সম্পাদকীয়
কক্সবাজারের রামুর দীপ্ত বড়ুয়া গিয়েছিলেন সূর্যের হাসি ক্লিনিকে তাঁর ভাই শিপ্ত বড়ুয়ার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে। পরে ল্যাব টেকনোলজিস্ট মো. আকতারুজ্জামান যেসব রিপোর্ট দেন, সেগুলো কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক আরিফুর রহমান দেখে ভুয়া বলে জানান! তাই সত্যতা নিশ্চিত করতে রামু পপুলার প্যাথলজিতে একই পরীক্ষা করালে সূর্যের হাসির দেওয়া রিপোর্টগুলোর সঙ্গে তার কোনো মিল পাওয়া যায়নি। এরপর আকতারুজ্জামানকে প্রশ্নবাণে পাকড়াও করলে তিনি স্বীকার করে নেন যে পরীক্ষায় যেসব রি-এজেন্ট দরকার ছিল, সেগুলো তাঁদের কাছে নেই বিধায় তাঁরা ভুয়া রিপোর্ট দিয়েছেন। অথচ পরীক্ষা বাবদ ফি নিতে ভোলেননি। তাই দীপ্ত বড়ুয়া এ নিয়ে অভিযোগ করেছেন বলে খবর বেরিয়েছে আজকের পত্রিকায়।
আমরা মুখে বলে থাকি চিকিৎসা, শিক্ষা, বাসস্থান ইত্যাদি আমাদের মৌলিক অধিকার। কিন্তু এসব সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব কাণ্ডকারখানা ঘটে, তা একই সঙ্গে ট্র্যাজিক এবং কমিক। গ্রাহকেরা সেবা পাওয়ার নামে যে হয়রানির শিকার হন, তা যেমন ট্র্যাজিক, আবার সেবা দেওয়ার নাম করে যারা একের পর এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটাতে থাকে, সেগুলো কমিকও বটে। তাই একসঙ্গে এসব কাণ্ডকে ‘ট্র্যাজিকমেডি’ বললে ভুল হবে না। ঠিক এই জায়গাতেই আমাদের চোখে দেখা উন্নয়নও ফিকে হয়ে আসে।
একটা অসুখ শুধু একজন মানুষের শরীরেই বাসা বাঁধে না, সংকটের মুখে ফেলে দেয় ওই মানুষটির পুরো পরিবারকে—মানসিক ও আর্থিক দুভাবেই। একজন রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে গেলে স্বাভাবিকভাবেই রোগ নির্ণয়ের জন্য তাঁকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হয়। এই পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল, অর্থাৎ টেস্ট রিপোর্ট যারা দেয়, তারা যদি পরীক্ষার মালমসলা ছাড়াই মনগড়া রিপোর্ট দিয়ে দেয়, তাহলে তো তা ওই রোগীর জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হলো।
এখানে বলা যেত, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, তাকে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু সেগুলোর সঙ্গে মূলত যে কথাটা বলা জরুরি তা হলো, যাঁরা মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন, তাঁরা কাউকে গিনিপিগ বানাতে পারেন না, তাঁর সঙ্গে যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন না। সেটা এক ভয়াবহ ব্যাপার।
আরেকটা ব্যাপার এখানে বলা জরুরি। আমলাতন্ত্রের কাজই হলো পাবলিককে ‘সার্ভিস’ বা ‘সেবা’ দেওয়া। আমলারা হচ্ছেন ‘পাবলিক সার্ভেন্ট’, অর্থাৎ জনগণের চাকর। কিন্তু আমাদের সমাজে আমলাতন্ত্র গড়ে উঠেছে ভিন্নভাবে। জনগণের চাকরেরা এখানে জনগণের প্রভু হিসেবে ভূমিকা পালন করতে বরং আনন্দ পান।
অন্যান্য সেবাদানকারী সংস্থাও কি জনগণের প্রভু বলে নিজেদের ভাবতে শুরু করেছে? এই যে অসুস্থ মানসিকতা, তা চিকিৎসা থেকে শুরু করে সব মৌলিক অধিকারের স্তরে পৌঁছে গেছে দুঃখজনকভাবে। সেবাদানকারীদের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন না হলে সমস্যা গোড়াতেই থেকে যাবে, ছড়িয়ে যাবে আরও বেশি।
তাই এ ক্ষেত্রে পরিবর্তনের কথাই বলতে হবে বারবার। যেন অসততা করে কেউ পার না পায়, সেটাই নিশ্চিত করতে হবে। তবে সে পথ খুব সহজ বলে মনে হচ্ছে না।
কক্সবাজারের রামুর দীপ্ত বড়ুয়া গিয়েছিলেন সূর্যের হাসি ক্লিনিকে তাঁর ভাই শিপ্ত বড়ুয়ার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে। পরে ল্যাব টেকনোলজিস্ট মো. আকতারুজ্জামান যেসব রিপোর্ট দেন, সেগুলো কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক আরিফুর রহমান দেখে ভুয়া বলে জানান! তাই সত্যতা নিশ্চিত করতে রামু পপুলার প্যাথলজিতে একই পরীক্ষা করালে সূর্যের হাসির দেওয়া রিপোর্টগুলোর সঙ্গে তার কোনো মিল পাওয়া যায়নি। এরপর আকতারুজ্জামানকে প্রশ্নবাণে পাকড়াও করলে তিনি স্বীকার করে নেন যে পরীক্ষায় যেসব রি-এজেন্ট দরকার ছিল, সেগুলো তাঁদের কাছে নেই বিধায় তাঁরা ভুয়া রিপোর্ট দিয়েছেন। অথচ পরীক্ষা বাবদ ফি নিতে ভোলেননি। তাই দীপ্ত বড়ুয়া এ নিয়ে অভিযোগ করেছেন বলে খবর বেরিয়েছে আজকের পত্রিকায়।
আমরা মুখে বলে থাকি চিকিৎসা, শিক্ষা, বাসস্থান ইত্যাদি আমাদের মৌলিক অধিকার। কিন্তু এসব সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব কাণ্ডকারখানা ঘটে, তা একই সঙ্গে ট্র্যাজিক এবং কমিক। গ্রাহকেরা সেবা পাওয়ার নামে যে হয়রানির শিকার হন, তা যেমন ট্র্যাজিক, আবার সেবা দেওয়ার নাম করে যারা একের পর এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটাতে থাকে, সেগুলো কমিকও বটে। তাই একসঙ্গে এসব কাণ্ডকে ‘ট্র্যাজিকমেডি’ বললে ভুল হবে না। ঠিক এই জায়গাতেই আমাদের চোখে দেখা উন্নয়নও ফিকে হয়ে আসে।
একটা অসুখ শুধু একজন মানুষের শরীরেই বাসা বাঁধে না, সংকটের মুখে ফেলে দেয় ওই মানুষটির পুরো পরিবারকে—মানসিক ও আর্থিক দুভাবেই। একজন রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে গেলে স্বাভাবিকভাবেই রোগ নির্ণয়ের জন্য তাঁকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হয়। এই পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল, অর্থাৎ টেস্ট রিপোর্ট যারা দেয়, তারা যদি পরীক্ষার মালমসলা ছাড়াই মনগড়া রিপোর্ট দিয়ে দেয়, তাহলে তো তা ওই রোগীর জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হলো।
এখানে বলা যেত, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, তাকে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু সেগুলোর সঙ্গে মূলত যে কথাটা বলা জরুরি তা হলো, যাঁরা মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন, তাঁরা কাউকে গিনিপিগ বানাতে পারেন না, তাঁর সঙ্গে যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন না। সেটা এক ভয়াবহ ব্যাপার।
আরেকটা ব্যাপার এখানে বলা জরুরি। আমলাতন্ত্রের কাজই হলো পাবলিককে ‘সার্ভিস’ বা ‘সেবা’ দেওয়া। আমলারা হচ্ছেন ‘পাবলিক সার্ভেন্ট’, অর্থাৎ জনগণের চাকর। কিন্তু আমাদের সমাজে আমলাতন্ত্র গড়ে উঠেছে ভিন্নভাবে। জনগণের চাকরেরা এখানে জনগণের প্রভু হিসেবে ভূমিকা পালন করতে বরং আনন্দ পান।
অন্যান্য সেবাদানকারী সংস্থাও কি জনগণের প্রভু বলে নিজেদের ভাবতে শুরু করেছে? এই যে অসুস্থ মানসিকতা, তা চিকিৎসা থেকে শুরু করে সব মৌলিক অধিকারের স্তরে পৌঁছে গেছে দুঃখজনকভাবে। সেবাদানকারীদের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন না হলে সমস্যা গোড়াতেই থেকে যাবে, ছড়িয়ে যাবে আরও বেশি।
তাই এ ক্ষেত্রে পরিবর্তনের কথাই বলতে হবে বারবার। যেন অসততা করে কেউ পার না পায়, সেটাই নিশ্চিত করতে হবে। তবে সে পথ খুব সহজ বলে মনে হচ্ছে না।
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫পাকিস্তানে ভারতের হামলার সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনও এই হামলাকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে। উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘও। উত্তেজনা যেন আরও না বাড়ে, সে জন্য দুই পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ। এদিকে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করেছে...
০৮ মে ২০২৫