি করে কম দামে শিল্পমালিকদের কাছে বিক্রি করার যুক্তি নেই। তবে প্রশ্ন হলো, দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উত্তোলন করে গ্যাসের চাহিদা মেটানোর দৃশ্যমান উদ্যোগ ও পরিকল্পনা কি সরকার কখনো নিয়েছে? পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথাও ভাবা যেত; কিন্তু সরকার তা না করে বিশেষ কিছু গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার নীতিই নিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কিছু কোম্পানিকে যে পরিমাণ ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয়েছে, তা নিয়েও বিশেষজ্ঞ মহলে সমালোচনা আছে।
ভর্তুকি কমিয়ে মূল্য সমন্বয়ের বিষয়টি তখনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যখন সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি না হয়। জাতীয় অর্থনীতি ও জনজীবনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব এড়ানো জনকল্যাণমুখী সরকারেরই দায়িত্ব।
নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে পাশ কাটিয়ে সরকারের নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কয়েক দিনের মাথায় আবার শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের দাম রেকর্ড পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনো এত বেশি দাম বাড়ানো হয়নি। অবশ্য গ্যাসের দাম বাড়ানোর চাপ থেকে এ যাত্রায় বেঁচে গেছেন আবাসিক, সিএনজি ও চা শিল্পের গ্রাহকেরা। তবে শিল্প খাতে এই দাম বাড়ানোর চাপ কার্যত ভোক্তাদের ওপরেই পড়বে। কারণ, শিল্পমালিকেরা খরচ বাড়ার অজুহাতে উৎপাদিত পণ্যের দামও বাড়াবেন।
১৯ জানুয়ারি আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, শিল্পকারখানার ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্টের গ্যাসের দাম ৮৮ শতাংশ বেড়ে ১৬ থেকে হয়েছে ৩০ টাকা। বৃহৎ শিল্পে গ্যাসের দাম বেড়েছে ১৫০ শতাংশ। প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ১১ টাকা ৯৮ পয়সা থেকে করা হয়েছে ৩০ টাকা। মাঝারি শিল্পে ১১ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা, যা ১৫৫ শতাংশ বেড়েছে। ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পে গ্যাসের দাম ১০ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩০ টাকা, যা ১৭৮ শতাংশ বেড়েছে। অর্থাৎ, দাম বেড়েছে প্রায় তিন গুণ। নতুন দাম ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। মূলত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ পেতে ভর্তুকি কমানোর অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাজারে পণ্যের দাম নিয়ে আমাদের দেশে খামখেয়ালিপনা নতুন নয়। ক্রেতাদের স্বার্থ দেখার কেউ নেই। মুনাফালোভী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে বাজার। মূল্যবৃদ্ধির চাপে মানুষ দিশেহারা। এখন গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম আরও একদফা বাড়লে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাবে, বাড়বে মূল্যস্ফীতি।
শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস চাইলে শিল্পমালিকদের আমদানির সমান দাম দিতে হবে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে প্রশ্ন রেখেছেন, বিশ্বের কোন দেশ বিদ্যুৎ-গ্যাসে ভর্তুকি দেয়? প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানোর কথা উল্লেখ করে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন।
বিদেশ থেকে চড়া দামে এলএনজি আমদানি করে কম দামে শিল্পমালিকদের কাছে বিক্রি করার যুক্তি নেই। তবে প্রশ্ন হলো, দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উত্তোলন করে গ্যাসের চাহিদা মেটানোর দৃশ্যমান উদ্যোগ ও পরিকল্পনা কি সরকার কখনো নিয়েছে? পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথাও ভাবা যেত; কিন্তু সরকার তা না করে বিশেষ কিছু গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার নীতিই নিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কিছু কোম্পানিকে যে পরিমাণ ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয়েছে, তা নিয়েও বিশেষজ্ঞ মহলে সমালোচনা আছে।
ভর্তুকি কমিয়ে মূল্য সমন্বয়ের বিষয়টি তখনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যখন সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি না হয়। জাতীয় অর্থনীতি ও জনজীবনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব এড়ানো জনকল্যাণমুখী সরকারেরই দায়িত্ব।
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫পাকিস্তানে ভারতের হামলার সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনও এই হামলাকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে। উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘও। উত্তেজনা যেন আরও না বাড়ে, সে জন্য দুই পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ। এদিকে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করেছে...
০৮ মে ২০২৫