প্রতিকূলতা আটকাতে পারেনি সুমাইয়া আক্তারকে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে তিনি ঢাকার মুগদা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়েছেন। অভাবের সংসারে সুমাইয়ার সাফল্যে এলাকাবাসী খুশি হলেও লেখাপড়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে তাঁর পরিবার।
সুমাইয়া আক্তার যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামের বর্গাচাষি মো. নজরুল ইসলাম ও নাজমা দম্পতির মেয়ে। দুই ভাইবোনের মধ্যে বড় তিনি। সুমাইয়া উপজেলার বেনেয়ালী এফজেইউবি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০২১ সালে এসএসসি ও ঝিকরগাছা মহিলা কলেজ থেকে ২০২৩ সালে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বপূর্ণ ফল অর্জন করেছিলেন তিনি।
বসতভিটার একখণ্ড জমি ছাড়া সুমাইয়াদের চাষাবাদের নিজস্ব জমি নেই। সুমাইয়ার বাবা নজরুল ইসলাম সামান্য কিছু জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদের পাশাপাশি বছরের কিছু সময়ে ধান ছাঁটাই মিলে মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করে সংসার চালান। সুমাইয়ার স্নাতক পাস মা নাজমা বাড়িতে কিছু টিউশনির পাশাপাশি হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল পালন করেন।
সুমাইয়ার মা নাজমা বলেন, ‘মেয়েটাকে কোনো দিন প্রাইভেট পড়াতে পারিনি। উল্টো অন্যদের পড়িয়ে সে নিজের খরচ জোগাড় করেছে। বাড়ি থেকে ঝিকরগাছা মহিলা কলেজ তিন কিলোমিটার দূরে হলেও টাকার অভাবে সুমাইয়া মাঠের ভেতর দিয়ে হেঁটে অনেক দিন কলেজে গেছে। ভর্তির জন্য শুধু মেডিকেলের ফরম তোলা হয়েছিল। বুয়েট বা অন্য বিষয়ে পড়ার ইচ্ছা থাকলেও টাকা না থাকায় ফরম তুলতে পারিনি।’
সুমাইয়া মেডিকেলে ভর্তির জন্য কোনো কোচিংয়ে ভর্তি হতে পারেননি টাকার অভাবে। যশোরের একটি কোচিং সেন্টারের পরিচালক তাঁকে ভর্তি করাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বেশ অপমানও করেছিলেন। সুমাইয়ার ছোট ভাই অষ্টম শ্রেণিতে লেখাপড়া করছে। দুই সন্তানের লেখাপড়ার খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হয়েছে মো. নজরুল ইসলাম ও নাজমাকে। ফলে মেয়েকে মেডিকেলে ভর্তি করতে পারলেও পড়াশোনার খরচ চালানোর বিষয়ে তাঁদের দুশ্চিন্তা কাটছে না। মেডিকেলে ভর্তি হতে সুমাইয়া আক্তারের লেগেছিল প্রায় ১৬ হাজার টাকা। এ টাকার পুরোটা তাঁর পরিবার দিতে পারেনি। আত্মীয়স্বজনের কাছে হাত পাততে হয়েছে তাঁর পরিবারকে।
পরিবারের এসব ঘটনা সুমাইয়ার জানা। সে জন্যই তিনি ‘একজন মানবিক চিকিৎসক’ হতে চান। যাঁর কাজ হবে গ্রামের দরিদ্র মানুষকে ফ্রি চিকিৎসাসেবা দেওয়া।
ঝিকরগাছা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. শাহ নূর কবীর বলেন, ‘সুমাইয়া আক্তার অত্যন্ত মেধাবী। সে অভাব-অনটনসহ নানা প্রতিকূলতার মধ্যে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে। তাকে কলেজ থেকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছিল।’
প্রতিকূলতা আটকাতে পারেনি সুমাইয়া আক্তারকে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে তিনি ঢাকার মুগদা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়েছেন। অভাবের সংসারে সুমাইয়ার সাফল্যে এলাকাবাসী খুশি হলেও লেখাপড়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে তাঁর পরিবার।
সুমাইয়া আক্তার যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামের বর্গাচাষি মো. নজরুল ইসলাম ও নাজমা দম্পতির মেয়ে। দুই ভাইবোনের মধ্যে বড় তিনি। সুমাইয়া উপজেলার বেনেয়ালী এফজেইউবি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০২১ সালে এসএসসি ও ঝিকরগাছা মহিলা কলেজ থেকে ২০২৩ সালে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বপূর্ণ ফল অর্জন করেছিলেন তিনি।
বসতভিটার একখণ্ড জমি ছাড়া সুমাইয়াদের চাষাবাদের নিজস্ব জমি নেই। সুমাইয়ার বাবা নজরুল ইসলাম সামান্য কিছু জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদের পাশাপাশি বছরের কিছু সময়ে ধান ছাঁটাই মিলে মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করে সংসার চালান। সুমাইয়ার স্নাতক পাস মা নাজমা বাড়িতে কিছু টিউশনির পাশাপাশি হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল পালন করেন।
সুমাইয়ার মা নাজমা বলেন, ‘মেয়েটাকে কোনো দিন প্রাইভেট পড়াতে পারিনি। উল্টো অন্যদের পড়িয়ে সে নিজের খরচ জোগাড় করেছে। বাড়ি থেকে ঝিকরগাছা মহিলা কলেজ তিন কিলোমিটার দূরে হলেও টাকার অভাবে সুমাইয়া মাঠের ভেতর দিয়ে হেঁটে অনেক দিন কলেজে গেছে। ভর্তির জন্য শুধু মেডিকেলের ফরম তোলা হয়েছিল। বুয়েট বা অন্য বিষয়ে পড়ার ইচ্ছা থাকলেও টাকা না থাকায় ফরম তুলতে পারিনি।’
সুমাইয়া মেডিকেলে ভর্তির জন্য কোনো কোচিংয়ে ভর্তি হতে পারেননি টাকার অভাবে। যশোরের একটি কোচিং সেন্টারের পরিচালক তাঁকে ভর্তি করাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বেশ অপমানও করেছিলেন। সুমাইয়ার ছোট ভাই অষ্টম শ্রেণিতে লেখাপড়া করছে। দুই সন্তানের লেখাপড়ার খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হয়েছে মো. নজরুল ইসলাম ও নাজমাকে। ফলে মেয়েকে মেডিকেলে ভর্তি করতে পারলেও পড়াশোনার খরচ চালানোর বিষয়ে তাঁদের দুশ্চিন্তা কাটছে না। মেডিকেলে ভর্তি হতে সুমাইয়া আক্তারের লেগেছিল প্রায় ১৬ হাজার টাকা। এ টাকার পুরোটা তাঁর পরিবার দিতে পারেনি। আত্মীয়স্বজনের কাছে হাত পাততে হয়েছে তাঁর পরিবারকে।
পরিবারের এসব ঘটনা সুমাইয়ার জানা। সে জন্যই তিনি ‘একজন মানবিক চিকিৎসক’ হতে চান। যাঁর কাজ হবে গ্রামের দরিদ্র মানুষকে ফ্রি চিকিৎসাসেবা দেওয়া।
ঝিকরগাছা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. শাহ নূর কবীর বলেন, ‘সুমাইয়া আক্তার অত্যন্ত মেধাবী। সে অভাব-অনটনসহ নানা প্রতিকূলতার মধ্যে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে। তাকে কলেজ থেকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছিল।’
থাইল্যান্ডে চুলালংকর্ন বিশ্ববিদ্যালয় বৃত্তি-২০২৫-এর আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন।
৭ ঘণ্টা আগেবর্তমান যুগ প্রযুক্তি ও জ্ঞানের যুগ। একাডেমিক ডিগ্রি যতটা গুরুত্বপূর্ণ, বাস্তব জীবনে টিকে থাকতে ততটাই প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা। বিশেষ করে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন এখন সময়ের চাহিদা। এ পরিস্থিতিতে চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা যেমন বাড়ছে, তেমনি উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগও তৈরি হচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগেবিশ্ববিদ্যালয় কেবল উচ্চশিক্ষা অর্জনের জায়গা নয়, এটি জীবনের বৃহত্তর পাঠশালা। পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি এখানে শেখার আছে নেতৃত্বের দক্ষতা, আত্ম-উন্নয়নের কৌশল এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি।
২ দিন আগেইউরোপের দেশ সুইডেন। দেশটির মেরিন জেট পাওয়ার কোম্পানির টেস্ট অ্যান্ড ভ্যালিডেশন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন প্রবাসী বাংলাদেশি মুহাম্মদ শাকিরুল্লাহ। সুইডেনে বাংলাদেশিদের ক্যারিয়ার গড়ার সম্ভাবনা...
২ দিন আগে