বান্দরবান প্রতিনিধি
চাহিদা বাড়ছে পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে চাষ হওয়া বিভিন্ন জাতের কলার। এখানকার কলা সুস্বাদু ও মিষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন জেলার মানুষের কাছে এসব কলা পছন্দনীয়। এ জন্য দেশের বিভিন্ন জেলার পাইকাররাও বান্দরবান এসে কলা কিনে নিয়ে যান। আর চাহিদা বাড়ার কারণে কলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় চাষিদের।
জেলার প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র বান্দরবান বাজারে সপ্তাহে দুদিন রোববার ও বুধবার হাটের দিন। এ সময় বান্দরবান সদর উপজেলার বিভিন্ন পাড়া ছাড়াও পার্শ্ববর্তী রোয়াংছড়ির ছাইঙ্গা, দানেশপাড়া, তারাছা, মুরংগবাজার এলাকা থেকেও স্থানীয় চাষিরা কলা এনে বিক্রি করেন বান্দরবান বাজারে।
বান্দরবানের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এলাকায় বিশাল খালি স্থানে কলার হাট বসে। এখানে লাইমীপাড়া, ফারুকপাড়া, শ্যারনপাড়া, গ্যেৎশিমানিপাড়া, তুমপ্রু পাড়া, তারাছা, ছাইঙ্গা, বালাঘাটা, লেমুঝিরি, সুয়ালক, কুহালং, ক্যামলংপাড়াসহ বিভিন্ন পাড়ার উপজাতি কলাচাষিরা কলা এনে বিক্রি করেন। বান্দরবান বাজারের বৈশিষ্ট্য খুব ভোরে বাজারে বিকিকিনি শুরু হয়ে চলে দুপুর পর্যন্ত। তবে ইদানীং বিকেল পর্যন্তও বেচাকেনা হতে দেখা যায়।
গত রোববার বাজারে কলা বিক্রি করতে আসা ক্যামলংপাড়ার কলাচাষি কোকোচিং মারমা জানান, তাঁর প্রায় এক একর জমিতে কলার বাগান রয়েছে। বাগানে প্রায় প্রতিদিনই কলার ছড়া কাটার উপযোগী হয়।
তবে বাড়ি থেকে বাজার দূরে হওয়ায় সাপ্তাহিক হাটবারেই তিনি পিকআপ ভ্যানে করে কলা এনে বান্দরবান বাজারে বিক্রি করেন। রোববার তিনি প্রায় ৫০ ছড়া কলা বিক্রির জন্য এনেছেন। দুজন পাইকার কলার ছড়াগুলো কিনে নিয়েছেন।
আরেক চাষি বলেন, এখানকার কলা সুস্বাদু ও মিষ্টি হওয়ায় এসব কলার চাহিদা চট্টগ্রাম, সাতকানিয়া, চকরিয়া, ফেনী, কুমিল্লা, ঢাকাসহ সারা দেশেই চাহিদা রয়েছে। তিনি বলেন, কলার চাহিদা থাকায় দামও ভালো পাচ্ছেন।
এদিকে, চট্টগ্রাম থেকে কলা কিনতে আসা পাইকার শামসুল আলম জানান, তিনি ১৫ বছর ধরে বান্দরবান থেকে পাইকারি কলা কিনে চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গিবাজার, রেয়াজউদ্দিন বাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেও কলা বিক্রি করেন। তিনিও স্বীকার করেন, বান্দরবানের কলা সুস্বাদু হওয়ায় এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
তবে এ পাইকার বলেন, তাঁর মতো আরও অনেকেই কলা কেনার জন্য বান্দরবান আসেন। কিন্তু কলার জন্য যদি একটি শেড করা হতো, তাহলে তাঁরা ও কলাচাষিদের জন্য ভালো হতো। কেননা রোদ বৃষ্টি হলেও ক্রেতা-বিক্রেতারা তাৎক্ষণিক আশ্রয় নেওয়ার স্থান পান না। এ ছাড়া কলা কিনে দ্রুত ট্রাকে তুলে নিতে হয়। যদি কলা বিক্রির স্থান আরও বাড়ানো ও একটি শেড করা হয় তাহলে ক্রয়-বিক্রি আরও বাড়বে।
বান্দরবান বাজারে বুধ ও রোববার সাপ্তাহিক হাটবার ছাড়াও প্রতিদিনই কলা বিক্রি হয়। বিভিন্ন এলাকার চাষিরা কলার ছড়া নিয়ে বাজারে এসে বিক্রি করছেন।
বান্দরবানের পাহাড়ে কলা চাষিদের বেশির ভাগই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কৃষক। কলা বিক্রি করে অনেকেই আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়েছেন বলে জানা গেছে।
চাহিদা বাড়ছে পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে চাষ হওয়া বিভিন্ন জাতের কলার। এখানকার কলা সুস্বাদু ও মিষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন জেলার মানুষের কাছে এসব কলা পছন্দনীয়। এ জন্য দেশের বিভিন্ন জেলার পাইকাররাও বান্দরবান এসে কলা কিনে নিয়ে যান। আর চাহিদা বাড়ার কারণে কলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় চাষিদের।
