নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
সরকার এবার মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্টের জন্য জাপান থেকে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন ইয়েন (আনুমানিক ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঋণ সহায়তা নেবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা।
গতকাল শনিবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে একটি বিনিময় নোট ও ঋণচুক্তি সই হয়েছে। জাপান সরকারের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি বিনিময় নোট এবং বাংলাদেশে অবস্থিত জাইকা অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি তমোহিদ ঋণচুক্তিতে সই করেন। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান বিনিময় নোট ও ঋণচুক্তিতে সই করেন। ইআরডি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ঋণচুক্তিটির আওতায় জাপান সরকার বাংলাদেশকে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন ইয়েন ঋণ সহায়তা দেবে। এই ঋণের বাৎসরিক সুদের হার নির্মাণকাজের জন্য ১ দশমিক ৬০ শতাংশ, পরামর্শক সেবার জন্য শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ, ফ্রন্ট ইন্ড ফি (এককালীন) শূন্য দশমিক ২ শতাংশ। এই ঋণ ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য।
অব্যাহত বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী এলাকায় ১২০০ মেগাওয়াট (৬০০ মেগাওয়াটের ২ ইউনিট) আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ চলছে।
প্রকল্পের মোট ব্যয় ৫১ হাজার ৮৫৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে জিওবি (সরকারি তহবিল) ৬ হাজার ৪০৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আর জাইকা ৪৩ হাজার ৯২১ কোটি ৩ লাখ টাকা, সিপিজিসিবিএল সংস্থার নিজস্ব ১ হাজার ৫২৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।
প্রকল্পের মেয়াদকাল জুলাই ২০১৪ থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ৭৮ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৬৫ দশমিক ১৪ শতাংশ। জাইকা কর্তৃক পর্যায়ক্রমে ঋণসহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে ছয়টি পর্যায়ে মোট ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৫৪ মিলিয়ন ইয়েনের ঋণচুক্তি সই হয়েছে। জাপান সরকারের ৪৪তম উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) লোন প্যাকেজের (দ্বিতীয় ব্যাচ) আওতায় সপ্তম পর্যায়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন ইয়েন দেওয়া হবে।
সরকার এবার মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্টের জন্য জাপান থেকে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন ইয়েন (আনুমানিক ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঋণ সহায়তা নেবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা।
গতকাল শনিবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে একটি বিনিময় নোট ও ঋণচুক্তি সই হয়েছে। জাপান সরকারের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি বিনিময় নোট এবং বাংলাদেশে অবস্থিত জাইকা অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি তমোহিদ ঋণচুক্তিতে সই করেন। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান বিনিময় নোট ও ঋণচুক্তিতে সই করেন। ইআরডি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ঋণচুক্তিটির আওতায় জাপান সরকার বাংলাদেশকে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন ইয়েন ঋণ সহায়তা দেবে। এই ঋণের বাৎসরিক সুদের হার নির্মাণকাজের জন্য ১ দশমিক ৬০ শতাংশ, পরামর্শক সেবার জন্য শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ, ফ্রন্ট ইন্ড ফি (এককালীন) শূন্য দশমিক ২ শতাংশ। এই ঋণ ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য।
অব্যাহত বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী এলাকায় ১২০০ মেগাওয়াট (৬০০ মেগাওয়াটের ২ ইউনিট) আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ চলছে।
প্রকল্পের মোট ব্যয় ৫১ হাজার ৮৫৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে জিওবি (সরকারি তহবিল) ৬ হাজার ৪০৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আর জাইকা ৪৩ হাজার ৯২১ কোটি ৩ লাখ টাকা, সিপিজিসিবিএল সংস্থার নিজস্ব ১ হাজার ৫২৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।
প্রকল্পের মেয়াদকাল জুলাই ২০১৪ থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ৭৮ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৬৫ দশমিক ১৪ শতাংশ। জাইকা কর্তৃক পর্যায়ক্রমে ঋণসহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে ছয়টি পর্যায়ে মোট ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৫৪ মিলিয়ন ইয়েনের ঋণচুক্তি সই হয়েছে। জাপান সরকারের ৪৪তম উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) লোন প্যাকেজের (দ্বিতীয় ব্যাচ) আওতায় সপ্তম পর্যায়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন ইয়েন দেওয়া হবে।
২০১৩ সালে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খুলেছিল মার্কেন্টাইল ব্যাংক। গ্রাহক এমা সিনটেক্স লিমিটেড ফ্যাব্রিকস পাঠায়, আমদানিকারক মিমময় ফ্যাশন বুঝে নেয়। এরপর ব্যাংকে বিল দাখিল হয়, সুইফট বার্তাও যায়। তারপর হঠাৎ সব থেমে যায়—বিল বাতিল।
৩ ঘণ্টা আগেচট্টগ্রামভিত্তিক শিল্পগ্রুপ ইউনিটেক্স। ১৯৮০ সালে ব্যবসা শুরু করেন গ্রুপটির কর্ণধার মো. হানিফ চৌধুরী। প্রথমে তৈরি পোশাক, পরে টেক্সটাইল, স্পিনিং, গ্যাস, সিনথেটিক খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয় ইউনিটেক্স গ্রুপ।
৫ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (ইউসিবিআইএল) এবং দেশের সর্ববৃহৎ অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টিং প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাদেশ অ্যাঞ্জেলস নেটওয়ার্ক’ (ব্যান) আজ ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে।
১৬ ঘণ্টা আগে২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্রাঞ্চ নেটওয়ার্ক ৫ হাজার কোটি টাকার নিট ডিপোজিট প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। রেকর্ড পরিমাণ এই ডিপোজিট প্রবৃদ্ধি আমানত সংগ্রহে ব্যাংকটির টেকসইতার প্রতিফলন।
১৭ ঘণ্টা আগে