শেখ আবু হাসান, খুলনা
বেহাল সড়কের কারণে মহানগর খুলনাবাসীকে চরম ভোগান্তি আর কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে। বিশেষ করে খুলনা শহরে প্রবেশ ও বের হওয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে প্রায় অচল। এমনও সড়ক আছে যেখানে ৩ বছর ধরে গর্ত ও খানাখন্দ দেখা যাচ্ছে। এসব সড়কে যানবাহন ও পথচারী চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এছাড়া প্রায় দিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এর ওপর টানা বৃষ্টিতে সড়ক গুলোর অবস্থা আরও নাজুক হয়েছে।
এদিকে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) সড়ক সংস্কারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে ৭ বছর আগে। কিন্তু এখনো কাজ শুরু হয়নি। তাদের এমন উদাসীনতায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, জিরো পয়েন্ট থেকে ময়লাপোতা মোড় পর্যন্ত সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। কিন্তু কাজের গতি অতি মন্থর হওয়ায় যানবাহন চালক ও পথচারীদের দুর্ভোগের শেষ নেই।
যান চলাচলের অনুপযোগী ও অতি ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর মধ্যে রয়েছে, জয় বাংলার মোড় থেকে এম এ বারী লিংক রোড হয়ে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালের মোড়, রূপসা সেতুর পশ্চিম পাশ থেকে শিপইয়ার্ড মোড়, মোস্তফার মোড় থেকে রায়ের মহল হয়ে বয়রা বাজার মোড়, শহর বাইপাস থেকে শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল পর্যন্ত সংযোগ সড়ক। এসব প্রধান সড়কসহ নগরীর মধ্যে মজিদ সরণি, আহসান আহমেদ রোড, সামছুর রহমান রোড, স্যার ইকবাল রোড, বেনী বাবু রোডও দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় যান চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ এসব সড়কের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো হচ্ছে, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ), খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ও খুলনা সিটি করপোরেশন। গতকাল সকালে নগরীর সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকার এম এ বারী লিংক রোড, মোস্তফার মোড় থেকে বয়রা বাজার মোড় পর্যন্ত সড়ক, গল্লামারী থেকে ময়লাপোতা মোড় ও শিপইয়ার্ড রোডে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জয় বাংলা মোড় থেকে ময়ূর ব্রিজ হয়ে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকার এম এ বারী লিংক রোডে বড় বড় গর্ত আর ছোট-বড় জলাশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
এটি ছিল আন্তজেলার যোগাযোগের অন্যতম রুট। কিন্তু কোনো পরিবহন এই সড়ক ব্যবহার করতে পারছে না। অন্যান্য যানবাহন এই সড়ক এড়িয়ে চলছে। স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, ৩ বছর ধরে সড়কটি বেহাল অবস্থায় রয়েছে।
সিটি বাইপাস থেকে শেখ আবু নাসের হাসপাতাল পর্যন্ত সংযোগ সড়কে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাড় ধসে পড়ে আছে, বড় বড় গর্ত আর জলাশয়ে ভরা। এই সড়কে যানবাহন চলাচল করছে না। শিপইয়ার্ড এলাকার সড়কের অবস্থা আরও বেহাল দেখা যায়। গত দু বছর সড়কটি সংস্কার করা হয়নি। সড়কে বড় গর্তগুলো এখন জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, ৭ বছর আগে সড়কটি সংস্কারে প্রায় ২৫৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এখনো কাজ শুরু না হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।
সড়কগুলোর বেহালদশা ও সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী সাবিরুল আলম আজকের পত্রিকাকে জানান, শিপইয়ার্ড সড়ক সংস্কারে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। সরকারি ক্রয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হলেই ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হবে। শেখ আবু নাসের হাসপাতাল সংযোগ সড়কটির সংস্কারের বিষয়ে এখনো কোনো কিছু হয়নি বলে তিনি জানান। জয় বাংলা মোড় থেকে ময়ূর ব্রিজ পর্যন্ত সড়কটি এলজিইডির। বাকি অংশ ময়ূর ব্রিজ থেকে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল পর্যন্ত কেসিসির। এলজিইডির অংশে শিগগির কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে। কেসিসির অংশ এম এ বারী লিংক রোডের বিষয়ে কেসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মসিউজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, শিগগির ঠিকাদার নিয়োগ করে কাজ শুরু করা হবে। চার লেনে উন্নীত করা সড়ক সম্পর্কে সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনিসুজ্জামান মাসুদ জানান, বর্ষা এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণে দেরি হওয়ায় তারা কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। তবে বর্তমানে কাজে গতি আনা হয়েছে।
বেহাল সড়কের কারণে মহানগর খুলনাবাসীকে চরম ভোগান্তি আর কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে। বিশেষ করে খুলনা শহরে প্রবেশ ও বের হওয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে প্রায় অচল। এমনও সড়ক আছে যেখানে ৩ বছর ধরে গর্ত ও খানাখন্দ দেখা যাচ্ছে। এসব সড়কে যানবাহন ও পথচারী চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এছাড়া প্রায় দিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এর ওপর টানা বৃষ্টিতে সড়ক গুলোর অবস্থা আরও নাজুক হয়েছে।
এদিকে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) সড়ক সংস্কারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে ৭ বছর আগে। কিন্তু এখনো কাজ শুরু হয়নি। তাদের এমন উদাসীনতায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, জিরো পয়েন্ট থেকে ময়লাপোতা মোড় পর্যন্ত সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। কিন্তু কাজের গতি অতি মন্থর হওয়ায় যানবাহন চালক ও পথচারীদের দুর্ভোগের শেষ নেই।
যান চলাচলের অনুপযোগী ও অতি ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর মধ্যে রয়েছে, জয় বাংলার মোড় থেকে এম এ বারী লিংক রোড হয়ে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালের মোড়, রূপসা সেতুর পশ্চিম পাশ থেকে শিপইয়ার্ড মোড়, মোস্তফার মোড় থেকে রায়ের মহল হয়ে বয়রা বাজার মোড়, শহর বাইপাস থেকে শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল পর্যন্ত সংযোগ সড়ক। এসব প্রধান সড়কসহ নগরীর মধ্যে মজিদ সরণি, আহসান আহমেদ রোড, সামছুর রহমান রোড, স্যার ইকবাল রোড, বেনী বাবু রোডও দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় যান চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ এসব সড়কের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো হচ্ছে, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ), খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ও খুলনা সিটি করপোরেশন। গতকাল সকালে নগরীর সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকার এম এ বারী লিংক রোড, মোস্তফার মোড় থেকে বয়রা বাজার মোড় পর্যন্ত সড়ক, গল্লামারী থেকে ময়লাপোতা মোড় ও শিপইয়ার্ড রোডে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জয় বাংলা মোড় থেকে ময়ূর ব্রিজ হয়ে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকার এম এ বারী লিংক রোডে বড় বড় গর্ত আর ছোট-বড় জলাশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
এটি ছিল আন্তজেলার যোগাযোগের অন্যতম রুট। কিন্তু কোনো পরিবহন এই সড়ক ব্যবহার করতে পারছে না। অন্যান্য যানবাহন এই সড়ক এড়িয়ে চলছে। স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, ৩ বছর ধরে সড়কটি বেহাল অবস্থায় রয়েছে।
সিটি বাইপাস থেকে শেখ আবু নাসের হাসপাতাল পর্যন্ত সংযোগ সড়কে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাড় ধসে পড়ে আছে, বড় বড় গর্ত আর জলাশয়ে ভরা। এই সড়কে যানবাহন চলাচল করছে না। শিপইয়ার্ড এলাকার সড়কের অবস্থা আরও বেহাল দেখা যায়। গত দু বছর সড়কটি সংস্কার করা হয়নি। সড়কে বড় গর্তগুলো এখন জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, ৭ বছর আগে সড়কটি সংস্কারে প্রায় ২৫৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এখনো কাজ শুরু না হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।
সড়কগুলোর বেহালদশা ও সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী সাবিরুল আলম আজকের পত্রিকাকে জানান, শিপইয়ার্ড সড়ক সংস্কারে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। সরকারি ক্রয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হলেই ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হবে। শেখ আবু নাসের হাসপাতাল সংযোগ সড়কটির সংস্কারের বিষয়ে এখনো কোনো কিছু হয়নি বলে তিনি জানান। জয় বাংলা মোড় থেকে ময়ূর ব্রিজ পর্যন্ত সড়কটি এলজিইডির। বাকি অংশ ময়ূর ব্রিজ থেকে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল পর্যন্ত কেসিসির। এলজিইডির অংশে শিগগির কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে। কেসিসির অংশ এম এ বারী লিংক রোডের বিষয়ে কেসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মসিউজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, শিগগির ঠিকাদার নিয়োগ করে কাজ শুরু করা হবে। চার লেনে উন্নীত করা সড়ক সম্পর্কে সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনিসুজ্জামান মাসুদ জানান, বর্ষা এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণে দেরি হওয়ায় তারা কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। তবে বর্তমানে কাজে গতি আনা হয়েছে।
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫পাকিস্তানে ভারতের হামলার সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনও এই হামলাকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে। উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘও। উত্তেজনা যেন আরও না বাড়ে, সে জন্য দুই পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ। এদিকে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করেছে...
০৮ মে ২০২৫