শাহীন রহমান, পাবনা
দফায় দফায় বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। দামের এ ঊর্ধ্বগতিতে দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবন। অপেক্ষাকৃত কম দামে টিসিবির পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। অনেক মানুষ টিসিবির ট্রাকের পাশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। পণ্যের তুলনায় ক্রেতা বেশি হওয়ায় পণ্য কিনতে না পেরে অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
গতকাল খুলনা নগরীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, মানভেদে চাল মোটা চাল ৪৫ থেকে ৫০, চিকন ৫৫ থেকে ৭০, সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৫৫ টাকা, পেঁয়াজ ৮০, চিনি ৮৫, মসুর ডাল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, বেগুন ৬০, উচ্ছে ৬০, ঢ্যাঁড়স ৩০, ঝিঙে ৪০, কুশি ৪০ থেকে ৫০, আলু ২০, কাঁকরোল ৪০, পেঁপে ২৫, পটোল ৪০ থেকে ৫০, মিষ্টি কুমড়া ৩০, কাঁচকলা প্রতি হালি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। গত ১০ অক্টোবর প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ছিল ২০০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ আর রসুন ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অথচ ১৫ দিন আগেও মোটা চাল ৪২ থেকে ৪৫, চিকন ৫৩ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হয়। সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১২০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০, চিনি ৭০ টাকা, মসুর ডাল ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কেজিপ্রতি কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা, বেগুন ৫০, উচ্ছে ৬০, ঢ্যাঁড়স ৩০, ঝিঙে ৩০, উচ্ছে ৬০, কুশি ৩০, আলু ২০, কাঁকরোল ৩০ থেকে ৩৫, পেঁপে ২০, পটোল ৩০ থেকে ৩৫, মিষ্টি কুমড়া ২০ থেকে ২৫, কাঁচকলা প্রতি হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আর দেশি পেঁয়াজ ৬০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা, রসুন ৬০ টাকায় বিক্রি হয়।
নগরীর সোনাডাঙ্গার ট্রাক টার্মিনাল পাইকারি কাঁচাবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ও জাকারিয়া বাণিজ্য ভান্ডারের মালিক মো. চাঁন মিয়া এবং মেসার্স বাণিজ্য ভান্ডারের মালিক আব্দুল মালেক জানান, ভারতে পেঁয়াজের দাম বাড়ায় দেশে এ পণ্যটির দাম বেড়েছে। মানভেদে দেশি পেঁয়াজ ৭৫-৮০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৬০-৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এরই মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে এলপি গ্যাসের দাম, সিলিন্ডারপ্রতি ১৪০ টাকা।
এদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের দুর্বিষহ অবস্থা। এ ব্যাপারে খুলনার ছোট বয়রা এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম বলেন, প্রতিদিনই পণ্যের দাম বাড়ছে। কিন্তু আয় বাড়ছে না। সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছে। অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, প্রতিদিনই পণ্যের দাম বাড়ছে। বাজারের এই অস্থিতিশীলতায় হিসাব করে সংসার চালানো সম্ভব হচ্ছে না। অপর দিকে ওষুধ ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান মণি বলেন, আয় তো বাড়ছে না, কিন্তু জিনিসপত্রের দাম ঠিকই বাড়ছে। বাজারের ওপর নিয়ন্ত্রণের দাবিও জানান তিনি। এদিকে নগরীর বাজারগুলোতে নিত্যপণ্যের দামের তালিকা টাঙানোর নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ বিক্রেতা তা মানছেন না। এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।
এ বিষয়ে নগরীর চানমারি বাজারের ক্রেতা আরাফাত হোসেন বলেন, পণ্যের দামের তালিকা টাঙানো থাকলেও ক্রেতারা অন্তত তা দেখে হিসাব করতে পারেন কোন পণ্যের কোন দাম। বা অতিরিক্ত দামে বেচতে গেলেও বিক্রেতাদের কিছুটা জবাবদিহি থাকে। আর তালিকা না থাকায় একেক বিক্রেতা একেক দামে পণ্য বিক্রি করছেন। এদিকে পণ্যের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের আস্থা বাড়ছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্যের ওপর। তবে পণ্যের তুলনায় ক্রেতা বেশি হওয়ায় পণ্য কিনতে না পেরে অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। করেছেন ক্ষোভ প্রকাশ। বিক্রয়কেন্দ্র ও পণ্যের পরিমাণ আরও বাড়ানোর দাবি করেছেন তাঁরা।
খুলনা মহানগরীতে সপ্তাহের শনি থেকে বৃহস্পতিবার ছয় দিন সাতটি পয়েন্টে টিসিবি বিক্রি করছে পেঁয়াজ, চিনি, ডাল ও তেল। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩০ টাকা, চিনি ৫৫, ডাল ৫৫ ও তেল প্রতি লিটার ১০০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। এদিকে জেলা বাজার কর্মকর্তা মো. আব্দুল সালাম তরফদার বলেছেন, পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সময় অভিযান চালানো হয়। এ ছাড়া বিক্রেতারা যাতে অতিরিক্ত দাম নিতে না পারেন, এ জন্য প্রতিটি দোকানে মূল্যতালিকা টাঙানোর নির্দেশনা কার্যকর করা হচ্ছে কি না, সে ব্যাপারেও তদারকি করা হচ্ছে।
