নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের মাধ্যমে আদায় করা বিপুল পরিমাণ টাকা, মোবাইল ফোন এবং দেশীয় অস্ত্রসহ রাজধানীর খিলগাঁও, শাহজাহানপুর, মুগদা, পল্টন, ওয়ারী ও বংশাল এলাকা থেকে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী চক্রের ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৩। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
আজ শুক্রবার র্যাব-৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীণা রানী দাসের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বীণা রানী দাস জানান, রাজধানীর খিলগাঁও, শাহজাহানপুর, মুগদা, পল্টন, ওয়ারী ও বংশালে কয়েকটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী চক্র সবজি ও ফলের দোকান, ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান, লেগুনা স্ট্যান্ড এবং মালবাহী গাড়ি থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়সহ ছিনতাই করে আসছিল। কেউ চাঁদা দিতে রাজি না হলে তারা দেশীয় অস্ত্রের মাধ্যমে জীবননাশের হুমকি দেয়। তাদের অত্যাচারে দোকানদারদের স্বাভাবিক ব্যবসা পরিচালনা করা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে র্যাব-৩ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং তাদের একটি দল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজ চক্রের ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছ থেকে নগদ ৪৪ হাজার ৯৯০ টাকা এবং ১৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. মোশারেফ হোসেন (২৯), মো. মাসুদ রায়হান (২৮), মো. রোকন (২৯), মো. বিল্লাল হোসেন (৩৩), মো. আকতার হোসেন (৩৫), মো. হারুন (৪৮), মো. সাহেব আলী (৪৯), মো. জুয়েল (৪৩), মো. আরিফ চৌধুরী (৫৩), মো. আল আমিন (৩৩), মো. সুমন (৩৩), মো. রানা (২৬), মো. ইমান আলী (৪০) ও মো. ইকবাল (৪৫)।
এদিকে র্যাব-৩-এর আরেকটি দল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারী চক্রের ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছেন বীণা রানী দাস। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে চারটি ক্ষুর এবং আটটি সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মো. সুমন (২৯), মো. আব্দুর রহমান (১৯), মো. সাইফুল মিয়া (২৩), মো. রিপন মিয়া (২১), মো. আামিরুল ইসলাম (৫৫), নিত্যানন্দ অধিকারী (৫০), মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮), মো. সোহেল (৩০), শরিফ (২২), মোবারক (২১), মো. আল আমিন (২৬) ও সুরুজ মিয়া (২৮)।
গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা চাঁদা ও ছিনতাইয়ের বিষয়টি স্বীকার করেছে। দীর্ঘদিন যাবৎ তারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সবজি ও ফলের দোকান, ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান, লেগুনা স্ট্যান্ড এবং মালবাহী গাড়ি থেকে জোরপূর্বক দোকানপ্রতি ১০০ থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করত।
গ্রেপ্তার ছিনতাইকারীরা জানিয়েছে, তারা রাস্তায় ওত পেতে থাকে এবং সুযোগ বুঝে পথচারী, রিকশা আরোহী ও সিএনজি অটোরিকশার যাত্রীদের দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ছিনতাই করত। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন র্যাবের এই কর্মকর্তা।
চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের মাধ্যমে আদায় করা বিপুল পরিমাণ টাকা, মোবাইল ফোন এবং দেশীয় অস্ত্রসহ রাজধানীর খিলগাঁও, শাহজাহানপুর, মুগদা, পল্টন, ওয়ারী ও বংশাল এলাকা থেকে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী চক্রের ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৩। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
আজ শুক্রবার র্যাব-৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীণা রানী দাসের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বীণা রানী দাস জানান, রাজধানীর খিলগাঁও, শাহজাহানপুর, মুগদা, পল্টন, ওয়ারী ও বংশালে কয়েকটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী চক্র সবজি ও ফলের দোকান, ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান, লেগুনা স্ট্যান্ড এবং মালবাহী গাড়ি থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়সহ ছিনতাই করে আসছিল। কেউ চাঁদা দিতে রাজি না হলে তারা দেশীয় অস্ত্রের মাধ্যমে জীবননাশের হুমকি দেয়। তাদের অত্যাচারে দোকানদারদের স্বাভাবিক ব্যবসা পরিচালনা করা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে র্যাব-৩ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং তাদের একটি দল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজ চক্রের ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছ থেকে নগদ ৪৪ হাজার ৯৯০ টাকা এবং ১৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. মোশারেফ হোসেন (২৯), মো. মাসুদ রায়হান (২৮), মো. রোকন (২৯), মো. বিল্লাল হোসেন (৩৩), মো. আকতার হোসেন (৩৫), মো. হারুন (৪৮), মো. সাহেব আলী (৪৯), মো. জুয়েল (৪৩), মো. আরিফ চৌধুরী (৫৩), মো. আল আমিন (৩৩), মো. সুমন (৩৩), মো. রানা (২৬), মো. ইমান আলী (৪০) ও মো. ইকবাল (৪৫)।
এদিকে র্যাব-৩-এর আরেকটি দল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারী চক্রের ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছেন বীণা রানী দাস। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে চারটি ক্ষুর এবং আটটি সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মো. সুমন (২৯), মো. আব্দুর রহমান (১৯), মো. সাইফুল মিয়া (২৩), মো. রিপন মিয়া (২১), মো. আামিরুল ইসলাম (৫৫), নিত্যানন্দ অধিকারী (৫০), মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮), মো. সোহেল (৩০), শরিফ (২২), মোবারক (২১), মো. আল আমিন (২৬) ও সুরুজ মিয়া (২৮)।
গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা চাঁদা ও ছিনতাইয়ের বিষয়টি স্বীকার করেছে। দীর্ঘদিন যাবৎ তারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সবজি ও ফলের দোকান, ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান, লেগুনা স্ট্যান্ড এবং মালবাহী গাড়ি থেকে জোরপূর্বক দোকানপ্রতি ১০০ থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করত।
গ্রেপ্তার ছিনতাইকারীরা জানিয়েছে, তারা রাস্তায় ওত পেতে থাকে এবং সুযোগ বুঝে পথচারী, রিকশা আরোহী ও সিএনজি অটোরিকশার যাত্রীদের দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ছিনতাই করত। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন র্যাবের এই কর্মকর্তা।
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পে ডাকাতদের হামলার ঘটনায় ডাকাত দলের প্রধান রিপনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ঢাকা ও গাজীপুর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১৭ ঘণ্টা আগেনরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মহসিন মিয়াকে (৪৬) দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
২৪ জুলাই ২০২৫সবার সামনে পিটিয়ে হত্যা, পাথরে শরীর থেঁতলে দেওয়া, নিজের বাড়ির সামনে গুলি করে পায়ের রগ কেটে হত্যা, অস্ত্র দেখিয়ে সর্বস্ব ছিনতাই, চাঁদা না পেয়ে গুলি—এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা কয়েক দিন ধরে বেশ আলোচিত। কিন্তু পুলিশ অনেকটাই নির্বিকার। প্রতিটি ঘটনার সিটিটিভি ফুটেজ থাকলেও সব অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
১৪ জুলাই ২০২৫এবার রাজধানীর শ্যামলীতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মানিব্যাগ, কাঁধের ব্যাগ ও মোবাইল ফোন নেওয়ার পর ছিনতাইকারীরা এক যুবকের পোশাক ও জুতা খুলে নিয়ে গেছে।
১২ জুলাই ২০২৫