সম্পাদকীয়
দুলাভাইদের কাজের পরিধি বেড়েছে। শ্যালিকা কারও সঙ্গে প্রেম করবে কি করবে না, সেদিকেও খেয়াল রাখা শুরু করেছেন কোনো কোনো দুলাভাই। খাগড়াছড়িতে এক দুলাভাই শ্যালিকাকে প্রেমিকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন শ্যালিকাকে। এরপর পালিয়ে যান। পুলিশ পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
দুলাভাই মানে বোনের স্বামী। হ্যাঁ, কোনো সন্দেহ নেই, তিনি বৃহত্তর পরিবারের অংশ। বিয়ে নামক সামাজিক চুক্তির পর দুই পরিবারের মধ্যে যে সম্পর্ক হয়, সেটা খুবই স্বাভাবিক এক ভালোবাসার সম্পর্ক। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমাদের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্কগুলোর মধ্যেও
এমন সব অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটে চলেছে, যার ব্যাখ্যা করা কঠিন। আমাদের দুলাভাইয়েরা পরিবারের কর্তা সেজে এখন পরিবারের অন্যদের ওপর ছড়ি ঘোরানো শুরু করেছেন। খাগড়াছড়ির ঘটনায় শ্বশুর যে শ্যালিকাকে শায়েস্তা করার দায়িত্ব দেননি দুলাভাইকে, সেটা থানায় শ্বশুরের মামলা করা থেকেই বোঝা যাচ্ছে। এর চেয়ে বড় কথা, শ্বশুর হোক, জামাতা হোক, তাঁর কি অধিকার আছে, প্রেম করার কারণে কারও প্রাণ কেড়ে নেওয়ার?
এ ঘটনার একটি দিক হলো পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের যথেচ্ছাচার, আরেকটি হলো, সামাজিক সম্পর্কগুলোর জটিলতা। সম্পর্কগুলো হয়ে উঠছে একরৈখিক। কেউ কাউকে বুঝতে চাইছে না। যে যার কথা বলছে ঠিকই, কিন্তু কেউ কারও কথা শুনছে না। কথোপকথনে কোনো সংযোগ তৈরি হচ্ছে না। ফলে যে যেটা ভালো মনে করে, সে শুধু তাতেই স্থির হয়, অন্যজন কী বলছে, সেই বলায় যুক্তি থাকছে কি না, সেসব অবান্তর। যোগাযোগ হচ্ছে না একে অন্যের সঙ্গে। এই সবকিছুর যোগফল হলো সহিংসতা। কে কাকে মারছে, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। ‘হাত থাকতে মুখে কী’ হয়ে উঠেছে স্বাভাবিক ভাষ্য।
আর এই মনস্তত্ত্বের কারণেই খাগড়াছড়ির শ্যালিকা এখন লাশে পরিণত হলেন। দুলাভাই যদি নিজের কৃতকর্মকে ঠিক বলেই মনে করতেন, তাহলে পালাতেন না; বরং সাহসী কণ্ঠেই বলতে পারতেন, যা করেছেন, ঠিক করেছেন। সে কথা তিনি বলতে পারছেন না, কারণ তিনি মূলত হত্যা করেছেন একজন মানুষকে। হত্যার পক্ষে সাফাই গাওয়ার কোনো যুক্তিসংগত কারণ নেই।
জীবনানন্দ দাশ পৃথিবীর যে ‘গভীর অসুখ’-এর কথা বলেছিলেন, এ ধরনের ঘটনায় তা মূর্ত হয়ে ওঠে। মানুষে মানুষে স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য মনের সঙ্গে মনের সংযোগটা সবচেয়ে জরুরি। সেই সংযোগের ক্ষেত্রেই ‘গভীর অসুখ’ এসে বাদ সেধেছে। একের ভাষা অন্যজন আর বুঝতে পারছে না।
প্রসঙ্গক্রমে আরও একটা কথা বলা দরকার, পারিবারিকভাবে এমন একটা দিক-নির্দেশনা থাকা উচিত, যা পরিবারের কোনো সদস্যের রুচি, ব্যবহার, মানবতা ইত্যাদি গঠন করে দেবে। তাকে সহানুভূতিশীল হতে শেখাবে। ক্ষমতা আর আবেগ সম্পর্কের নিয়ামক শক্তি হয়ে উঠবে না। কিন্তু আমরা সেদিকে এগোচ্ছি কি এগোচ্ছি না, সেটাই লাখ টাকার প্রশ্ন। আসলে ক্ষয়রোগটা কত দূর ছড়িয়েছে, তা নিয়ে গবেষণা হওয়া জরুরি, নইলে দুলাভাইয়েরা অন্যের প্রাণ হরণে পরোয়া করবেন না।
দুলাভাইদের কাজের পরিধি বেড়েছে। শ্যালিকা কারও সঙ্গে প্রেম করবে কি করবে না, সেদিকেও খেয়াল রাখা শুরু করেছেন কোনো কোনো দুলাভাই। খাগড়াছড়িতে এক দুলাভাই শ্যালিকাকে প্রেমিকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন শ্যালিকাকে। এরপর পালিয়ে যান। পুলিশ পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