দফায় দফায় বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। দামের এ ঊর্ধ্বগতিতে দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবন। অপেক্ষাকৃত কম দামে টিসিবির পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। অনেক মানুষ টিসিবির ট্রাকের পাশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। পণ্যের তুলনায় ক্রেতা বেশি হওয়ায় পণ্য কিনতে না পেরে অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
গতকাল খুলনা নগরীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, মানভেদে চাল মোটা চাল ৪৫ থেকে ৫০, চিকন ৫৫ থেকে ৭০, সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৫৫ টাকা, পেঁয়াজ ৮০, চিনি ৮৫, মসুর ডাল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, বেগুন ৬০, উচ্ছে ৬০, ঢ্যাঁড়স ৩০, ঝিঙে ৪০, কুশি ৪০ থেকে ৫০, আলু ২০, কাঁকরোল ৪০, পেঁপে ২৫, পটোল ৪০ থেকে ৫০, মিষ্টি কুমড়া ৩০, কাঁচকলা প্রতি হালি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। গত ১০ অক্টোবর প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ছিল ২০০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ আর রসুন ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অথচ ১৫ দিন আগেও মোটা চাল ৪২ থেকে ৪৫, চিকন ৫৩ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হয়। সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১২০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০, চিনি ৭০ টাকা, মসুর ডাল ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কেজিপ্রতি কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা, বেগুন ৫০, উচ্ছে ৬০, ঢ্যাঁড়স ৩০, ঝিঙে ৩০, উচ্ছে ৬০, কুশি ৩০, আলু ২০, কাঁকরোল ৩০ থেকে ৩৫, পেঁপে ২০, পটোল ৩০ থেকে ৩৫, মিষ্টি কুমড়া ২০ থেকে ২৫, কাঁচকলা প্রতি হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আর দেশি পেঁয়াজ ৬০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা, রসুন ৬০ টাকায় বিক্রি হয়।
নগরীর সোনাডাঙ্গার ট্রাক টার্মিনাল পাইকারি কাঁচাবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ও জাকারিয়া বাণিজ্য ভান্ডারের মালিক মো. চাঁন মিয়া এবং মেসার্স বাণিজ্য ভান্ডারের মালিক আব্দুল মালেক জানান, ভারতে পেঁয়াজের দাম বাড়ায় দেশে এ পণ্যটির দাম বেড়েছে। মানভেদে দেশি পেঁয়াজ ৭৫-৮০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৬০-৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এরই মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে এলপি গ্যাসের দাম, সিলিন্ডারপ্রতি ১৪০ টাকা।
এদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের দুর্বিষহ অবস্থা। এ ব্যাপারে খুলনার ছোট বয়রা এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম বলেন, প্রতিদিনই পণ্যের দাম বাড়ছে। কিন্তু আয় বাড়ছে না। সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছে। অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, প্রতিদিনই পণ্যের দাম বাড়ছে। বাজারের এই অস্থিতিশীলতায় হিসাব করে সংসার চালানো সম্ভব হচ্ছে না। অপর দিকে ওষুধ ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান মণি বলেন, আয় তো বাড়ছে না, কিন্তু জিনিসপত্রের দাম ঠিকই বাড়ছে। বাজারের ওপর নিয়ন্ত্রণের দাবিও জানান তিনি। এদিকে নগরীর বাজারগুলোতে নিত্যপণ্যের দামের তালিকা টাঙানোর নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ বিক্রেতা তা মানছেন না। এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।
এ বিষয়ে নগরীর চানমারি বাজারের ক্রেতা আরাফাত হোসেন বলেন, পণ্যের দামের তালিকা টাঙানো থাকলেও ক্রেতারা অন্তত তা দেখে হিসাব করতে পারেন কোন পণ্যের কোন দাম। বা অতিরিক্ত দামে বেচতে গেলেও বিক্রেতাদের কিছুটা জবাবদিহি থাকে। আর তালিকা না থাকায় একেক বিক্রেতা একেক দামে পণ্য বিক্রি করছেন। এদিকে পণ্যের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের আস্থা বাড়ছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্যের ওপর। তবে পণ্যের তুলনায় ক্রেতা বেশি হওয়ায় পণ্য কিনতে না পেরে অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। করেছেন ক্ষোভ প্রকাশ। বিক্রয়কেন্দ্র ও পণ্যের পরিমাণ আরও বাড়ানোর দাবি করেছেন তাঁরা।
খুলনা মহানগরীতে সপ্তাহের শনি থেকে বৃহস্পতিবার ছয় দিন সাতটি পয়েন্টে টিসিবি বিক্রি করছে পেঁয়াজ, চিনি, ডাল ও তেল। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩০ টাকা, চিনি ৫৫, ডাল ৫৫ ও তেল প্রতি লিটার ১০০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। এদিকে জেলা বাজার কর্মকর্তা মো. আব্দুল সালাম তরফদার বলেছেন, পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সময় অভিযান চালানো হয়। এ ছাড়া বিক্রেতারা যাতে অতিরিক্ত দাম নিতে না পারেন, এ জন্য প্রতিটি দোকানে মূল্যতালিকা টাঙানোর নির্দেশনা কার্যকর করা হচ্ছে কি না, সে ব্যাপারেও তদারকি করা হচ্ছে।
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫পাকিস্তানে ভারতের হামলার সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনও এই হামলাকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে। উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘও। উত্তেজনা যেন আরও না বাড়ে, সে জন্য দুই পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ। এদিকে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করেছে...
০৮ মে ২০২৫