কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা আওয়ামী লীগের নেতা মেহেরুল ইসলাম ও কলেজশিক্ষক মোহনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের ২০ হাজার টাকা জরিমানাসহ আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আজ রোববার বেলা আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহা. তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কুষ্টিয়ার আড়ুয়াপাড়া এলাকার মোশারফ হোসেনের ছেলে নিপু ওরফে কামাল রেজা, আড়ুয়াপাড়া এসবি রোডের আব্দুর রশিদের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, ইদ্রিস আলীর ছেলে তারিক পরামাণিক, ইয়াকুব আলী সড়কের নবির আলীর ছেলে রায়হান আলী ও সদর উপজেলার কাঞ্চনপুর এলাকার চাঁদ আলীর ছেলে সিদ্দিক ওরফে বাংলাভাই। সিদ্দিক ওরফে বাংলাভাই পলাতক।
এ ছাড়া এই মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় ১০ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। মামলার এক আসামি পলাতক থাকায় বাকি আসামিদের উপস্থিতিতেই এই মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৫ আগস্ট কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা বাজার এলাকায় একটি দোকানের পাশে বসে ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলার আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেরুল ইসলাম, কলেজশিক্ষক মোহনসহ আরও কয়েকজন। এ সময় হঠাৎ মোটরসাইকেল যোগে ৮-১০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল তাঁদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে আওয়ামী লীগ নেতা মেহেরুল ইসলাম এবং কলেজশিক্ষক মোহন মারা যান। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন আরও কয়েকজন।
এই ঘটনার দুই দিন পর ভেড়ামারা থানা এসআই আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। পরে এই মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১১ সালের ২২ জুলাই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা আজমখান। পরে দীর্ঘ শুনানি শেষে এবং ১৬ জনের সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে রোববার মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা আওয়ামী লীগের নেতা মেহেরুল ইসলাম ও কলেজশিক্ষক মোহনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের ২০ হাজার টাকা জরিমানাসহ আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আজ রোববার বেলা আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহা. তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কুষ্টিয়ার আড়ুয়াপাড়া এলাকার মোশারফ হোসেনের ছেলে নিপু ওরফে কামাল রেজা, আড়ুয়াপাড়া এসবি রোডের আব্দুর রশিদের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, ইদ্রিস আলীর ছেলে তারিক পরামাণিক, ইয়াকুব আলী সড়কের নবির আলীর ছেলে রায়হান আলী ও সদর উপজেলার কাঞ্চনপুর এলাকার চাঁদ আলীর ছেলে সিদ্দিক ওরফে বাংলাভাই। সিদ্দিক ওরফে বাংলাভাই পলাতক।
এ ছাড়া এই মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় ১০ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। মামলার এক আসামি পলাতক থাকায় বাকি আসামিদের উপস্থিতিতেই এই মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৫ আগস্ট কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা বাজার এলাকায় একটি দোকানের পাশে বসে ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলার আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেরুল ইসলাম, কলেজশিক্ষক মোহনসহ আরও কয়েকজন। এ সময় হঠাৎ মোটরসাইকেল যোগে ৮-১০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল তাঁদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে আওয়ামী লীগ নেতা মেহেরুল ইসলাম এবং কলেজশিক্ষক মোহন মারা যান। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন আরও কয়েকজন।
এই ঘটনার দুই দিন পর ভেড়ামারা থানা এসআই আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। পরে এই মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১১ সালের ২২ জুলাই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা আজমখান। পরে দীর্ঘ শুনানি শেষে এবং ১৬ জনের সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে রোববার মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পে ডাকাতদের হামলার ঘটনায় ডাকাত দলের প্রধান রিপনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ঢাকা ও গাজীপুর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩ দিন আগেনরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মহসিন মিয়াকে (৪৬) দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
২৪ জুলাই ২০২৫সবার সামনে পিটিয়ে হত্যা, পাথরে শরীর থেঁতলে দেওয়া, নিজের বাড়ির সামনে গুলি করে পায়ের রগ কেটে হত্যা, অস্ত্র দেখিয়ে সর্বস্ব ছিনতাই, চাঁদা না পেয়ে গুলি—এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা কয়েক দিন ধরে বেশ আলোচিত। কিন্তু পুলিশ অনেকটাই নির্বিকার। প্রতিটি ঘটনার সিটিটিভি ফুটেজ থাকলেও সব অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
১৪ জুলাই ২০২৫এবার রাজধানীর শ্যামলীতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মানিব্যাগ, কাঁধের ব্যাগ ও মোবাইল ফোন নেওয়ার পর ছিনতাইকারীরা এক যুবকের পোশাক ও জুতা খুলে নিয়ে গেছে।
১২ জুলাই ২০২৫