দুলাভাই মানে বোনের স্বামী। হ্যাঁ, কোনো সন্দেহ নেই, তিনি বৃহত্তর পরিবারের অংশ। বিয়ে নামক সামাজিক চুক্তির পর দুই পরিবারের মধ্যে যে সম্পর্ক হয়, সেটা খুবই স্বাভাবিক এক ভালোবাসার সম্পর্ক। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমাদের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্কগুলোর মধ্যেও
এমন সব অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটে চলেছে, যার ব্যাখ্যা করা কঠিন। আমাদের দুলাভাইয়েরা পরিবারের কর্তা সেজে এখন পরিবারের অন্যদের ওপর ছড়ি ঘোরানো শুরু করেছেন। খাগড়াছড়ির ঘটনায় শ্বশুর যে শ্যালিকাকে শায়েস্তা করার দায়িত্ব দেননি দুলাভাইকে, সেটা থানায় শ্বশুরের মামলা করা থেকেই বোঝা যাচ্ছে। এর চেয়ে বড় কথা, শ্বশুর হোক, জামাতা হোক, তাঁর কি অধিকার আছে, প্রেম করার কারণে কারও প্রাণ কেড়ে নেওয়ার?
এ ঘটনার একটি দিক হলো পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের যথেচ্ছাচার, আরেকটি হলো, সামাজিক সম্পর্কগুলোর জটিলতা। সম্পর্কগুলো হয়ে উঠছে একরৈখিক। কেউ কাউকে বুঝতে চাইছে না। যে যার কথা বলছে ঠিকই, কিন্তু কেউ কারও কথা শুনছে না। কথোপকথনে কোনো সংযোগ তৈরি হচ্ছে না। ফলে যে যেটা ভালো মনে করে, সে শুধু তাতেই স্থির হয়, অন্যজন কী বলছে, সেই বলায় যুক্তি থাকছে কি না, সেসব অবান্তর। যোগাযোগ হচ্ছে না একে অন্যের সঙ্গে। এই সবকিছুর যোগফল হলো সহিংসতা। কে কাকে মারছে, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। ‘হাত থাকতে মুখে কী’ হয়ে উঠেছে স্বাভাবিক ভাষ্য।
আর এই মনস্তত্ত্বের কারণেই খাগড়াছড়ির শ্যালিকা এখন লাশে পরিণত হলেন। দুলাভাই যদি নিজের কৃতকর্মকে ঠিক বলেই মনে করতেন, তাহলে পালাতেন না; বরং সাহসী কণ্ঠেই বলতে পারতেন, যা করেছেন, ঠিক করেছেন। সে কথা তিনি বলতে পারছেন না, কারণ তিনি মূলত হত্যা করেছেন একজন মানুষকে। হত্যার পক্ষে সাফাই গাওয়ার কোনো যুক্তিসংগত কারণ নেই।
জীবনানন্দ দাশ পৃথিবীর যে ‘গভীর অসুখ’-এর কথা বলেছিলেন, এ ধরনের ঘটনায় তা মূর্ত হয়ে ওঠে। মানুষে মানুষে স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য মনের সঙ্গে মনের সংযোগটা সবচেয়ে জরুরি। সেই সংযোগের ক্ষেত্রেই ‘গভীর অসুখ’ এসে বাদ সেধেছে। একের ভাষা অন্যজন আর বুঝতে পারছে না।
প্রসঙ্গক্রমে আরও একটা কথা বলা দরকার, পারিবারিকভাবে এমন একটা দিক-নির্দেশনা থাকা উচিত, যা পরিবারের কোনো সদস্যের রুচি, ব্যবহার, মানবতা ইত্যাদি গঠন করে দেবে। তাকে সহানুভূতিশীল হতে শেখাবে। ক্ষমতা আর আবেগ সম্পর্কের নিয়ামক শক্তি হয়ে উঠবে না। কিন্তু আমরা সেদিকে এগোচ্ছি কি এগোচ্ছি না, সেটাই লাখ টাকার প্রশ্ন। আসলে ক্ষয়রোগটা কত দূর ছড়িয়েছে, তা নিয়ে গবেষণা হওয়া জরুরি, নইলে দুলাভাইয়েরা অন্যের প্রাণ হরণে পরোয়া করবেন না।
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫পাকিস্তানে ভারতের হামলার সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনও এই হামলাকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে। উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘও। উত্তেজনা যেন আরও না বাড়ে, সে জন্য দুই পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ। এদিকে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করেছে...
০৮ মে ২০২৫