
অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের আলাদা হওয়ার গুঞ্জন কয়েক মাস ধরে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে। বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মধ্যে সম্প্রতি স্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ অভিষেক। মেয়ে আরাধ্যার দেখাশোনা করার জন্য ঐশ্বরিয়ার প্রশংসা করেছেন তিনি। দ্য হিন্দু পত্রিকায় এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক স্মরণ করেছেন কীভাবে ঐশ্বরিয়া অভিনয় ক্যারিয়ার থেকে বিরতি নিয়েছিলেন সন্তানদের জন্য, বিশেষ করে যখন আরাধ্যা জন্ম নেয়।
অভিনেতা বলেন, ‘আমার মা আমার জন্মের পর অভিনয় ছেড়ে দিয়েছিলেন, কারণ তিনি চেয়েছিলেন সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটাতে। আমরা কখনোই বাবার অনুপস্থিতি অনুভব করিনি। আমি মনে করি, কাজের শেষে আপনি রাতে যখন বাড়ি ফিরে আসেন, তখনই সবকিছু ঠিক হয়ে যায়।’
পরিচালক সুজিত সরকার যখন জয়ার সন্তানের জন্য করা ত্যাগের কথা উল্লেখ করেন, তখন অভিষেক তাঁর নিজের জীবনও উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন, বিশেষ করে তাঁর স্ত্রী ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে। অভিনেতা বলেন, ‘আমি ভাগ্যবান যে আমি বাইরে গিয়ে সিনেমার কাজ করতে পারি। কিন্তু আমি জানি যে ঐশ্বরিয়া বাড়িতে আরাধ্যার সঙ্গে আছে এবং আমি এর জন্য অসীম কৃতজ্ঞ।’
অভিনেতা এ-ও বলেন, ‘আমি মনে করি, বাচ্চারা এটা এভাবে দেখে না। তারা আপনাকে তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে দেখে না, তারা আপনাকে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে দেখে।’
গত সপ্তাহে ঐশ্বরিয়া ইনস্টাগ্রামে তাঁর জীবনের দুটি বিশেষ মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছিলে, মেয়ে আরাধ্যার জন্মদিনের উদ্যাপন এবং তাঁর বাবা কৃষ্ণরাজ রাইয়ের জন্মবার্ষিকী। একটি ছবিতে দেখা যায়, আরাধ্যা শ্রদ্ধার সঙ্গে তার প্রয়াত নানার একটি প্রতিকৃতির সামনে মাথা নত করছে। অন্য একটি ছবিতে ঐশ্বরিয়া, আরাধ্যা ও ঐশ্বরিয়া মা ব্রিনদ্যা রাইয়ের সঙ্গে পোজ দিয়েছেন।

পোস্ট করা আরও একটি ছবি ভক্তদের হৃদয়ে ঝড় তুলে, যেটি ছিল নবজাতক আরাধ্যাকে কোলে নিয়ে আছেন ঐশ্বররিয়া। আর শেষ ছবিটি ছিল মুম্বাইয়ে আরাধ্যার জন্মদিনের উদ্যাপন। ক্যাপশনে ঐশ্বরিয়া লিখেছিলেন, ‘আমার জীবনের চিরকালীন ভালোবাসা প্রিয় বাবা-আজ্জা এবং আমার প্রিয় আরাধ্যাকে শুভ জন্মদিন। আমার হৃদয়, আমার আত্মা...চিরকাল ও তার পরেও।’
তবে ছবিতে অভিষেকে অনুপস্থিতি নজর এড়ায়নি নেটিজেনদের। অভিনেতার অনুপস্থিতি তাঁদের আলাদা হওয়ার গুঞ্জনকেই আরও তীব্র করেছে। তবে এ নিয়ে কিছুদিন আগে মুখ খুলেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। এক ব্লকে বিগ-বি লিখেছিলেন, গুজব শুধুমাত্র গুজব, যা যাচাই করা হয় না। আমি আমার পরিবারের সম্পর্কে খুব একটা কথা বলি না। কারণ এটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত ক্ষেত্র ও এর গোপনীয়তা রক্ষা করার দায়িত্ব একান্ত আমারই। তবে এটুকুই বলতে চাই তথ্যপ্রমাণ ছাড়া এভাবে কিছু গুজব ছড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়। কথা না শুনেই, যাচাই না করেই যা ইচ্ছে তাই লিখে দেওয়া হচ্ছে।

খবর রটে সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে নাকি বচ্চন পরিবারের অন্দরে অশান্তি শুরু। মেয়েকে শ্বেতা নন্দাকে বিলাসবহুল বাংলো ‘প্রতীক্ষা’ উপহার দেওয়ায় বউমা ঐশ্বরিয়া চটে যান। এ নিয়ে ননদ শ্বেতা ও শাশুড়ি জয়ার সঙ্গে কোন্দলে বাড়ি ছাড়েন ঐশ্বরিয়া। এর মধ্যে অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের সময় থেকেই ঐশ্বরিয়া-অভিষেক বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনা ঘনীভূত হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় বচ্চন পরিবারের সঙ্গে দেখা যায়নি ঐশ্বরিয়াকে। একে একে দুই মিলাতে থাকেন নেটিজেনরা।
এদিকে আবার অভিষেকের সঙ্গে নাম জুড়েছে নিমরত কৌরের। গুঞ্জন ওঠে ‘দসভি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় একে-অপরের কাছে আসেন। সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির কারণেই না-কি তাঁদের দাম্পত্য জীবন ভাঙতে বসেছে। অভিষেক-ঐশ্বরিয়া ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে বিয়ে করেন। ২০১১ সালের নভেম্বরে এই তারকা দম্পতির কোলজুড়ে আসে একমাত্র মেয়ে আরাধ্যা বচ্চন।

এই রোজার ঈদে নিজের তৃতীয় সিনেমা নিয়ে আসছেন আফরান নিশো। সত্য ঘটনা অবলম্বনে ‘দম’ নামের সিনেমাটি বানিয়েছেন রেদওয়ান রনি। ঈদের সময় ঘনিয়ে এলেও সিনেমার প্রচার খুব একটা চোখে পড়ছিল না। অবশেষে অফিশিয়াল পোস্টার প্রকাশের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দমের আনুষ্ঠানিক প্রচার।
৫ ঘণ্টা আগে
লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের রঙিন দুনিয়ায় থাকেন চলচ্চিত্রের মানুষেরা। যশ আর খ্যাতি যেন ঘিরে থাকে চারপাশ। শেষ বয়সে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখার অভিজ্ঞতাও হয় অনেকের। বয়স হয়েছে বলে কেউ তাঁদের কাজে নিতে চান না, এমনকি খোঁজখবরও নেন না—সিনিয়র শিল্পীদের মুখে প্রায়ই এমন আক্ষেপের কথা শোনা যায়।
৫ ঘণ্টা আগে
স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় অভিনেতা যাহের আলভীকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার পল্লবী থানায় ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে এই মামলা করেন। গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান।
৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যবিত্তের টানাপোড়েনের গল্পে তৈরি হলো বিটিভির এ সপ্তাহের নাটক ‘থাকে তবু ভালোবাসা’। একটি পরিবারকে ঘিরে কাহিনি। অভিনয় করেছেন গোলাম কিবরিয়া তানভীর, নাবিলা ইসলাম, শিশুশিল্পী নাবিহাসহ অনেকে। নাটকের টাইটেল গান লিখেছেন জনি হক। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন মুরাদ নূর। কণ্ঠ দিয়েছেন সেনিজ।
১৭ ঘণ্টা আগে