
১৯৯০ সাল থেকে কার্বন নিঃসরণের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় ১০ ট্রিলিয়ন বা ১০ লাখ কোটি ডলারের ক্ষতির জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটিতে দেখা যায়, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে যে পরিমাণ অর্থনৈতিক লোকসান হয়েছে, তার পেছনে একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি অবদান যুক্তরাষ্ট্রের।
বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ‘নেচার’-এ প্রকাশিত ওই গবেষণা অনুযায়ী, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ চীন একই সময়ে প্রায় ৯ ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষতির জন্য দায়ী বলে অনুমান করা হয়েছে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিঃসরণজনিত কারণে হওয়া মোট ক্ষতির প্রায় এক-চতুর্থাংশ খোদ দেশটির ওপরই প্রভাব ফেলেছে। তবে এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দরিদ্র দেশগুলো। হিসাব অনুযায়ী, ভারতের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার এবং ব্রাজিলের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩৩০ বিলিয়ন ডলার।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞানী মার্শাল বার্কের নেতৃত্বে এই গবেষণা পরিচালিত হয়। তিনি জানান, দীর্ঘ মেয়াদে কার্বন নিঃসরণ কীভাবে পর্যায়ক্রমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ধীর করে দিয়েছে, তা-ই এই ফলাফলে উঠে এসেছে। তাঁর মতে, কয়েক দশক ধরে এই ক্ষতির পরিমাণ পুঞ্জীভূত হয়ে এখন এক বিশাল আকার ধারণ করেছে।
মূলত তাপমাত্রা বৃদ্ধি কীভাবে উৎপাদনশীলতা, জনস্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক আউটপুটের ওপর প্রভাব ফেলে, তার ওপর ভিত্তি করেই এই গবেষণা করা হয়েছে। যদিও এতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সব ধরনের ক্ষয়ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, তবে নিঃসরণের সঙ্গে অর্থনৈতিক মন্দার একটি পরিমাপযোগ্য যোগসূত্র এতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উন্নয়নশীল দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছে যে, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি মোকাবিলায় ধনী দেশগুলোর আর্থিক সহায়তা দেওয়া উচিত। এর মধ্যে দাবদাহ, বন্যা, খরা ও ফসলহানির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতিও অন্তর্ভুক্ত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গবেষণা জবাবদিহির প্রশ্নকে আরও জোরালো করেছে। তবে কিছু অর্থনীতিবিদের মতে, দরিদ্র দেশগুলোর ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রকৃত প্রভাব এই অনুমানের চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে।

ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন ভাব বজায় থাকতে পারে। সেই সঙ্গে বেলা ১টার মধ্যে যেকোনো সময় এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
১০ ঘণ্টা আগে
রাজধানী ঢাকাসহ আজ রোববার সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর ফলে রাজধানীতে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও দেশের অন্যান্য স্থানে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে ভ্যাপসা গরম কমার সম্ভাবনা সামান্যই।
১ দিন আগে
আজ সকাল থেকে ঢাকা ও এর আশপাশের অঞ্চলের আকাশ রয়েছে মেঘাচ্ছন্ন। আবহাওয়ার সকাল ৭টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বেলা ১টা পর্যন্ত ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এর সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
২ দিন আগে
দিনভর রোদের ভ্যাপসা গরমের পর বিকেলে আচমকা ঝুম বৃষ্টি কিছুক্ষণের মধ্যেই অনেকটা অস্বস্তিতে রূপ নেয়। প্রায় ঘণ্টাখানেকের টানা বর্ষণে দুর্ভোগ দেখা দেয় খোলা আকাশের নিচে কর্মব্যস্ততায় ছুটে চলা মানুষের। আর সেই বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী...
৩ দিন আগে