Ajker Patrika

ললী ছড়ার অবৈধ স্থাপনা অপসারণের দাবিতে সোচ্চার এলাকাবাসী

সিলেট প্রতিনিধি
ললী ছড়ার অবৈধ স্থাপনা অপসারণের দাবিতে সোচ্চার এলাকাবাসী
ললী ছড়া উদ্ধারের দাবিতে ইউএনওর কাছে গণস্বাক্ষরসংবলিত আবেদনপত্র দেওয়া হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

শহরতলির খাদিমপাড়া ইউনিয়নের খিদিরপুর, দলইপাড়া, দত্তগ্রাম ও রুস্তমপুর এলাকার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত ললী ছড়া উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ওই ছড়ার জমি দখল করে ঘর বানানোর কারণে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকার লোকজন ১৫ মার্চ থেকে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ শুরু করেন। আজ শনিবার (২৮ মার্চ) গণস্বাক্ষরসংবলিত আবেদনটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আবেদনে এলাকাবাসী উল্লেখ করেন, ললী ছড়া প্রাচীন একটি সরকারি খাল। এলাকার বাসিন্দাদের ব্যবহৃত পানিপ্রবাহের একমাত্র ভরসা এটি। কয়েক মাস ধরে বেশ কিছু লোক অবৈধভাবে খিদিরপুর ললী ছড়ার জমি দখল করে ছড়ার গতিপথ পরিবর্তন করে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। এ কারণে ছড়ার পানিতে ময়লা আবর্জনা জমে দুর্গন্ধ হওয়ায় খিদিরপুর, দলইপাড়া, দত্তগ্রাম ও রুস্তমপুর এলাকাসহ আশপাশের এলাকার জীবজন্তু এবং বাসিন্দারা মারাত্মকভাবে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। দুর্গন্ধের কারণে এলাকার মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং কৃষিকাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, অবৈধভাবে সরকারি ছড়ার ওপর স্থাপনা নির্মাণের ফলে ওই এলাকার বাসিন্দাদের বাড়িঘরের পানি নিষ্কাশনে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। সরকারি ছড়ার পানির গতিপথ পরিবর্তন করার কারণে বিপরীত দিকে পানি প্রবাহিত হয়ে এলাকার বাসিন্দাদের বাসাবাড়িতে প্রবেশ করছে। ছড়াটি এলাকার একমাত্র পানি নিষ্কাশনের মাধ্যম হওয়ায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জোর দাবি জানান এলাকাবাসী।

আবেদনে জানানো হয়, লিটন, পাবনা, গোপাল, সুইটি, বিউটি ও অভিসন, আব্দুল নূর, হনুফা বেগমসহ অনেকেই অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করে ছড়া সংকুচিত করে রেখেছেন। এলাকার লোকজন বারবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অথচ ১০ মার্চ ললী ছড়া খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

ললী ছড়ার ওপর অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য গণস্বাক্ষরকারী তারেক আহমদ জানান, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কারণে ছড়ার পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। ছড়ার পানির মধ্যে ময়লা-আবর্জনা জমাট বেঁধে পানির মধ্যে মারাত্মক দুর্গন্ধ সৃষ্টি হওয়ায় এলাকার লোকজন বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, পাশাপাশি কৃষি খাতেও এর প্রভাব পড়ছে।

জানতে চাইলে সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনুর রুবাইয়াৎ বলেন, ‘দলইপাড়া, খিদিরপুর, দত্তগ্রাম ও রুস্তমপুর এলাকার লোকজন গণস্বাক্ষর করে একটি আবেদন দিয়েছেন। আমরা তাঁদের আবেদনটি খতিয়ে দেখছি।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

ব্যাংক এশিয়ার কাছে ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলারে বাংলাদেশি কার্যক্রম বিক্রি করছে পাকিস্তানি ব্যাংক আলফালাহ

আমির হামজার বিস্ফোরক মন্তব্য: ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী টুকু নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী’

দেশের সব পেট্রলপাম্পে নিয়োগ হবে ট্যাগ অফিসার

সৌদি যুবরাজ আমাকে তোষামোদ করছেন: ট্রাম্প

জোড়া লাল কার্ডের ম্যাচে ভারতকে রুখে দিল বাংলাদেশ

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত