
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. কুদরত আলীকে (৫৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কুদরত আলী একই উপজেলার বাবনাপাড়া গ্রামের আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে এবং সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান।
নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ জুলাই সকালে নাগরপুর বাজারে শান্তিপূর্ণভাবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি পালনকালে একটি সন্ত্রাসী দল ছাত্রদের ওপর হামলা চালায়। ওই হামলার ঘটনায় দপ্তিয়র ইউনিয়নের ছাত্র মো. তাইজুল ইসলাম নাগরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নাগরপুর থানার মামলা নম্বর ২।
ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের দায়েরকৃত মামলায় নাগরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. কুদরত আলীকে মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে