সম্পাদকীয়
আমাদের সবকিছুতেই বাড়াবাড়ি। তদন্ত করতে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো যাবে না—এ রকম দিব্যি কে দিল? মানুষ টাকা চুরি করলেই খারাপ হয়ে যাবে, সে কথা কে বলল? তাঁর বিরুদ্ধে ১৩টি অভিযোগ থাকলেই কি তিনি খারাপ মানুষ হয়ে গেলেন? শিক্ষার্থী আর প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেই কি তিনি দোষী? একজন ‘নিরীহ’, ‘দক্ষ’ ইনচার্জের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে কি না, সেটাও তো তলিয়ে দেখা দরকার।
মেনে নিচ্ছি, তদন্তেই প্রমাণিত হবে তিনি দোষী কি নির্দোষ। তদন্তই হলো না, আর আমরা সবাই মিলে চিৎকার করতে শুরু করলাম—কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল-সংলগ্ন কুষ্টিয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ মোসা. কাঞ্চনমালা অপরাধ করেছেন। তিনি টাকা আত্মসাৎ করেছেন!
মামলা হয়েছিল আগেই, তাই তদন্তে এসেছেন তিনজন। তাঁরা মামলার বিবরণী নিশ্চয়ই পড়েছেন। কুষ্টিয়ায় আসার আগেই তাঁরা জেনে গেছেন ইনচার্জের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ আছে। একটি বলি। প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারসামগ্রী কেনার সময় ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। আরে! রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে বালিশ কেনার নাম করে কত টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে, তা কি আমাদের জানা নেই? সেই পুকুরচুরির কথা মনে রাখলে কুষ্টিয়ার এই ঘটনাকে কতটা মূল্য দেওয়া উচিত?
এ কথা বোঝেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। তাই তো তাঁরা ঠিক করেছেন, তদন্ত এগোবে নিজের পথে। তবে এই নিজের পথটি মসৃণ করে তোলার ক্ষেত্রে যদি কুষ্টিয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ সামান্য ভূমিকা রাখেন, তাতে কার কী এসে-যায়? ঢাকা থেকে নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফ অধিদপ্তরের উপসচিব পরিচালক (শিক্ষা) মো. রশিদুল মান্নাফ কবির তিন সদস্যের যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন, তাঁদেরই একজন সরলভাবে বলতে পারেন, ‘যেহেতু তিনি (ইনচার্জ) তদন্তে এখনো দোষী প্রমাণিত হননি, সে জন্য তাঁকে নিয়ে বেড়ানো দোষের কিছু নয়।’
সম্ভবত তদন্তকারী দল তদন্ত করতে এসে ম্যাজিক রিয়ালিজমের পাল্লায় পড়ে ‘ছু-মন্তর-ছু’ বলে ভ্রমণসঙ্গী হিসেবে অভিযুক্ত ইনচার্জকেই বেছে নিয়েছেন। কুষ্টিয়ায় এসেছেন অথচ ছেঁউড়িয়ায় লালন সাঁইয়ের আখড়াবাড়িতে যাবেন না, তা কি হয়? অগত্যা নার্সিং ইনস্টিটিউটের কোচে চড়েই আখড়া দর্শন! সঙ্গী কে? অবশ্যই অভিযুক্ত ইনচার্জ! আর আপ্যায়নের কথা না হয় না-ই বলি। ভূরিভোজটাও হয়েছে ইনচার্জের কল্যাণে।
এ ধরনের ইনচার্জরা শুধু ‘অভিযুক্ত’ই থেকে যাবেন, তাঁরা ‘দোষী প্রমাণিত’ হবেন কি হবেন না, সেটা কি আগাম বলে দেওয়া যায়? তাহলেও তো ম্যাজিক রিয়ালিজমের সাহায্য নিতে হবে। আমরা বরং এহেন তদন্ত কমিটির নামে জয়ধ্বনি দিতে থাকি, তাতে ইনস্টিটিউটের বারোটা বাজলেও কারও কিছু আসবে-যাবে না। রসিকতা বাদ দিয়ে বলি, আমাদের দেশটায় জবাবদিহি কোথায় এসে ঠেকেছে, তা এই ঘটনা থেকেই পরিষ্কার বোঝা যায়। অভিযুক্ত আর তদন্ত কমিটির সদস্যদের এই হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক অক্ষয় হলে কী হবে, তা নিশ্চয়ই আর বুঝিয়ে বলতে হবে না।
আমাদের সবকিছুতেই বাড়াবাড়ি। তদন্ত করতে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো যাবে না—এ রকম দিব্যি কে দিল? মানুষ টাকা চুরি করলেই খারাপ হয়ে যাবে, সে কথা কে বলল? তাঁর বিরুদ্ধে ১৩টি অভিযোগ থাকলেই কি তিনি খারাপ মানুষ হয়ে গেলেন? শিক্ষার্থী আর প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেই কি তিনি দোষী? একজন ‘নিরীহ’, ‘দক্ষ’ ইনচার্জের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে কি না, সেটাও তো তলিয়ে দেখা দরকার।
মেনে নিচ্ছি, তদন্তেই প্রমাণিত হবে তিনি দোষী কি নির্দোষ। তদন্তই হলো না, আর আমরা সবাই মিলে চিৎকার করতে শুরু করলাম—কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল-সংলগ্ন কুষ্টিয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ মোসা. কাঞ্চনমালা অপরাধ করেছেন। তিনি টাকা আত্মসাৎ করেছেন!
