টাঙ্গাইলের সখীপুরে ট্রাকচাপায় মজনু মিয়া (৫৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাত আটটার দিকে ঢাকা-সখীপুর সড়কের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত মজনু মিয়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিমা বংকী গ্রামের তুফান আলীর ছেলে ও ডাচ বাংলা ব্যাংক এটিএম বুথের নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মজনু মিয়া রাত আটটার দিকে বাইসাইকেল চালিয়ে তাঁর কর্মস্থল সখীপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাক মজনু মিয়াকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
সখীপুর থানার ওসি মো. জাকির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিহত ব্যক্তির স্বজনদের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে