Ajker Patrika

‘ইউএস ব্র্যান্ড এখন টয়লেটে’—ভারতের ওপর মার্কিন শুল্ক নিয়ে জ্যাক সুলিভানের ক্ষোভ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৫, ২২: ২৫
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাজ্যাক সুলিভান। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাজ্যাক সুলিভান। ছবি: সংগৃহীত

হোয়াইট হাউসের সাবেক এক কর্মকর্তা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারতের ওপর চাপানো বিপুল পরিমাণ শুল্কের তীব্র সমালোচনা করেছেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও দাবি তাঁর। এই কর্মকর্তা হলেন জ্যাক সুলিভান; সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ভারতের ওপর আরোপ করা অতিরিক্ত শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রকে দায়বদ্ধ নয়; বরং চীনকে আরও দায়িত্বশীল হিসেবে উপস্থাপন করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ভাষ্যকার টিম মিলারকে দ্য বুলওয়ার্ক পডকাস্টে সুলিভান বলেন, ‘অনেক দেশেই চীনের জনপ্রিয়তা এখন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেড়ে গেছে। এক বছর আগেও এমনটা ছিল না। দেশগুলো এখন বলছে, মার্কিন ব্র্যান্ড টয়লেটে চলে গেছে আর চীনকে আরও দায়িত্বশীল খেলোয়াড় বলে মনে হচ্ছে।’

এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি বলেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারত থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছেন। তিনি এর কারণ হিসেবে ভারতের ‘অন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলন’ এবং রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানি বন্ধ করতে দিল্লির অস্বীকৃতিকে দায়ী করেছেন। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদন বলছে, এই শুল্কের লক্ষ্য বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষা করা নয়; বরং পাকিস্তানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে ট্রাম্পের মধ্যস্থতার দাবি ভারত অস্বীকার করেছিল—সেই জন্যই এই শুল্ক বসানো হয়েছে।

ওবামা প্রশাসনের নীতি পরিচালক হিসেবে কাজ করা সুলিভান এই ধরনের শুল্কের ঝুঁকির কথা পডকাস্টে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, এর ফলে বেইজিংয়ের আরও কাছাকাছি চলে যেতে পারে নয়াদিল্লি, যা ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের টানাপোড়েনকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।

সুলিভান বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে একটি গভীর, টেকসই সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছিলাম এবং চীনের চ্যালেঞ্জটি এ ক্ষেত্রে বড় আকার ধারণ করেছিল।

‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাদের বিরুদ্ধে এক বিশাল বাণিজ্যিক আক্রমণ শুরু করেছেন এবং এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয়রা বলছে, সম্ভবত আমাদের বেইজিংয়ে গিয়ে চীনাদের সঙ্গে বসতে হবে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আমাদের নির্ভরযোগ্য বিকল্প দরকার।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত