ঠাকুরগাঁওয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হামলার মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতা-কর্মীকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার তাঁদের ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করার পর আদালত তাঁদের জেলহাজতে পাঠান। ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ারে আলম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন রুহিয়া থানার ঘনিবিষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য মো. জয়নুল ইসলাম (৪৭), ভূল্লী থানার সাসলা পিয়ালা গ্রামের বাসিন্দা আওয়ামী লীগের কর্মী মো. আসাদুল্লাহ (৫৩), তৃঙ্গী থানার মাদারগঞ্জ পাইকপাড়ার বাসিন্দা আওয়ামী লীগের কর্মী মো. আল মামুন (৩২), ভূল্লী থানার খলিসাকুড়ির বাসিন্দা দেবীপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মনির (৪৮) এবং রুহিয়া থানার কশালগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ২০ নম্বর রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আব্দুল মান্নান (৪০)। ১৫ ও ১৬ নভেম্বর দুই দফায় রুহিয়া, ভূল্লী ও তৃঙ্গীপাড়া এলাকায় তাঁদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বজলুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার আসামিরা হামলার ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। তদন্ত চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের জেলহাজতে রাখা প্রয়োজন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৪৩ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে