প্রতিনিধি, সাভার
সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিখোঁজ অধ্যক্ষের হদিস ঠিকই মিলল তবে তত দিনে তাঁর দেহ আর পূর্ণাঙ্গ নেই। মাথাসহ ৬ টুকরা করা হয়েছে তার লাশ। লাশের ৫ টুকরো পুতে রাখা হয়েছে সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই। আর মাথা ফেলা হয়েছে ঢাকার আশকোনার এক ডোবায়।
সোমবার দুপুরে সাভারের আশুলিয়ার বেরন এলাকায় অবস্থিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উঠান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের শিক্ষক বন্ধু মোতালেব ও রবিউলসহ তিনজনকে গতকাল মধ্যরাতে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। স্কুল থেকে লাশের ৫টি অংশ উদ্ধার করেছে র্যাব আর মাথা আশকোনার একটি ডোবা থেকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
প্রথম থেকেই এ ঘটনায় জড়িত শিক্ষক রবিউল বিভিন্ন স্থানে পলাতক ছিল।
র্যাব জানায়, ৭ জুলাই তারা হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে। পরে ১৩ জুলাই রাতে স্কুলে কোচিং শেষ করলে মিন্টু বর্মণের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে প্রাণনাশ করে রবিউলের ভাগনে বাদশাহ। স্কুলের মালিকানা, অংশীদারত্ব ও লভ্যাংশ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। এ ছাড়া নিহত শিক্ষকের সুদক্ষতায় তারা ঈর্ষান্বিত ছিল বলে জানায় র্যাব।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৩ জুলাই (মঙ্গলবার) আশুলিয়ার জামগড়া সংলগ্ন বেরন এলাকার রূপায়ণ মাঠের নিজ বাসা স্বপ্ন নিবাস থেকেই নিখোঁজ হন মিন্টু চন্দ্র বর্মণ। এর পর থেকে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। দীর্ঘ ৭ দিন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে অবশেষে ২২ জুলাই আশুলিয়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন মিন্টুর ছোট ভাই দীপক চন্দ্র বর্মণ। পরে ৯ আগস্ট ছায়া তদন্ত করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে লাশের লোকেশন শনাক্ত করে র্যাব। পরে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে অভিযান পরিচালনা করে লাশের ৫ টুকরো উদ্ধার করা হয়।
নিহত মিন্টু চন্দ্র বর্মন লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের বাড়াইপাড়া গ্রামের শরত বর্মনের ছেলে।
নিহতের ভাই দীপক চন্দ্র বর্মন জানান, তাঁর ভাই মিন্টু চন্দ্র বর্মণ দুই বন্ধু মিলে প্রায় দুই বছর আগে সাভারে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করেন। যার নাম দেন সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। যার অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছিলেন মিন্টু। কিন্তু হঠাৎ ভাই উধাও হয়ে যায়। আজ শুনি ভাইয়ের বন্ধুরাই তাঁকে হত্যা করেছে। আমি তাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।
এর আগে গত ১৩ জুলাই (মঙ্গলবার) আশুলিয়ার নরসিংহপুর সংলগ্ন বেরন এলাকা থেকে নিখোঁজ হন মিন্টু চন্দ্র বর্মণ। এই স্কুলের এক শিক্ষার্থীর মা সানেকা বেগম বলেন, তিনি অনেক মেধাবী ও সহজ সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তাঁকে এলাকার সবাই খুব শ্রদ্ধা করত।
র্যাব সদর দপ্তরের মিডিয়া উইং এর কমান্ডার খন্দকার মঈন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রথমে ৭ জুলাই মিন্টুকে হত্যার পরিকল্পনা করে মোতালেব ও বাকিরা। পরে ১৩ জুলাই স্কুলটিতে কোচিং পরবর্তী সময়ে ১০৬ নম্বরে তাঁকে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। ওই দিন কোচিং এর পরবর্তীতে প্রথমে বাদশাহ হাতুড়ি দিয়ে মিন্টুর মাথায় আঘাত করে। বাদশাহ ও রবিউল তাঁকে হত্যা করে দা দিয়ে ৬ টুকরো করে। এর পর মাথা পলিথিনে মুড়িয়ে রাজধানীর আশকোনার একটি ডোবায় ফেলে দেয়। পাশাপাশি ৫ টুকরো স্কুলের আঙ্গিনায় পুতে রাখে। এর পর থেকে রবিউল পলাতক ছিল। গত মধ্যরাতে রবিউলকে আবদুল্লাহপুর থেকে, পরিকল্পনাকারী মোতালেবকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে আর রবিউলের ভাগনে বাদশাকে আশকোনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রবিউলের দেওয়া তথ্যমতে স্কুলের আঙিনা থেকে মিন্টুর শরীরের ৫টি খণ্ডিতাংশ উদ্ধার করা হয়। মূল কিলিং মিশনে অংশগ্রহণ করে রবিউল ও তার ভাগনে বাদশাহ। মোতালেব পরিকল্পনা করে।
সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিখোঁজ অধ্যক্ষের হদিস ঠিকই মিলল তবে তত দিনে তাঁর দেহ আর পূর্ণাঙ্গ নেই। মাথাসহ ৬ টুকরা করা হয়েছে তার লাশ। লাশের ৫ টুকরো পুতে রাখা হয়েছে সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই। আর মাথা ফেলা হয়েছে ঢাকার আশকোনার এক ডোবায়।
সোমবার দুপুরে সাভারের আশুলিয়ার বেরন এলাকায় অবস্থিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উঠান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের শিক্ষক বন্ধু মোতালেব ও রবিউলসহ তিনজনকে গতকাল মধ্যরাতে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। স্কুল থেকে লাশের ৫টি অংশ উদ্ধার করেছে র্যাব আর মাথা আশকোনার একটি ডোবা থেকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
প্রথম থেকেই এ ঘটনায় জড়িত শিক্ষক রবিউল বিভিন্ন স্থানে পলাতক ছিল।
র্যাব জানায়, ৭ জুলাই তারা হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে। পরে ১৩ জুলাই রাতে স্কুলে কোচিং শেষ করলে মিন্টু বর্মণের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে প্রাণনাশ করে রবিউলের ভাগনে বাদশাহ। স্কুলের মালিকানা, অংশীদারত্ব ও লভ্যাংশ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। এ ছাড়া নিহত শিক্ষকের সুদক্ষতায় তারা ঈর্ষান্বিত ছিল বলে জানায় র্যাব।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৩ জুলাই (মঙ্গলবার) আশুলিয়ার জামগড়া সংলগ্ন বেরন এলাকার রূপায়ণ মাঠের নিজ বাসা স্বপ্ন নিবাস থেকেই নিখোঁজ হন মিন্টু চন্দ্র বর্মণ। এর পর থেকে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। দীর্ঘ ৭ দিন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে অবশেষে ২২ জুলাই আশুলিয়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন মিন্টুর ছোট ভাই দীপক চন্দ্র বর্মণ। পরে ৯ আগস্ট ছায়া তদন্ত করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে লাশের লোকেশন শনাক্ত করে র্যাব। পরে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে অভিযান পরিচালনা করে লাশের ৫ টুকরো উদ্ধার করা হয়।
নিহত মিন্টু চন্দ্র বর্মন লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের বাড়াইপাড়া গ্রামের শরত বর্মনের ছেলে।
নিহতের ভাই দীপক চন্দ্র বর্মন জানান, তাঁর ভাই মিন্টু চন্দ্র বর্মণ দুই বন্ধু মিলে প্রায় দুই বছর আগে সাভারে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করেন। যার নাম দেন সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। যার অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছিলেন মিন্টু। কিন্তু হঠাৎ ভাই উধাও হয়ে যায়। আজ শুনি ভাইয়ের বন্ধুরাই তাঁকে হত্যা করেছে। আমি তাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।
এর আগে গত ১৩ জুলাই (মঙ্গলবার) আশুলিয়ার নরসিংহপুর সংলগ্ন বেরন এলাকা থেকে নিখোঁজ হন মিন্টু চন্দ্র বর্মণ। এই স্কুলের এক শিক্ষার্থীর মা সানেকা বেগম বলেন, তিনি অনেক মেধাবী ও সহজ সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তাঁকে এলাকার সবাই খুব শ্রদ্ধা করত।
র্যাব সদর দপ্তরের মিডিয়া উইং এর কমান্ডার খন্দকার মঈন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রথমে ৭ জুলাই মিন্টুকে হত্যার পরিকল্পনা করে মোতালেব ও বাকিরা। পরে ১৩ জুলাই স্কুলটিতে কোচিং পরবর্তী সময়ে ১০৬ নম্বরে তাঁকে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। ওই দিন কোচিং এর পরবর্তীতে প্রথমে বাদশাহ হাতুড়ি দিয়ে মিন্টুর মাথায় আঘাত করে। বাদশাহ ও রবিউল তাঁকে হত্যা করে দা দিয়ে ৬ টুকরো করে। এর পর মাথা পলিথিনে মুড়িয়ে রাজধানীর আশকোনার একটি ডোবায় ফেলে দেয়। পাশাপাশি ৫ টুকরো স্কুলের আঙ্গিনায় পুতে রাখে। এর পর থেকে রবিউল পলাতক ছিল। গত মধ্যরাতে রবিউলকে আবদুল্লাহপুর থেকে, পরিকল্পনাকারী মোতালেবকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে আর রবিউলের ভাগনে বাদশাকে আশকোনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রবিউলের দেওয়া তথ্যমতে স্কুলের আঙিনা থেকে মিন্টুর শরীরের ৫টি খণ্ডিতাংশ উদ্ধার করা হয়। মূল কিলিং মিশনে অংশগ্রহণ করে রবিউল ও তার ভাগনে বাদশাহ। মোতালেব পরিকল্পনা করে।
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পে ডাকাতদের হামলার ঘটনায় ডাকাত দলের প্রধান রিপনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ঢাকা ও গাজীপুর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২০ ঘণ্টা আগেনরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মহসিন মিয়াকে (৪৬) দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
২৪ জুলাই ২০২৫সবার সামনে পিটিয়ে হত্যা, পাথরে শরীর থেঁতলে দেওয়া, নিজের বাড়ির সামনে গুলি করে পায়ের রগ কেটে হত্যা, অস্ত্র দেখিয়ে সর্বস্ব ছিনতাই, চাঁদা না পেয়ে গুলি—এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা কয়েক দিন ধরে বেশ আলোচিত। কিন্তু পুলিশ অনেকটাই নির্বিকার। প্রতিটি ঘটনার সিটিটিভি ফুটেজ থাকলেও সব অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
১৪ জুলাই ২০২৫এবার রাজধানীর শ্যামলীতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মানিব্যাগ, কাঁধের ব্যাগ ও মোবাইল ফোন নেওয়ার পর ছিনতাইকারীরা এক যুবকের পোশাক ও জুতা খুলে নিয়ে গেছে।
১২ জুলাই ২০২৫