
এখন গ্রীষ্মকাল। জ্যৈষ্ঠের মাঝামাঝি চলছে। দেশের কোথাও ঝরছে বৃষ্টি, কোনো এলাকা পুড়ছে গরমে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ঈদের দিনও আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়া থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের দিন রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব অঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। দিনের বেশির ভাগ সময় আকাশ মেঘলা থাকতে পারে।
অন্যদিকে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক কম থাকতে পারে। বিশেষ করে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোয় ভ্যাপসা গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদেরা।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-মধ্যাঞ্চলের বিভাগগুলোয় ঈদের দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। তবে মধ্যাঞ্চল এবং দক্ষিণের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে স্বল্পস্থায়ী বৃষ্টি হতে পারে।
ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক আরও বলেন, বৃষ্টির কারণে সারা দেশে তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। তবে গরমের তীব্রতা পুরোপুরি কমবে না। বেশির ভাগ এলাকায়ই ভ্যাপসা আবহাওয়া থাকবে।
রাজধানী ঢাকায়ও ঈদের আগের রাত থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঈদের দিন সকালেও হালকা বৃষ্টি হতে পারে। তবে সেটি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা।
এদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও লক্ষ্মীপুর জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। আপাতত এ পরিস্থিতির বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস নেই।
আজ সোমবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেটে ১৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে নোয়াখালীর মাইজদী কোর্টে ৯৫ মিলিমিটার। এ ছাড়া ফেনী, রাঙামাটি ও ঢাকায়ও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের কয়েকটি নদীবন্দরের জন্য সতর্কবার্তাও দিয়েছে। ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাজধানী ঢাকাসহ আজ রোববার সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর ফলে রাজধানীতে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও দেশের অন্যান্য স্থানে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে ভ্যাপসা গরম কমার সম্ভাবনা সামান্যই।
১৯ ঘণ্টা আগে
আজ সকাল থেকে ঢাকা ও এর আশপাশের অঞ্চলের আকাশ রয়েছে মেঘাচ্ছন্ন। আবহাওয়ার সকাল ৭টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বেলা ১টা পর্যন্ত ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এর সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
২ দিন আগে
দিনভর রোদের ভ্যাপসা গরমের পর বিকেলে আচমকা ঝুম বৃষ্টি কিছুক্ষণের মধ্যেই অনেকটা অস্বস্তিতে রূপ নেয়। প্রায় ঘণ্টাখানেকের টানা বর্ষণে দুর্ভোগ দেখা দেয় খোলা আকাশের নিচে কর্মব্যস্ততায় ছুটে চলা মানুষের। আর সেই বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী...
২ দিন আগে
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার বরিশাল ছাড়া বাকি ৭ বিভাগেই বৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৭২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে খুলনায়। এদিন ঢাকায় ৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও পাশের জেলায় টাঙ্গাইলে যার পরিমাণ ছিল ৩৭ মিলিমিটার। এ ছাড়া কুড়িগ্রামের রাজারহাটে বৃষ্টি হয়েছে ৪৮ মিলিমিটার।
৩ দিন আগে