জেলার প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র বান্দরবান বাজারে সপ্তাহে দুদিন রোববার ও বুধবার হাটের দিন। এ সময় বান্দরবান সদর উপজেলার বিভিন্ন পাড়া ছাড়াও পার্শ্ববর্তী রোয়াংছড়ির ছাইঙ্গা, দানেশপাড়া, তারাছা, মুরংগবাজার এলাকা থেকেও স্থানীয় চাষিরা কলা এনে বিক্রি করেন বান্দরবান বাজারে।
বান্দরবানের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এলাকায় বিশাল খালি স্থানে কলার হাট বসে। এখানে লাইমীপাড়া, ফারুকপাড়া, শ্যারনপাড়া, গ্যেৎশিমানিপাড়া, তুমপ্রু পাড়া, তারাছা, ছাইঙ্গা, বালাঘাটা, লেমুঝিরি, সুয়ালক, কুহালং, ক্যামলংপাড়াসহ বিভিন্ন পাড়ার উপজাতি কলাচাষিরা কলা এনে বিক্রি করেন। বান্দরবান বাজারের বৈশিষ্ট্য খুব ভোরে বাজারে বিকিকিনি শুরু হয়ে চলে দুপুর পর্যন্ত। তবে ইদানীং বিকেল পর্যন্তও বেচাকেনা হতে দেখা যায়।
গত রোববার বাজারে কলা বিক্রি করতে আসা ক্যামলংপাড়ার কলাচাষি কোকোচিং মারমা জানান, তাঁর প্রায় এক একর জমিতে কলার বাগান রয়েছে। বাগানে প্রায় প্রতিদিনই কলার ছড়া কাটার উপযোগী হয়।
তবে বাড়ি থেকে বাজার দূরে হওয়ায় সাপ্তাহিক হাটবারেই তিনি পিকআপ ভ্যানে করে কলা এনে বান্দরবান বাজারে বিক্রি করেন। রোববার তিনি প্রায় ৫০ ছড়া কলা বিক্রির জন্য এনেছেন। দুজন পাইকার কলার ছড়াগুলো কিনে নিয়েছেন।
আরেক চাষি বলেন, এখানকার কলা সুস্বাদু ও মিষ্টি হওয়ায় এসব কলার চাহিদা চট্টগ্রাম, সাতকানিয়া, চকরিয়া, ফেনী, কুমিল্লা, ঢাকাসহ সারা দেশেই চাহিদা রয়েছে। তিনি বলেন, কলার চাহিদা থাকায় দামও ভালো পাচ্ছেন।
এদিকে, চট্টগ্রাম থেকে কলা কিনতে আসা পাইকার শামসুল আলম জানান, তিনি ১৫ বছর ধরে বান্দরবান থেকে পাইকারি কলা কিনে চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গিবাজার, রেয়াজউদ্দিন বাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেও কলা বিক্রি করেন। তিনিও স্বীকার করেন, বান্দরবানের কলা সুস্বাদু হওয়ায় এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
তবে এ পাইকার বলেন, তাঁর মতো আরও অনেকেই কলা কেনার জন্য বান্দরবান আসেন। কিন্তু কলার জন্য যদি একটি শেড করা হতো, তাহলে তাঁরা ও কলাচাষিদের জন্য ভালো হতো। কেননা রোদ বৃষ্টি হলেও ক্রেতা-বিক্রেতারা তাৎক্ষণিক আশ্রয় নেওয়ার স্থান পান না। এ ছাড়া কলা কিনে দ্রুত ট্রাকে তুলে নিতে হয়। যদি কলা বিক্রির স্থান আরও বাড়ানো ও একটি শেড করা হয় তাহলে ক্রয়-বিক্রি আরও বাড়বে।
বান্দরবান বাজারে বুধ ও রোববার সাপ্তাহিক হাটবার ছাড়াও প্রতিদিনই কলা বিক্রি হয়। বিভিন্ন এলাকার চাষিরা কলার ছড়া নিয়ে বাজারে এসে বিক্রি করছেন।
বান্দরবানের পাহাড়ে কলা চাষিদের বেশির ভাগই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কৃষক। কলা বিক্রি করে অনেকেই আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়েছেন বলে জানা গেছে।
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫পাকিস্তানে ভারতের হামলার সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনও এই হামলাকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে। উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘও। উত্তেজনা যেন আরও না বাড়ে, সে জন্য দুই পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ। এদিকে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করেছে...
০৮ মে ২০২৫