সম্পাদকীয়
প্রেমের পূর্ণতা দেয় বিয়ে—এ রকমটাই বলা হয়ে থাকে। যদিও ঐতিহ্যগতভাবে শুনে আসা বিচ্ছেদ কাহিনিগুলো আমাদের মনকে আকীর্ণ করে। শিরি-ফরহাদ, রোমিও-জুলিয়েট, কি দেবদাস-পার্বতীকে উপন্যাস-নাটকের পাতায় দেখে কিংবা এসব নিয়ে চলচ্চিত্র তৈরি হলে আমরা তা পছন্দ করি।
বিয়ের আনন্দের জন্য ঐতিহ্যগতভাবে অনেক উপাদানই যোগ করা হয়। ঘোড়ায় চড়ে বিয়ে করা তেমনই একটি বিষয়। বর আসবে ঘোড়ায় চড়ে, তাতে ঐতিহ্য রক্ষা হবে—এ রকমই একটি ঘটনা সম্প্রতি ঘটিয়েছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের মিনাজদিয়া চান্দাখোলা গ্রামের হেমায়েত হোসেন। তিনি পার্শ্ববর্তী সোনাপুর গ্রামের মেয়ে সাদিয়া আক্তারকে বিয়ে করতে গেছেন
ঘোড়ায় চড়ে। বিয়ের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই বিলুপ্তপ্রায় গ্রামীণ সংস্কৃতির অংশ ঘোড়ায় চড়ে বিয়ের কথা ভাবেন তিনি। তাতে কনেপক্ষ-বরপক্ষ সবাই খুশি।
বিয়ের বরেরা কত রকমভাবেই যে চমক দেখান! রাজকীয় পোশাক পরে কনেবাড়িতে হাজির হওয়ার ঘটনা কম নয়। হাতিতে চড়েও ঘটে বিয়ের ঘটনা। সিনড্রেলার মতো ঘোড়ায় টানা গাড়িতেও বর আসেন। এ ঘটনাগুলো বিয়ের আনন্দকে বাড়িয়ে দেয়।
বাঙালির বিয়ের ইতিহাসে চোখ রাখলে দেখা যায়, দু-চারটি ব্যতিক্রম বাদে বাঙালি মেয়েদের বিয়ে হতো একেবারে কম বয়সে। ছেলেদের বয়সও খুব বেশি হতো না। দশ বছর বয়সের আগেই বালক-বালিকার বিয়ে হয়ে গেছে, এটা কোনো অবাক কাণ্ড ছিল না এই সমাজে; অর্থাৎ আমরা যাকে এ কালে রোমান্টিক প্রেম বলি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সে রকম প্রেমের অস্তিত্ব তখন ছিল না। তবে অন্যের স্ত্রী বা বিধবা নারীদের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের অস্তিত্ব ছিল। এ কারণে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অনেকটাজুড়েই আছে পরকীয়া প্রেম। বিয়ের ব্যাপারে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে জাত-কুল রক্ষা করে বিয়ে হতো, মুসলমানদের ক্ষেত্রেও আশরাফ-আতরাফের মধ্যে বিয়ে হতো না। ব্যতিক্রম থাকতেই পারে। যেমন চর্যাপদেই সাধারণ বিয়ে এবং অসবর্ণ বিবাহের উল্লেখ আছে।
বাঙালি সমাজকে বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ—এই দুই রকম সমস্যাকে মোকাবিলা করতে হয়েছে বহুকাল। বিশ শতকে এসেই কেবল ইংরেজি শিক্ষিত নাগরিক সমাজে পাত্রই তাঁর পাত্রী নির্বাচন করতে আরম্ভ করেন। এর পর থেকে প্রেম করে বিয়ের ঘটনা বাড়তে থাকে। আর এখন তো এই ডিজিটাল যুগে প্রেমের রকমফের হিসাব করেও বের করা যাবে না।
সমাজ পাল্টে যায়। একসময় যা থাকে অন্যায়, অন্য সময় তা ন্যায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু সবকিছুর মধ্যেই ঐতিহ্যের একটি ধারা সূক্ষ্মভাবে রয়ে যায়। তারই একটি চিত্র হলো ঘোড়ায় চড়ে বিয়ে করতে যাওয়া। এখন তো, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে পালকিতে করে কনে আসেন না। কিন্তু অনেকেই চেষ্টা করেন সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে। ঐতিহ্য টিকে থাকবে, বদলাবে, সময়ের সঙ্গে মিলেমিশে তাতে যুক্ত করবে নতুন উপাদান—এটাই স্বাভাবিক। সবচেয়ে জরুরি হলো, ঘোড়ায় চড়ে হোক, হেঁটে হোক, গাড়িতে করে হোক—যাঁদের বিয়ে হলো, তাঁরা যেন সংসারধর্ম পালন করতে পারেন নিরুপদ্রবে।
প্রেমের পূর্ণতা দেয় বিয়ে—এ রকমটাই বলা হয়ে থাকে। যদিও ঐতিহ্যগতভাবে শুনে আসা বিচ্ছেদ কাহিনিগুলো আমাদের মনকে আকীর্ণ করে। শিরি-ফরহাদ, রোমিও-জুলিয়েট, কি দেবদাস-পার্বতীকে উপন্যাস-নাটকের পাতায় দেখে কিংবা এসব নিয়ে চলচ্চিত্র তৈরি হলে আমরা তা পছন্দ করি।
বিয়ের আনন্দের জন্য ঐতিহ্যগতভাবে অনেক উপাদানই যোগ করা হয়। ঘোড়ায় চড়ে বিয়ে করা তেমনই একটি বিষয়। বর আসবে ঘোড়ায় চড়ে, তাতে ঐতিহ্য রক্ষা হবে—এ রকমই একটি ঘটনা সম্প্রতি ঘটিয়েছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের মিনাজদিয়া চান্দাখোলা গ্রামের হেমায়েত হোসেন। তিনি পার্শ্ববর্তী সোনাপুর গ্রামের মেয়ে সাদিয়া আক্তারকে বিয়ে করতে গেছেন
ঘোড়ায় চড়ে। বিয়ের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই বিলুপ্তপ্রায় গ্রামীণ সংস্কৃতির অংশ ঘোড়ায় চড়ে বিয়ের কথা ভাবেন তিনি। তাতে কনেপক্ষ-বরপক্ষ সবাই খুশি।
বিয়ের বরেরা কত রকমভাবেই যে চমক দেখান! রাজকীয় পোশাক পরে কনেবাড়িতে হাজির হওয়ার ঘটনা কম নয়। হাতিতে চড়েও ঘটে বিয়ের ঘটনা। সিনড্রেলার মতো ঘোড়ায় টানা গাড়িতেও বর আসেন। এ ঘটনাগুলো বিয়ের আনন্দকে বাড়িয়ে দেয়।
বাঙালির বিয়ের ইতিহাসে চোখ রাখলে দেখা যায়, দু-চারটি ব্যতিক্রম বাদে বাঙালি মেয়েদের বিয়ে হতো একেবারে কম বয়সে। ছেলেদের বয়সও খুব বেশি হতো না। দশ বছর বয়সের আগেই বালক-বালিকার বিয়ে হয়ে গেছে, এটা কোনো অবাক কাণ্ড ছিল না এই সমাজে; অর্থাৎ আমরা যাকে এ কালে রোমান্টিক প্রেম বলি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সে রকম প্রেমের অস্তিত্ব তখন ছিল না। তবে অন্যের স্ত্রী বা বিধবা নারীদের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের অস্তিত্ব ছিল। এ কারণে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অনেকটাজুড়েই আছে পরকীয়া প্রেম। বিয়ের ব্যাপারে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে জাত-কুল রক্ষা করে বিয়ে হতো, মুসলমানদের ক্ষেত্রেও আশরাফ-আতরাফের মধ্যে বিয়ে হতো না। ব্যতিক্রম থাকতেই পারে। যেমন চর্যাপদেই সাধারণ বিয়ে এবং অসবর্ণ বিবাহের উল্লেখ আছে।
বাঙালি সমাজকে বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ—এই দুই রকম সমস্যাকে মোকাবিলা করতে হয়েছে বহুকাল। বিশ শতকে এসেই কেবল ইংরেজি শিক্ষিত নাগরিক সমাজে পাত্রই তাঁর পাত্রী নির্বাচন করতে আরম্ভ করেন। এর পর থেকে প্রেম করে বিয়ের ঘটনা বাড়তে থাকে। আর এখন তো এই ডিজিটাল যুগে প্রেমের রকমফের হিসাব করেও বের করা যাবে না।
সমাজ পাল্টে যায়। একসময় যা থাকে অন্যায়, অন্য সময় তা ন্যায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু সবকিছুর মধ্যেই ঐতিহ্যের একটি ধারা সূক্ষ্মভাবে রয়ে যায়। তারই একটি চিত্র হলো ঘোড়ায় চড়ে বিয়ে করতে যাওয়া। এখন তো, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে পালকিতে করে কনে আসেন না। কিন্তু অনেকেই চেষ্টা করেন সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে। ঐতিহ্য টিকে থাকবে, বদলাবে, সময়ের সঙ্গে মিলেমিশে তাতে যুক্ত করবে নতুন উপাদান—এটাই স্বাভাবিক। সবচেয়ে জরুরি হলো, ঘোড়ায় চড়ে হোক, হেঁটে হোক, গাড়িতে করে হোক—যাঁদের বিয়ে হলো, তাঁরা যেন সংসারধর্ম পালন করতে পারেন নিরুপদ্রবে।
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫পাকিস্তানে ভারতের হামলার সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনও এই হামলাকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে। উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘও। উত্তেজনা যেন আরও না বাড়ে, সে জন্য দুই পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ। এদিকে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করেছে...
০৮ মে ২০২৫