মামলা হয়েছিল আগেই, তাই তদন্তে এসেছেন তিনজন। তাঁরা মামলার বিবরণী নিশ্চয়ই পড়েছেন। কুষ্টিয়ায় আসার আগেই তাঁরা জেনে গেছেন ইনচার্জের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ আছে। একটি বলি। প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারসামগ্রী কেনার সময় ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। আরে! রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে বালিশ কেনার নাম করে কত টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে, তা কি আমাদের জানা নেই? সেই পুকুরচুরির কথা মনে রাখলে কুষ্টিয়ার এই ঘটনাকে কতটা মূল্য দেওয়া উচিত?
এ কথা বোঝেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। তাই তো তাঁরা ঠিক করেছেন, তদন্ত এগোবে নিজের পথে। তবে এই নিজের পথটি মসৃণ করে তোলার ক্ষেত্রে যদি কুষ্টিয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ সামান্য ভূমিকা রাখেন, তাতে কার কী এসে-যায়? ঢাকা থেকে নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফ অধিদপ্তরের উপসচিব পরিচালক (শিক্ষা) মো. রশিদুল মান্নাফ কবির তিন সদস্যের যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন, তাঁদেরই একজন সরলভাবে বলতে পারেন, ‘যেহেতু তিনি (ইনচার্জ) তদন্তে এখনো দোষী প্রমাণিত হননি, সে জন্য তাঁকে নিয়ে বেড়ানো দোষের কিছু নয়।’
সম্ভবত তদন্তকারী দল তদন্ত করতে এসে ম্যাজিক রিয়ালিজমের পাল্লায় পড়ে ‘ছু-মন্তর-ছু’ বলে ভ্রমণসঙ্গী হিসেবে অভিযুক্ত ইনচার্জকেই বেছে নিয়েছেন। কুষ্টিয়ায় এসেছেন অথচ ছেঁউড়িয়ায় লালন সাঁইয়ের আখড়াবাড়িতে যাবেন না, তা কি হয়? অগত্যা নার্সিং ইনস্টিটিউটের কোচে চড়েই আখড়া দর্শন! সঙ্গী কে? অবশ্যই অভিযুক্ত ইনচার্জ! আর আপ্যায়নের কথা না হয় না-ই বলি। ভূরিভোজটাও হয়েছে ইনচার্জের কল্যাণে।
এ ধরনের ইনচার্জরা শুধু ‘অভিযুক্ত’ই থেকে যাবেন, তাঁরা ‘দোষী প্রমাণিত’ হবেন কি হবেন না, সেটা কি আগাম বলে দেওয়া যায়? তাহলেও তো ম্যাজিক রিয়ালিজমের সাহায্য নিতে হবে। আমরা বরং এহেন তদন্ত কমিটির নামে জয়ধ্বনি দিতে থাকি, তাতে ইনস্টিটিউটের বারোটা বাজলেও কারও কিছু আসবে-যাবে না। রসিকতা বাদ দিয়ে বলি, আমাদের দেশটায় জবাবদিহি কোথায় এসে ঠেকেছে, তা এই ঘটনা থেকেই পরিষ্কার বোঝা যায়। অভিযুক্ত আর তদন্ত কমিটির সদস্যদের এই হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক অক্ষয় হলে কী হবে, তা নিশ্চয়ই আর বুঝিয়ে বলতে হবে না।
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫পাকিস্তানে ভারতের হামলার সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনও এই হামলাকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে। উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘও। উত্তেজনা যেন আরও না বাড়ে, সে জন্য দুই পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ। এদিকে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করেছে...
০৮ মে ২০২৫